আমরা এক অন্ধ সময়ে বাস করছি, অনুসরন করার মতো আদর্শ মানুষ নেই কোথাও, টেলিভিশন আমাদের চুড়ান্ত স্বপ্নের সীমা, নেশা আমাদের ক্ষনিক পরিত্রান, ধর্ম আমাদের পাপবোধ লুকানোর গোপন সিন্দুক, আমরা বিজ্ঞানসেবী, সকালে কোষ্ঠি পড়ে আয়তুল কুরসি ফুঁকে রাস্তায় নামি, অফিসে গিয়ে কম্পিউটারে পর্নো দেখি রাত্রে ঘরে ফিরে সারাদিনের অবদমিত কাম নির্বান করি, হস্তমৈথুনে বা বৌয়ের গর্ভে, গর্ভমোচন করি, ঘুষ খাওয়া হালাল না হারাম এই নিয়ে ই মেইলে ইসলামি চিন্তাবিদের শরনাপন্ন হই, নিরোধ ব্যাবহারের ইসলামি তরিকা নিয়ে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করি চিন্তাবিদের চিন্তা মাসিক মদিনার চিঠিপত্র কলামে লিখি কাজের মেয়েকে ক্রিতদাসী ভাবলে ওর গর্ভে সন্তান কি আমার ক্রিতদাস হবে? ওদের ঐসলামিক মতে গমন করে অবশেষে আমি মাঝরাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে ঘুমাতে যাই। সমাজ গোল্লায় গেলো বলে নৈতিকতা নিয়ে দুঃস্নপ্ন দেখী।
1 ডজন বৈপিরিত্ব নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই, আমিহস্তগননা কে পাপ মনে করি, কিন্তু হস্তগননায় আমার আগ্রহের সীমা নেই, আমি নিশ্চিন্তে হাতের রেখা গননা করতে চাই, মানুষের ঘরের গোপনে যা ঘটে তা নিয়ে কথা বলতে চাই না কিন্তু গোপন ক্যামেরায় কারো সঙ্গম দৃশ্য পেলে তা আমোদে গলধঃকরন করি।
যদিও আমি নিশ্চিত জানি মহাকর্ষের কোনো প্রভাব নেই আমার জীবনে তবে 40 হাজার আলোকবর্ষ দুরের তারকামন্ডলী আমার জীবনের ভবিষ্যত নিয়ন্ত্রন করে একথা আমি সংখ্যাগননা করে বলে দিতে পারি। গিভ মি এ ব্রেক। আর কত ভন্ডামি , কত কত ভন্ডামি দেখবো?
আজ সকালে ই মেইল পেলাম কেয়ামত নিকটবর্তি 33 জন দজ্জাল মাঠে নেমে গেছে, উট,ঘোড়া নিয়ে মানুষ যুদ্ধ করে না, উঁচু উঁচু বাড়ী উঠেছে, এবং লাদেন কেয়ামতের বিরুদ্ধে একা লড়ে যাচ্ছে এ কে 47 নিয়ে, সব উঁচু স্থাপনা ভেঙে কেয়ামত ঠেকিয়ে রাখছে জোর করে, ইমাম মাহাদী চলে এসেছে, যীশুকেও বেথেলহামের আবর্জনা ঘাটতে দেখা যাচ্ছে, আফ্রিকায় মায়ের গ্রভের শিশু কোরানে হাফেজ হয়ে দিব্যি বক্তৃতা দিচ্ছে, ওয়াজ করছে, গাছের কান্ড বেয়ে দুধ পড়ছে সে দুধ চেটেপুটে খেয়ে আমি বলশালী, জ্ঞানি দার্শনিক হয়ে গেছি।
এমন সময়ে অবশ্যই একজন নবী আসবে, শেষ জামানায় ইশা মুসলিম হয়ে ইসলামের সেবা করবে তবে নাসারা- ইহুদরা ওর 12টা বাজাবে, হানিফার ঘোড়া পাহাড়ের দেয়াল চাটছে এখনও অক্লান্ত দেয়াল চেটে চেটে নুন খেয়ে ইশ্বরের ভজন করছে,
ইসলামি ডিস্কো পার্টিতে হিজাব পড়ে আল্লাহু আল্লাহু করে নাচছে সামী ইউসুফ। শালার রসিকতার শেষ নাই, বাদ্যযন্ত্র ব্যাবহারের ইসলামি তরিকা মেনে কেউ সংগীত করছে, এই সময়ে কোনো নবি আসলে কি হতো এই বিষয়ে কয়েকটা কথা বলার জন্যই এই আয়োজন-
আমি কয়েকটা বিষয়ে নিশ্চিত-
তার পার্যোনাল ওয়েব পেজ থাকতো ,
সব সাহাবিরা সেখানে রেজিস্ট্রেশন করে সাহাবা হতো,
এবং সেই লোক উপর আকাশে বেহেস্ত বানাতেন না সা"দ সাধের স্বর্গ বানিয়েছিলো মর্ত্যে সেখানে প্রবেশের আগেই বেচারা মরে যায়,
