
'পেশিশক্তি প্রয়োগসহ রকমারি তালবাহানার সমন্বয়ে সরকার কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের রাজপথ থেকে সরিয়ে মীরজাফরী হাসি হাসতে হাসতে 'জিতে গেছি' টাইপ ভাবনা ভেবে যে ভুল করেছিলো তার খেসারত গত কয়েকদিন ধরে দিচ্ছে, ভবিষ্যতেও দিবে।'- উপরের মতো এমনসব সহজ প্রতিক্রিয়ার বিপরীতেও আজকাল পরিচিত-অপরিচিত অনেক দলান্ধ মহামানবের কথার বিষ বেরুচ্ছে।
তিনারা 'কোটা সংস্কার' এবং সাধারণ ছাত্রদের 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলনের মধ্যকার দূরত্ব মেগা পারসেক দিয়ে মেপেও সুরাহা করতে পারতেছেন না। তিনাদের ভাবনা 'কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের দাবী আদায় করতে চাইছে।' সাথে বিম্পি-জামাত তো আছে'ই। তিনাদের ভাবনা একদম অযৌক্তিক না হলেও যে অর্থহীন ইহা তিনারা বুঝতে পারতেছেন না। কিভাবে ই-বা বুঝবে বলুন?! বুঝতে হলে কিছুক্ষণের জন্য হলেও তো দলের বাইরে বেরুতে হবে। এই শক্তি কি তিনাদের আছে?! বাই দা ওয়ে, সরকার মিডিয়ার থুতি চেপে ধরে #কোটা_সংস্কার আন্দোলনকারীদের পিটিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। কিন্তু তাদের চাওয়া,দাবী-দাওয়া মন-মস্তিষ্ক থেকে মুছে দিতে পারেনি। বলপ্রয়োগ করে দাবী রাস্তা বা মুখ থেকে সরিয়ে দেওয়া গেলেও মন সরানোর সাধ্য কারো নেই। মন থেকে সরাতে হলে, আলোচনা: সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সরকার সেটা করেনি। অতএব, স্রেফ সাধারণ ছাত্রছাত্রী কেন, সরকার বিরোধী যেকোনো দল বা গুষ্টির আন্দোলনে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মানসিক সমর্থন থাকবে। তাঁরা চাইবে সরকার বেকায়দায় পড়ুক যাতে তাঁরা চাপ সৃষ্টি করে নিজেদের দাবী আদায় করে নিতে পারে। -এটাই বাস্তব। এটাই সত্য।
সুতরাং, সরকারের উচিত বারবার ক্ষমতার অপব্যবহার না করে যেকোনো গণদাবী বা সমস্যাকে সিরিয়াসলি নিয়ে টেকসই সুষ্ঠু সমাধান খুঁজা। এতে সরকার, দশ ও দেশ উপকৃত হবে। সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। ভালো থাকুক দেশ।
(ছবিটি আজকের, অনলাইন থেকে নেওয়া)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



