বিংশ শতাব্দী থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে যত টেররিস্ট জন্ম নিয়েছে তাদের নাম সবার জানা। এরশাদ শিকদার, বাংলা ভাই কিংবা উত্তরবঙ্গ যে জন্য খুব পরিচিত- চরমপন্থি। অবশ্য ক্রাইম জিনিসটা আজকাল ঘরে ঘরে ছড়িয়ে গেছে। তাই বলে কি জাতীয় শত্রু সৃষ্টি হয় নি?
এই কথাগুলো যখন লিখছি তখন মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে ১৬০ পৃষ্ঠার এক বিশাল রিপোর্ট নিয়ে হাজির ডিজিএফআই ম্যানেজিং ডিরেক্টর এহতেশাম চৌধুরী। রীতিমতো ঘামছেন যখন রাষ্ট্রপতির সামনে দাড়ালেন। কানে শুধু একটা কথা বললেন অমনি রাষ্ট্রপতির মুখ গম্ভীর হয়ে গেলো। তখন প্রায় বিকাল হয়ে এসেছে।
পরদিন সকাল দশটা, ৪ই জানুয়ারি ২০১৫, তড়িঘড়ি করে ত্রস্তপায়ে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে ঢুকতে দেখা গেলো। রাষ্ট্রপতির সাথে রুদ্ধদার সে বৈঠকের একটা টিং আওয়াজও প্রেস, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সামনে গেলো না। সোশ্যাল মিডিয়াতে ধুন্দুমার পড়ে গেলো। যে যার আগে পারে রিউমার ছড়ায়। দেশে জঙ্গি আছে, ইবোলা ভাইরাস ছড়িয়ে গেছে। এর পোস্ট ও কারটেসি না দিয়েই কপি পেস্ট করে।
বিকালের দিকে হুট করে প্রেস কনফারেস দিলেন প্রধানমন্ত্রী। জটলা করে সাংবাদিক মহলের হোমরাচোমরা থেকে চুনোপুঁটি সবে ডিম ফুটে বাচ্চা বেরুবে বলে দেখিতে গেলো।
"টু স্টেট মিলিটারি, অল সিটিজেন পিপল'স রিপাবলিক অব বাংলাদেশ, আই ক্লিয়ারলি আ্যানাউন্স এ মিক্সড সিচুয়েশন আ্যরাউন্ড দ্য নেশন, অব হেভিং এ ডিজিটাল ওয়ার ইজ মুভিং ভেরি ক্লোজলি।"
এইটুকু বলে তিনি থামলেন। কাপা কাপা হাতে পানির গ্লাস নিলেন, কপালের ঘাম মুছলেন। তারপর মিডিয়া ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বাংলায় স্পষ্ট স্বরে বলে উঠলেন, "বাংলাদেশে সম্প্রতি অতিমানব এবং এদের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর সন্ধান পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে প্রথম দলটি মানবতার পক্ষে লড়ছে এবং অপর দলটি দেশের ভেতর আতংক সৃষ্টি করছে। এদের নামও "আতংক সমিতি" নামে আত্নপ্রকাশ করেছে। ঠিক কতজন এই সাইকোপ্যাথদের দলে যোগ দিয়েছে তা আমাদের কারো জানা নেই। তবে অতিমানবীয় শক্তির যত অধিকারী আছে তাদের অতিসত্বর মেটাহিউম্যান আ্যন্ড কমান্ডো আ্যলায়েন্স বা ম্যাকাপ এ যোগ দিতে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।"
ঠিক সেই মুহুর্তেই নয়া পল্টন এলাকায় অদ্ভুত কিছু ঘটতে দেখা গেলো। সেই সাদা জন্তু যেটাকে কপিমাস্টার আর রানার দেখেছিলো সেটা মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে এলো।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




