somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জহিরুল ইসলাম সেতু
আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। প্রবলভাবে আশাবাদী। স্বপ্ন দেখি শান্তিময় সমৃদ্ধ পৃথিবীর।

নারী দিবসে সকল মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা

০৮ ই মার্চ, ২০২২ সকাল ১০:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ ৮ মার্চ। সারা বিশ্ব এই দিনটিকে নারী দিবস হিসেবে উদযাপন করে থাকে। বিশ্বের সকল দেশে নারীদের অবস্থান, মর্যাদা, সম্মান এক রকম নয়; সমাজ-সভ্যতা, ধর্ম-সংস্কৃতি, শিক্ষা ও অর্থনীতিভেদে ভিন্ন ভিন্ন।


মূলতঃ এই দিবসটিতে নারীর অধিকার ও সচেতনতাই থাকে আলোচ্য বিষয়। সমাজ-সভ্যতার উৎসেও রয়েছে নারীর অবদান। একজন শিক্ষিত সচেতন নারী পারেন একটি সমাজকে, একটি দেশকে পরিবর্তন করতে। গ্রেট আলেকজান্ডার সেই নারীকেই খুঁজেছিলেন। যিনি একজন মা,একজন সচেতন শিক্ষিত মা। নারী দিবসে সেই মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট পোস্ট।
আমাদের সমাজে নারী কেন পিছিয়ে আছে, কেন নিগৃহীত, তার পেছনেও নারীই কারণ। মূলতঃ মায়েদের অজ্ঞতা, অসচেতনতা ও বৈষম্যমূলক ভাবনা সেজন্য দায়ী। মায়েদের একটা জায়গায় ভ্রান্তি রয়ে গেছে। চরম ভ্রান্তি। যার জন্য পুরো মানুষজাতটাকেই খেসারত দিতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই মা তার ছেলে সন্তানকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন, মেয়ে সন্তানকে দেন অবহেলা। ছেলেমেয়ের প্রতি সমান মনোযোগের অভাব এখনো অধিকাংশ মায়ের। এই অমনোযোগের কারণেই আসছে শিক্ষায় বৈষম্য। ছেলেটা তার আধিপত্যের মন্দ শিক্ষাটা পায় প্রথমেই তার মায়ের নিকট থেকে। আর মেয়েটা মায়ের অমনোযোগিতা পেয়ে হীনমন্য হয়ে বেড়ে উঠে। মেয়ে সন্তানটি অনেক ক্ষেত্রে বড় হবার মতো, মানুষের অধিকার নিয়ে লড়বার শক্তিটুকু হারিয়ে ফেলে মায়ের কারণেই। অথচ সব সন্তানের জন্য সমান গুরুত্ব ও সঠিক শিক্ষার ব্যবস্থা করার প্রয়োজন। আইন ও রাষ্ট্রও ছেলেমেয়ের সমান অধিকারের পক্ষে। একজন মায়ের সচেতনতা তাঁর সন্তানকে সঠিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। পারে অবুঝ বাবার মানসিকতার পরিবর্তন আনতে, সমাজের তথা দেশের পরিবর্তন আনতে।
সকল মায়ের প্রতি দাবী, করুণার পাত্র করে গড়ে তোলবেন না আপনার মেয়েকে। আধিপত্যের আগ্রাসী বীজ বুনবেন না আপনার ছেলের মনের মুকুরে। মানুষ হবার সঠিক শিক্ষাটা দিন আপনার সন্তানদের। তাহলে আপনিও হবেন প্রকৃত মর্যাদাবান একজন মা। আলেকজান্ডার যে মা চেয়েছিলেন।
নারীর অধিকার রক্ষায় মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। নারী দিবসে সংগ্রামী সচেতন সকল মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০২২ সকাল ১০:২৩
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×