somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

স্পিকারকে নিরপেক্ষ হতেই হবে....

১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্পিকারকে নিরপেক্ষ হতেই হবে....

দুইদিন আগে সংসদে ট্রেজারি বেঞ্চের একজন সদস্যের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের তীব্র আপত্তি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এমন অবস্থায় ডেপুটি স্পিকার অত্যন্ত দৃঢ়তা, ধৈর্য ও প্রজ্ঞার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেছেন। তার এই ভূমিকা অনেক সংসদ পর্যবেক্ষক ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী মানুষের কাছে ইতিবাচক হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে। অন্যদিকে দলের সোশ্যাল মিডিয়া অনেক কর্মীদের অত্যন্ত অপছন্দ হয়েছে।
সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার ট্রেজারি বেঞ্চ থেকেই নির্বাচিত হন। কিন্তু একবার স্পিকারের আসনে বসার পর তিনি আর কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি নন; তিনি পুরো সংসদের অভিভাবক। তিনি সরকার ও বিরোধী দল নির্বিশেষে সকল সংসদ সদস্যের অধিকার, মর্যাদা এবং বক্তব্য প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেন।

গণতান্ত্রিক সংসদ ব্যবস্থার অন্যতম শর্ত হলো স্পিকারের নিরপেক্ষতা। কারণ সংসদের প্রতি জনগণের আস্থা অনেকাংশেই নির্ভর করে অধিবেশন পরিচালনাকারী ব্যক্তির ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষ আচরণের উপর।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে অতীতের অনেক সংসদে আমরা হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী-আবদুল হামিদদের মতো একচোখা স্পিকারও দেখেছি, যারা সরকারি দলের গৃহ ভৃত্যদের চাইতেও বেশি অনুগত এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ছিল। ফলে সংসদ কার্যকর বিতর্ক, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্র হওয়ার পরিবর্তে একপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। ইতিহাস সেই অধ্যায়গুলোকে ইতিবাচকভাবে স্মরণ করে না।

আমরা আশা করবো, বর্তমান সংসদ অতীতের সেই বিতর্কিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে একটি কার্যকর, প্রাণবন্ত ও মর্যাদাপূর্ণ সংসদীয় সংস্কৃতির উদাহরণ স্থাপন করবে। আর সেই পথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো- স্পিকারের চেয়ার যেন সবসময় দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে থেকে সংসদের মর্যাদা ও নিরপেক্ষতার প্রতীক হয়ে থাকে।

১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রামের বন্যায় আক্রান্তদের জন্য আমরা কি কিছু করতে পারি?

লিখেছেন সৈয়দ তাজুল ইসলাম, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ ভোর ৪:০৭


সম্মানিত ব্লগার,
বাংলাদেশের সবরকমের দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের ব্লগারদের বিশেষ অবদান রয়েছে। দুর্যোগে আক্রান্তদের সহযোগিতায় আমাদের সামু ব্লগারেরা সবসময়ই এগিয়ে এসেছেন। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য আমি অনুরোধ করছি না। আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট : প্রত্যাশা, বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৪১


বাংলাদেশের ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট শুধু একটি বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি নতুন সরকারের অর্থনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন কৌশল এবং আগামী কয়েক বছরের অর্থনৈতিক রূপরেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। নতুন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য লাস্ট সাপার

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩৩



কক্সবাজার ডিবি কার্যালয়ের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশেষ কক্ষ। টেবিলজুড়ে সাজানো নামী রেস্তোরাঁ থেকে আনা রূপচাঁদা ফ্রাই আর কোরাল মাছের দো পেঁয়াজা। টেবিলের একপাশে বসা এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আব্বাসউদ্দীন আহমদের কণ্ঠে ভাওয়াইয়ার সেই কালজয়ী সুরটা আজকাল ঘনঘন খুব মনে পড়ছে-

... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত! বহুবার বলেছি, যারা আমার সাথে আছেন তারা নিশ্চয় দেখেছেন। সরকার যে কোন সিধান্ত দেবার আগে তার হাতে গবেষণা পত্র (কোন শিক্ষক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×