খুব বেশি কবিতা পড়তে হয় না তাহলে কবিতায় অন্য মানুষের ছাপ পড়ে,এবং একটা সময় এসে নতুন কোনো ভাবনা মাথায় আসে না, যব কথারই পুনারাবৃতি ঘটছে মনে হয়- একটা বয়েসে আঙ্গিক, চটক এসব নিয়ে মাথা ব্যাথা ছিলো। সে সময় কবিতা লিখে দেশোদ্ধার করে ফেলা যাবে জাতীয় পাগলামিও ছিলো কিছু দিন, এখন সেই সব ঝামেলা মুক্ত।
তবে কিছু কিছু সময় আসে যখন মনে হয় খুব বেশি কিছু না বলেই থেমে যাওয়া ভালো। সব প্রকাশ্য হতে হবে এমনও নয়, রহস্যময়তাও একটা আঙ্গিক।
সেই রকম ধারনা থেকেই কিছু কবিতার আলতো উঁকি দেওয়া মুখ কখনই টেনে হিঁচড়ে বড় করতে চাই নি, এই সব কাব্য কণা নিয়ে শিরোনামহীন
1।
সদ্য ঘুম ভাঙা বিস্ময়ে যদি দেখ
চির পরিচিত সূর্যের বদলে আমিই
তোমার জানালায় উঁকি দিয়ে
দেখছি তোমার বিস্ময়...
2।
চলে যাও এখনই
দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর ছায়ায় ঢেকে যাচ্ছে বিকেল
জ্যামিতিক নক্সায় পাখিরা আকাশ ঢাকে
এখনই চলে যাও
সন্ধ্যা এসেছে ক্লাত পায়ে
রোজকার মতো রাতে ফিরে যাবে
ফিরে যাও তোমার নিবাসে।
3.
এসেছিলো , এসে চলে গেছে
তার গন্ধ লেগে আছে ঘাসে
সুরঞ্জনার হৃদয়ে যে ঘাস
সে ঘাসে বিষাদের বাতাস ফিরে আসে
তোমার গন্ধ লেগে আছে ঘাসে
এসেছিলে, চলে গ্যাচো এসে
তোমার গন্ধ ভাসে সন্ধ্যার বাতাসে---
4.
এখন ঘন অন্ধকার
আমার আকাশ থেকে চাঁদ চুরি গ্যাছে
হয়তো বেঁচে থাকবার ক্লান্তি, কোনো গভীর হতাশা
তাই হয়তো জীবনের গান থামিয়ে দিল সহসা
গলায় ফাঁস বেঁধে, সমস্ত প্রতিরোধ আর
প্রথাগত মুল্যবোধ লাথি দিয়ে ছুড়ে দিলো দুরে
মুক্ত মাটি থেকে দেড় হাত উপরে
ভেসে থাকলো যার জীবনে অনেক উঁচুতে উঠার ইচ্ছে ছিলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

