বাংলা সংস্কৃতির আনন্দের একটা বড় অংশ জূড়ে আছে ১লা বৈশাখ । এবার নববর্ষ উদযাপনের সময় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কাছে টিএসসির সামনে কিছু বখাটে ছেলেরা যে অশ্লীল, অশোভন,বর্বোরচিত, পৈশাচিক ঘটনার জন্ম দিয়েছে , ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে । এই একটা আনন্দের দিন যেখানে জাতি, ধর্ম,বর্ন নির্বিশেষে সবাই সপরিবারে ঘরের বাইরে বের হয় । ঘটনাটি মনে করিয়ে দেয়ার জন্য লিখতেও আমার হাত স্থবির হয়ে আসছে ।
এরা কি আমাদের সভ্য সমাজের বাসিন্দা !
'মা' কে যে সম্মান করতে শিখেছে সেতো 'মা' জাতিকে সম্মান করবে । এরা কি কোন মায়ের গর্ভ থেকে পৃথিবীতে আসেনি? এদের কি এই নির্যাতিত মেয়েদের মত একটি বোনও নেই? একবারও কি এই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিজের মা কিংবা বোন কে কল্পনা করে দেখেছে বিষয়টা কেমন মনে হয় !
আমরা শুধু মুখস্থ করে পরিক্ষায় পাশ করি, ভাল চাকরি পাওয়ার আশায় । নৈতিকতার অবক্ষয় কোথায় দাড়িয়েছে ভেবে দেখতে হবে আমাদের । যারা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটিয়েছে তারাকি এই স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক? এই পাশবিক আচরন কোথায় শিখেছে তারা?
আমি একজন নারী, একজন নারীর জায়গায় দাঁড়িয়ে আমার মাঝে যে ক্ষোভ আর ঘৃনার সঞ্চার হয়েছে আমি শুধু তোমাদের সাথে এইটুকুই শেয়ার করতে চাই ।
শুধু চার পা আর লেজ থাকলেই যদি পশু বলি তাহলে ঐ বিকৃত মানসিকতার উন্মাদগুলোকে কি বলবো?
এদের সুষ্ঠু বিচার অবশ্যই আমাদের প্রানের দাবি ! এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার । যাতে করে এমন ধৃষ্টতা আর কোনদিন কোন দেশের মানুষ না দেখাতে পারে !
বন্ধুরা, একটা প্রত্যয় নিয়ে বর্ষবরন করেছিলাম, আমরা যেন কারো কষ্টের কারন না হই । আমরা সেই চিন্তা- চেতনাকে সামনে রেখেই এগিয়ে যাব । তোমরা সবাই ভালো থেক । সুন্দর মনের সুন্দর চিন্তায় নিজেকে সমৃদ্ধ কর ।
আর কোন নারী যেন আমার প্রিয় মাতৃভুমিতে এমন নির্যাতনের শিকার না হয় । এই আশা ব্যক্ত করি ।
আমি তোমাদের সাথেই আছি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




