চেষ্টা করি ঘরে বাইরে সর্বত্র নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে। যতটা পারি ভালোটুকু গ্রহণ করে খারাপকে বর্জন করতে। খারাপ এড়িয়ে চলতে চাইলেও কিছু অর্বাচীন সিন্দাবাদের ভুতের মতো ঘাড়ে চেপে থাকায় ঘাড় ত্যাড়া করে দুইএকটা "কইস্যা গদাম" না দিয়ে পারিনা! তারপরও ভাবি, কী হবে এসব করে! ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে নির্দিষ্ট সময় হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সময় ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের গল্প মানুষ আর মননভেদে নানা রকম। একেক জনের গল্প একেক রকম হলেও সবার জীবন সামনে এগিয়ে চলছে। কেউ বা ধীরে আবার কেউ বা দ্রুত- সবাই সামনে এগোনোর প্রচেষ্টায় প্রহর গুনছে। জীবন থেকে কিছু বাস্তব শিক্ষা নিতে পারেন।
সবাইকে নিয়ে চলতে চাইলেও চলা যায় না, সবাই আমার সঙ্গে চলতে তো নাও চাইতে পারা যার যার অধিকার। আমি হয়তো দশ পা এগোই, অথচ উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে যে, বেশির ভাগ সময় সে পাঁচ পাও এগোয় না। তাই কতো সম্পর্ক আজীবন অচেনা থেকে যায়, দেখা হয়- ছোঁয়া হয় না!
আমরা সবাই নিজের চারপাশে চকখড়ি দিয়ে একটা নিঁখুত বৃত্ত কেটে নিয়েছি, সেখান থেকে পারতপক্ষে বেরোতে চাই না। একটাই তো জীবন, সেই জীবনটাও মান-অপমান বিচার করেই যদি কাটে, ভালোবাসবো কখন?
অহংকারের অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে দেখুন-
সেই কবে থেকে একটা ব্লাইন্ড লেনের পাশে রক্তকরবীর রঞ্জন আর নন্দিনী আপনার জন্য অপেক্ষা করছে......
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০২৫ সকাল ৮:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


