somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে সমস্ত মেয়েদের এড়িয়ে চলবেন সবসময়.......

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পুরুষদের বলছি। জীবনে একদিন না একদিন নারী আসবেই, এ নিয়ে তাড়াহুড়োর কিছু নেই। কাউকে ভালো লাগল, আর সঙ্গে সঙ্গে প্রেমে পড়ে গেলেন কিংবা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলেন, এমন করাটা হবে বোকামি। বরং সঙ্গিনী নির্বাচন করুন একটু ভেবেচিন্তে।
ভাবছেন, সঙ্গিনী নির্বাচন করবেন কীভাবে? আপনার কাজটা সহজ করে দিতে পারে এই প্রতিবেদন। সাত ধরনের নারী আছে যাদের সব সময় এড়িয়ে চলা উচিত, তা সে অন্য যত গুণেরই অধিকারী হোক না কেন।

দ্য বিগ বস: সুন্দরী নারী। প্রাথমিক আচরণেও আপনার কাছে বেশ মার্জিত মনে হলো। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই টের পেলেন, সে আপনার সব কিছু ‘নিয়ন্ত্রণ’ করতে চায়। ধরুন, আপনি কোনো বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছেন। সে আপনার কাছে জানতে চাইবে, ওই ‘বন্ধু’কে কীভাবে চেনেন, পরিচয় হলো কীভাবে, কী কী কথা হলো—সব খুলে বলতে হবে তাকে। আপনি কীভাবে ভবিষ্যতে এগিয়ে যাবেন, জীবনের লক্ষ্য কী হওয়া উচিত, সব ঠিক করার চেষ্টা করছে মেয়েটি। প্রাথমিক পরিচয়ের পর মেয়েটির মধ্যে এমন কিছু দেখতে পেলে ভুলেও মন দেওয়া-নেওয়া করবেন না।

সবকিছুতেই অস্পষ্টতা: মেয়েটি কোনো কিছুই স্পষ্ট করে বলে না। সব সময় আপনাকে অনুমান-নির্ভর অবস্থায় রাখে। সে আপনাকে ভালোবাসে কি না, সেটাও বোঝার জো নেই। এমনকি ‘হ্যাঁ’ বললেও আপনি দ্বিধার মাঝে থাকেন। এ ধরনের মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে নিজের জীবনটাকে ‘অনিরাপদ’ অবস্থায় ফেলবেন না।

তুমি আমার মতো হবে: আপনি কী খাবেন, কোন কাপড় পরবেন, কোন ধরনের ছবি দেখবেন, গান শুনবেন—সবকিছু নির্ধারণ করে দিতে চাইছে মেয়েটি। কোনো বিষয়ে একমত না হলে মেয়েটি এমন আচরণ করল, যেন বড় কোনো অপরাধ করে ফেলেছেন আপনি। ভুল করেও এমন ‘গুণ’সম্পন্ন মেয়ের দিকে পা বাড়াবেন না।

সব সময় ঈর্ষান্বিত: মেয়েটির মনে সব সময় এমন ভাবনা কাজ করে, আপনি যেকোনো মুহূর্তে তাকে ছেড়ে যেতে পারেন। ধরুন, আপনি কোনো নারী সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলছেন। সেটা সে পছন্দ করছে না। সব সময় আপনাকে আগলে রাখার চেষ্টা করছে। সম্পর্কে কখনোই সে সুখী নয়। এ ধরনের মেয়ের থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকবেন।

তুমিই আবার সব: মেয়েটির চিন্তাভাবনা সবকিছু কেবল আপনাকে ঘিরে। আপনার ওপর সে পুরোপুরি নির্ভরশীল। আপনাকে ছাড়া এক মুহূর্তও জীবনকে কল্পনা করতে পারে না। এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা পেয়ে প্রথমে অবশ্যই আপনার ভালো লাগবে। তবে কিছুদিন পর এই ভালোবাসাই আপনার জীবনটাকে ‘বিষিয়ে’ তুলতে পারে। কারণ, প্রতি মুহূর্তে সে আপনার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইবে। ‘তোমাকে ভালোবাসি’—কথাটা দিনে কয়েকবার না বললে মেয়েটির মনে হবে, তার জীবনটা শেষ হয়ে গেছে।

আমার মা-বাবা যা বলবে তা-ই হবে: মেয়েটি জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে মা-বাবার ওপর নির্ভরশীল। ব্যক্তিগত বা অর্থনৈতিক সব সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সে তাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকে। এ ধরনের মেয়ে থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন। ভালো থাকবেন।

অন্যরা আমাদের চেয়ে সুখী: মেয়েটি সব সময় অন্যদের সঙ্গে তার জীবনের তুলনা করছে। অন্য বন্ধুরা অপেক্ষাকৃত ধনী, সুখী, সফল—এসব সে মেনে নিতে পারছে না। অন্যদের মতো হতে না পেরে ভেতরে ভেতরে সে পুড়ে যাচ্ছে। আর যা-ই হোক, এমন মেয়ে নিয়ে শান্তি পাওয়ার আশা করাটা ভুল হবে।

যথার্থ জীবনসঙ্গী নির্বাচনে উপায়গুলো বাতলে দেওয়া হয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার অনলাইনের এক প্রতিবেদনে। এগুলো ব্যক্তিগত জীবনে প্রয়োগ করবেন কি না, সেটা আপনার ব্যাপার। যাঁরা এরই মধ্যে জীবনসঙ্গী বেছে নিয়েছেন, মিলিয়ে নিতে পারেন তাঁরাও। নিজের ভবিষ্যত্ সম্পর্কে একটা ধারণা পেলেও পেতে পারেন।

সূত্র প্রথম আলো

লেখাটি এই সাইটে পাবেন....যে সমস্ত মেয়েদের এড়িয়ে চলবেন সবসময়.......
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×