somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্টাফদের মধ্যে যদি bonding তৈরী না হয় সেটা ওই প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর।

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে এক ভদ্রলোক এর সাথে মিটিং সে আমার সাথে কাজ করতে চায়... আমি তার সাথে আমার কোম্পানির ড্রিম নিয়ে আলোচনা করেছি সে তার কোম্পানীর ড্রিম এন্ড পলিসি নিয়ে কথা বলছে তার মধ্যে একটা কথা আমার খুব বাজে মনে হয়েছে... বা আমার খারাপ লেগেছে সেটা হল, সে বলছে... ভাই আমি আমার অফিসের কিছু হলে প্রতি সেকেন্ড এ ইনফরমেশন পেয়ে যাই এই দেখেন আমার ম্যাসান্জার এর SMS...রির্পোট চলে আসছে। দেখলাম এক স্টাফ ফেইসবুক চালায় তা অন্য স্টাফ ছবি তুলে পাঠায়ছে।

=তো ভাই এটার একটা কাহিনি আছে।
কি কাহিনি ভাই?
আমি সব সময় এক স্টাফ এর পিছনে আর এক স্টাফ লাগায় রাখি, ধরেন গোয়েন্দার মত।
বাহ ভালোত।
যা ঘটবে অফিসে সাথে সাথে আমার কাছে চলে আসে।
হুম বুঝলাম।

উনাকে বললাম ভাই আপনার অফিসের স্টাফ কয় জন?
পিয়ন সহ ১৩জন।

বুঝেন ব্যাপারটা ১৩জন স্টাফ তাই একজন আর একজন এর পিছনে লাগাই রাখছে তাহলে ওরা কাজটা করে কখন? সারাদিনতো এ কি করল সে কি করল এর মধ্যেই থাকে।

আর অফিসিয়ালি যখন আপনার স্টাফদের মধ্যে bonding তৈরী না হয় সেটা ওই প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর।

যে স্টাফটা প্রজেক্টটা শেষ করবে বলে ফাইলটা হাতে নিয়েছে সে অবশ্যই এটা করে বাসায় যাবে কিন্তু যখন এই কাজের ফাকে বসকে আর একটা রিপোর্ট দিতে হবে যে কে কি খারাপ করলো সেই রিপোর্ট প্রদান করার ধান্ধায় থাকবে আর বস তাকে বাহবা দিবে... দিন শেষে তার প্রজেক্টের কাজ হবে ৫০% আবার পরের দিন করবে বলে রেখে দিবে।

শুধু যে অফিসের ক্ষতি হচ্ছে বিষয়টা তা না... স্টাফটা যদি তার পাশে বসা কলিগের খারাপটা দেখে শুধরে দেয় এবং তাকে এই কাজটা করার জন্য সহযোগিতা করে তাহলে তাদের সম্পর্কটা হতো মধুর... আর নিজের কাজের সহযোগিতা অন্য সময় চাইতে হবে না পাশের জন এমনি এসে বলবে... ভাই কি কাজ আছে আমাকে বলেন আমি করে দিচ্ছি, শুধু শুধু চাপ নিয়েন না।

আর এটাই একটা কোম্পানির জন্য বা কলিগ এর জন্য ভালো লাগা তৈরী করে। আর একটা কথা অফিসিয়াল জব করে কেও কারো শত্রু না সবাই সবার সহযোগী।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৪
৫টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×