দেশে রম্য লেখকদের রমরমা বাজারে এসেছে নতুন ভাঁড় তিনুগোয়ালা, তার পুর্বপুরুষ ছিলেন নামকরা দুধ ওদুগ্ধজাত সামগ্রির ব্যাবসায়ি, ধর্মের ষাড় দোহন করে তাতে চেনা ও পানি মিশিয়ে বিক্রি করতেন,
এক বুড়ি মা একবার প্রশ্ন করলেন,
হ্যা গা বলি ষাড় দুয়ালে কি দুধ মেলে? ম'লো যা, কালে কালে কত কি যে দেখপ? বলি ও তিনুর বাপ এই যে বলচিস ষাড় দুয়ে দুধ পাচ্চিস, দেখা না বাপ এট্টি বার দেখে নয়নসার্থক করি।
তিনুর বাপ বললেন, আহা বুড়ি তোর তো সবটাতেই কুটনামি, এটা কি যেইসেই ষাড় নাকি, স্বয়ং ধর্ম এসে দিয়েছেন আমাকে, বলেচ েন, বাছা সাবধানে দোয়াবি, বাট ধরে টানবি ঠিকই কিন্তু অন্ডে হাত দিবিনে, তাহলে সৃষ্টিছাড়া কান্ড ঘটে যাবে, আমার তো মোটা আঙ্গুল তাই তিনু কে দিয়েছি, ও চিকন হাতে মোলায়েম দুইয়ে যায়গো বুড়ি মা, তিনুর আমার বড় কুশলি হাত, বাট ধরে টান দিলে দুধের বান ডাকে,
বুড়ি মা সংশয়ি, ধর্ম দিয়েচে হতেও তো পারে আর তিনুর দোহাই পেরে কতাটা বললে, তিনুর বাপ কি আর তেমন পাষন্ড এইটুকুন দুধের ছেলেকে দিয়ে মিথ্যা বলাতে পারে? আবার ভাবেন, কামধেনুর গল্প শুনেচি, কিন্তু বাপের জম্মেও তো শুনি নি কেউ ষাড় দুইয়ে দুধ বেচেছে, যাক বাবা ঘোর কলি কাল, ধম্ম দিয়েছে এটা অস্বিকার করলে যদি ধম্মানাশ হয় এই কলি কালে কে উদধার করবে আমাকে।
তিনু দুদঃ দুয়ে যায় অন্ড বাচিয়ে, বয়েস বাড়ে, বাড়ে কৌতুহল, কি হয় অন্ডে হাত দিলে? ভয়ে ভয়ে ধর্ম ষাড়ের অন্ডে হাত দিলো একদিন, ওমা, ওমনি বীর্য্যপাত, ধর্মষাড় রশি ছিড়ে মাঠে গিয়ে সব কামধেনুকে ধর্ষন করে বৌকুেন্ঠ র দিকে চলে গেলো।
সে থেকে তিনুদের অবস্থা পড়েচে নাতো তার মতো ছেলের এমন দশা হয়। তার এক কাকা উট দুয়ে দুধ বেচছেন, তিনু সেখানেও গিয়েছিলো কাজের সন্ধানে, কাকা বলে দিয়েছেন, তিনুর স্বভাবে খানিকটা পশুপ্র ীতির জনরব শুনেছেন, এ খাস আরব মুল্লুকের উট, তার সতিত্ব নাশ হোক এমনটা তিনি চান না, বিফল ফিরে আসতে হয়েছে তিনুকে,
আসতে আসতে কাচারির সামনে তিনুর পরিচয় হলো মাজন বিক্রেতা দুলদুল ইসলামের সাথে, তিনি বললেন, আমার শকারি হিসেবে কিছুদিন কাজ করো, হাত সাফাইয়ের বিদ্যাটা শিখে নাও আখেরে কাজে দিবে, চাই কি গননা বিদ্যা শিখিয়ে দিবো, রাজকন্যার হাত ধরতে পারবে, তার পর কোনো একদিন অর্ধেক রাজত্ব সহ রাজকন্যাও পেয়ে যেতে পারো। তিনু মনোযোগ দিয়ে শিখেছিলো সবই, রাজকন্যার হাত ধরেছিলো, কপাল মন্দ , সে হাত ছুটিয়ে রাজকন্যা পরান সপেছে দসু্য সর্দার হান্নান মিয়াকে, সে ফন্দিও গেলো। এখন দেশে রম্য লেখকের রমরমা বাজারে নিজের ভাগ্য ফেরাতে তিনু গোয়ালা এখন ভাঁড়। নিজের বুদ্ধি কম তাই অন্যসব ভাঁড়দের সস্তা ভাঁড়ামির গল্প শোনায় ।
আপনারা দোয়া করবেন তিনু যেনো ভাঁড় হিসেবে সফল হতে পারে। হাজার হোক তার বাব ছিলেন দেশের নামকরা দুধ ব্যাবসায়ি, স্বয়ং ধর্ম তাকে দোহন করার জন্য ষাঁড় দিয়েছিলো,
বলুন ........ আমিন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



