অবশেষে পানি এল।যার জন্য কৃষকের কত হাহাকার।ভাসানী ও খুশি হতেন অনেক।কিন্তু আসলেই কি তা কৃষকের হাহাকার দূর করতে পেরেছে?পেরেছে কি ভাসানীর লং মার্চের স্বপ্নকে সত্যি করতে?সেই পানু এল বর্ষায়।ব্রক্ষ্মপুত্রকে ছাপিয়ে আমার অংপুর আর কুড়িগ্রামের সহজ সরল মানুষগুলোকে ধ্বংসের চৌরাস্তায় ঠেকাতে এসেছে।সর্বস্ব হারিয়ে এই মানুষগুলোকে নিভৃতে কাঁদার সুযোগ ও দেয়নি আমার প্রতিবেশী দাদা নামক বন্ধু দেশটি।ও আচ্ছা,বন্ধু।বন্ধুর জন্য আমরা প্রতি বছর ইলিশ রপ্তানি করে পাঠাই।আমার পদ্মার চকচকে ইলিশ আজ চোখে দেখেও হাতে ধরতে পারেনা আমাদের জেলেরা।ইলিশের স্বাদ চাপিলায় পাচ্ছি,আসছে প্রজন্ম হয়তো ভুলে যাবে এককালে আমাদের নদী আর মোহনায় ঝাকে ঝাকে ইলিশ নামক কোন মাছ ধরা পড়ত।বন্ধুর জন্য মাছ দিয়ে কথা শুনানোর পাত্র আমরা নই।সুন্দরবনকে দিয়েছি বিদ্যুৎ প্রকল্প করতে।কামিনী রায়ের পরের কারনে স্বার্থ দিয়ে দিচ্ছি আরর ভুলে গিয়েছি সিডর আর আইলায় আমাদের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকার মানুষগুলোর জন্য সেদিন সুন্দরবন কি করেছিল।আমরা দেখিয়ে দিতে পেরেছি আমরা বন্ধুত্ব কাকে বলে।ক্ষমা কর সুন্দরবন,ক্ষমা কর বাংলাদেশ এই অকৃতজ্ঞ জনপদকে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৬ দুপুর ২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।