ফেরাউন হাসের রথে চড়ে স্বর্গ গমন করেই ফেলেছিলো কিন্তু কোনো মতে ইশ্বর ফেরাউনের এই আগ্রাসন থেকে স্বর্গ রক্ষা করেন, ইউনুস মিয়া মাছের পেটে ছিলো ঘাপটি মাইরা এর পর কার সাথে জানি আজরাইলের হেভি দওস্তানি হইলো সেই বেটাও স্বর্গে গেলো গিয়া ড্যাড্যাং ড্যাড্যাং করে, সেই শালর কেয়ামত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হইলো না, শালার আল্লাহর নিজের আইনের উপর কোনো শ্রদ্ধা নাই, কাউরে আগেই বেহেশত দিয়া দিছে আর কইছে সব মানবকেই কেয়ামতের পর বিচার কইরা স্বর্গ দেওয়া হবে, নবীরা মানব পর্যায়ভুক্ত নয়, মানব পর্যায়ভুক্ত নয় হাসান হোসেন, স্বজনপ্রীতির চুড়ান্ত নিদর্শন ধর্মগ্রন্থে, পরিবার পরিজন নিয়ে সবাই নবী রসুল হইয়া গেছে,
মুসার ভাই নবি, দাউদের পোলা নবী, ইব্রাহীমের 2 পোলাই নবী, আবার এদের বংশ হইলো কোরাইশ বংশ, এই বংশ পরম্পরার ইউসুফ আইছে, কিন্তু ইশার বংশ নাই, ওর বংশে মুহাম্মদ জন্মায় নাই, ইশার পোলা থাকলে ঐ গদিনশিন নবি হইতো, যেমনটা হইছে আলী, ফাতিমার জামাই হইয়া সেও নবী হইছে, ইসলামে মাইয়া মানুষ নবী হওয়ার উপায় থাকলে ফাতিমাই প্রথম মহিলা নবী হইতো,সেই সুযোগ আব্বাজান তারে দেয় নাই, এই বংশের উজ্জল নক্ষত্র আমাদের শায়েখ আব্দুর র হমান, বাংলাদেশের সব কাফেরগো বোমা মাইরা সাফা কইরা ঈমানি জোশ আনতে চাইছে বাইনচোদ, কিছু বলার নাই, নবীর বংশের লোক, রক্তের দুষন14 প্রজন্ম পর পর বাহির হয়, এই রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়া শেষে প্রথম 100 জনকে বেহেশতের আগাম সুখবর দেওয়া হতো, বাকী 1000 পোষ্ট সবার মধ্যে বন্টন করা হতো নিয়ম মেনে, আর এখন যেহেতু কোনো কেরামতি দেখানোর সুযোগ কম, সবাই ভন্ডামি ধরতে পারে তাই অবশ্যই নবী হইতো বায়োমেডিক্যালের কোনো ছাত্র, আমার আশংকা এ রকমই, এই একটা জায়গায়ই এখনও বুজরুকির সুযোগ আছে, যাই হোক আর কি কি থাকতো নতুন ধর্মে নিশ্চিত নয়, যেকোনো েফোকট দার্শনিকও নবী হওয়ার যোগ্যটা রাখে, ভন্ড নবী হওয়ার যোগ্যতায় পিছিয়ে নাই এই ব্লগের কয়েকজন ব্লগার, ওদের দিয়া ভন্ড নবীর পার্ট করা সম্ভব তবে আসল নবী হওয়ার যোগ্যতায় ওরা পিছিয়ে। একনাগের চাপাবাজি করে যাওয়া ধরা পড়ার ভয় ভুলে এমন যোগ্যটা থাকলেও এদের মধ্যে ভন্ড নবী হিসেবে নাম করতে পারতো সাইমুম, আমাকে নিজের বোনের সাথে শোয়ার অনুরোধ করেছে এ জন্য না, ঐ লোকের লেখার মধ্যে একটা চরম ভন্ডামি দ্্বার্থকতা আছে, ও নিজে যা বিশ্বাস করে তা ও নিজেই বুঝে না, বিভিন্ন জায়গায় মতবাদ হেগে যাচ্ছে এবং ওর বিভিন্ন উৎসবিহীন মন্তব্য এবং উক্ত িদেখে বোধ হয় ওর সাথে ইশ্বরের ডিরেক্ট ডায়ালিং এ যোগাযোগ আছে, ও প্যান্টের চিপা দিয়া বীচি খউজাইলে ইশ্বেরের েেটলিফোন ঝনঝন কইরা বইজ্যা উঠে, ইশ্বর ঘুমঘুম স্বরে বলেন, কি সাইমুম ফোনাইলা ক্যালা?
একটু 1948এর চিনের মাওসেতুং য়ের ভিডিওটা দেখেন জনাব, ঐ খানে কি কইছিলো মাও সে তুং এইটা কন জলদি কইরা, এই খানে এক বান্দির পোলা রাসেল(..............) আমারে উড়াইতাছে। আমারে নিয়া রসিকতা করে।
সাহাবায়ে কোরামগন বলবেন রাসেল(........) খুব দুষ্ট, খালি খারাপ কথা বলে , গালাগালি করে অযথাই, এখন নবীরে নিয়া রসিকতা করতেছে, ওরে ব্যান করো।
হাসিন ভাইয়ের কাছে কাতর অনুনয় কইরা কয়েকটা পোষ্ট হবে এখনই, আমাদের কি কিছু নেই, হাসিন ভাই সব ইসলামবিরোধিদের প্রশ্রয় দেয়। তাই তাদের জন্য বলি, আমি সাইমুমের হইয়া ধর্মপ্রচারে নামছি, ওর জন্য ওয়েবসাইট বানাইয়া দাও ত্রিভূজ, ওর সাইটে যার রেজিস্ট্রেশন থাকবো সেই বেটা বেহেশতে যাইবোই যাইবো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


