জীবনকে জিজ্ঞাস করলাম অস্তিত্ব আর অনস্তিত্ব কি?
জীবন বললে- তুমি সরলরেখায় দাঁড়িয়ে। ভিন্ন আলোকরশ্মির প্রতিফলনে তোমার চরিত্র হচ্ছে গঠন।সুখ দুঃখ সমভাবেই বন্টন। শুধু তুমি কতটা উদ্বেগাকুল আর অতৃপ্তি নিয়ে কাটাবে, কতটা স্বস্তি আর তৃপ্তি নিয়ে নিরুদ্বেগ থাকবে সেটাই দেখার।
তবে এই যে অনন্ত যুদ্ধ। বিচ্ছন্ন হচ্ছে মানুষ প্রতিনিয়ত।সংকীর্ণতার শিকার। উচ্চাশার বুকে বহন করছে কান্না।বৃত্ত পরিক্রমনে যদি পরাজিত হই কি লাভ জীবন দাক্ষিন্যনির্ভরতার?
একদিন গ্রন্থিমোচন করতে করতে পৌঁছে যাবে জীবনের এমন এক উষ্ণ সান্নিধ্যে বুঝবে আয়ত্তাধীন প্রাকৃতিক স্থুলো বস্তুতে জীবনাতিপাত করেছো বৃথা।উদ্বাস্তু তুমি স্বপ্নের মিনার তোরণ জয়স্তম্ভে নিজের অস্তিত্ব সংক্ষেপে বর্ণিত হলেও তুমি কোথায়?
যদি বলি স্পর্ধিত বিদ্রোহ নয়, একান্ত নিজেকে জানানোর ইচ্ছেয় জ্বেলেছি, আগুন জীবন ঘষে আর উল্লাসে করেছি মাতাল নৃত্য ....
যদি বলি কোন উদাসবাউল ছড়িয়েছিল স্বর্ণভষ্ম পথের ধূলায়। পেরিয়েছি এই পথ যাত্রায় হয়ে দিকভ্রষ্ট। যদি বলি- অন্য কোন মনে করেছি নিজেকে স্থাপন।
জীবন মুচকি হেসে বলল- ভ্রান্তরূপী মানুষ! তোমার উলঙ্গ অস্তিত্ব। জাগতিক সব একদিন শূন্য হবে। অন্ধতা তোমার নিয়তি। দন্ডিত হওয়াই তোমার ভাগ্য!
এসবই আমার জীবনের প্রলাপ।
আমি অবুঝের মত হাসছি।।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০২৪ দুপুর ২:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



