কেলেঙ্কারির স্বরুপ:
বাংকিং খাতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচে ভয়াবহ পেরেকটি গেঁথে দেয় হলমার্ক। যার আর্থিক পরিমান ৩৫৪৭ কোটি টাকা। ৩৫৪৭০০০০০০০ টাকা। হলমার্ক কেলেঙ্কারির মতোই অভিনব ও চাঞ্চল্যকর কেলেংকারির অতি সম্প্রিতি সংস্করণ নিয়ে এসেছেন টেরিটাওয়েল (তোয়ালেজাতীয় পণ্য) উৎপাদক বিসমিল্লাহ গ্রুপের মালিক খাজা সোলায়মান আনোয়ার চৌধুরী। দেশের ৫ টি ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে গ্রুপটি। অর্থ হাতাতে হল-মার্কের মতোই কৌশল নেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও নতুন ফন্দিফিকির। ব্যাংক খাতে এই নতুন কেলেঙ্কারির আলোচনা এখন সর্বত্রই।
কীভাবে:
ক. ভুয়া রপ্তানি দেখানো,
খ. বিদেশে প্রতিষ্ঠান তৈরি করে তার মাধ্যমে অতিমূল্যায়ন করে বাংলাদেশ থেকে আমদানি এবং
গ. এর মাধ্যমে রপ্তানিকে উৎসাহিত করতে সরকারের দেওয়া নগদ সহায়তা হাতিয়ে নেওয়ার মতো পন্থা অবলম্বন
ঘ. হল-মার্কের মতোই নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের খোলা স্থানীয় এলসি (ঋণপত্র) দিয়ে আরেক (এটাও নিজস্ব) প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি নিয়ে বিল তৈরি করে (অ্যাকোমুডেশন বিল) তা ব্যাংকে জমার মাধ্যমে অর্থ বের করে নেওয়া হয়েছে।
জড়িত বাংক সমূহ
সর্বশেষ তথ্য অনুসারে এই ঋণ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন জনতা, বেসরকারি প্রাইম, শাহজালাল, প্রিমিয়ার, যমুনা ও সাউথইস্ট ব্যাংক। প্রথমআলোয় প্রকাশিত একটি নিন্মোক্ত ইমেজ এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করে।
যে ভাবে ঘটনা উদঘাটন হলো:
হলমার্ক কেলেংকারী উদঘাটনের মত এবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শনে অনিয়ম ও জালিয়াতির সব চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
আপডেট:
বিসমিল্লাহ গ্রুপের মালিক খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী আছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে। চেয়ারম্যান বানিয়েছেন স্ত্রী নওরীন হাসিবকে। তাঁরা দুজনই এখন দেশের বাইরে। দেশে বসে বাংকিং খাত গুলো ধুঁকছে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা টাকার ক্ষত নিয়ে। ধুঁকছে বাংলাদেশ। মানুষ আজ পরাজিত।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


