"রাজধানী ঢাকার জিগাতলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) গেটের সামনে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠি হাতে হামলা চালিয়েছে একদল যুবক। তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছুড়েছ। এই যুবকদের মাথায় হেলমেট ছিল।

এ সময় দুই পক্ষকেই ইটপাটকেল ছুড়তে দেখা যায়। আজ শনিবার বেলা দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সকাল থেকে ওই এলাকায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। হাজার হাজার শিক্ষার্থী সেখানে অবস্থান নেয়। বেলা দুইটার দিকে বিজিবি গেটের সামনে শত শত শিক্ষার্থীর একটি অংশের ওপর হঠাৎ করে হেলমেট পরা, লাঠি হাতে ২৫ থেকে ৩০ জনের একদল যুবক হামলা চালায়। ওই সময় বিজিবির সদস্যরা গেট থেকে সামনে এসে যুবকদের থামানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থী ও হামলাকারীরা একে অপরের দিকে ইটপাটকেল ছোড়া শুরু করে।
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কোনো ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি।"- উপরের অংশটুকো আজকের প্রথম আলোর অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে কোড করেছি।
পয়েন্ট টু বি নোটেড: শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের কোনো ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি।
প্রশ্ন, পুলিশের কাজ কি? উনারা সেখানে কি করছিলেন? রাষ্ট্র তিনাদের কেনো বেতন-ভাতা দিচ্ছে? তিনাদের চ্যাটের বাল বলবে না তো কি বলবে? (ইচ্ছাকৃত অশ্লীল শব্দ প্রয়োগের জন্য দুঃখিত!)
হামলা পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াবেদুল কাদের ওরফে ফাটাকেষ্ট বরাবরের মতোই বললেন, ছাত্রদের পোশাক পরে কিছু রাজনৈতিক নেতা-কর্মী হামলা চালিয়েছে অর্থাৎ ইহা বিরোধীদল তথা বিম্পি-জামাতের ষড়যন্ত্র। ব্লগ, ফেইসবুক সহ বিভিন্ন মাধ্যমে আওয়ামীলীগারদের বিম্পি-জামাতের দিকে আঙ্গুল ওঠাতে দেখা যাচ্ছে। তিনাদের সস্তা যুক্তি, পুলিশ অনেকসময় তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে পারেনা। উদাহরণ হিসেবে জাফর ইকবাল স্যারের উপর হামলার ঘটনা সাজিয়ে গুছিয়ে সামনে নিয়ে আসেন। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, পুলিশ কেনো তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে পারেনা? এই দায় কার? কথায় কথায় ভাঙ্গা টেপরেকর্ডারের মতো বিম্পি-জামাতের দিকে আঙ্গুল তুললেই পাব্লিক খাবে না। এসব সস্তা কথা খেতে খেতে পাব্লিকের বমিতে বিরক্তি আসার উপক্রম! প্লিজ এসব সস্তা কথার ফিরিস্তি বাদ দিয়ে সাধারণ মানুষ নিয়ে ভাবেন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সাহস দিন, যাতে তিনি মাফিয়া-টাফিয়াদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বাচ্চাদের ঘরে ফেরাতে পারেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


