somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোটগল্পঃ চেনা অপরিচিত

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১.
পরিচিত এলার্ম টোন টা আজ বড্ড অচেনা লাগছে অরিনের কাছে। প্রতিদিন ঘুম লেগে থাকা চোখে অনিচ্ছা সত্ত্বেও এলার্মের শব্দে ঘুম থেকে জাগতে হয় তাকে। কিন্তু আজকের ব্যাপারটা ভিন্ন। আজ এলার্ম বাজার আগেই অরিন জেগে গিয়েছিল। এতক্ষন চুপচাপ করে শুয়ে ছিল বেডে। কখনও চোখ খোলা রেখে কখনও আবার বন্ধ করে। হঠাৎই যেইনা চোখদুটো একটু লেগে আসছিল তখনি পাজি এলার্ম টা টিং টিং করে বেজে উঠল। অরিন এলার্মে থাকা সব গুলো বাদ্যযন্ত্রের শব্দই যেন পৃথক ভাবে শুনতে পেল। গিটার আর পিয়ানোর মেলবন্ধনে খুব সুন্দর মনকারা একটি সাউন্ড। কিন্তু প্রতিদিন এত সুন্দর ঘুমের চোখে অদৃশ্য পানি ঢালা এই এলার্ম কে আগে কত বিচ্ছিরি মনেহত! আজ আগে থেকেই জেগে থাকা ছিল বিধায় শব্দটি বেশ অন্যরকম ভাল লেগেছে অরিনের কাছে। এতক্ষন মনটা কিছুটা উদাসীন থাকলেও এলার্মের শব্দে তার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। অরিন এবার বিছানা ছেড়ে উঠল। গত রাতটা যদিও ভাল ঘুম হয়নি। তবুও আর শুয়ে থাকতে ইচ্ছা হলনা তার। ফ্রেশ হবার জন্যে সে সোজা বথরুমে ঢুকে গেল।
২.
এবার অরিন সম্পর্কে কিছু জেনে নেয়া যাক। অরিন তার বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে। খুব সুখি সুন্দর আর সচ্ছল পরিবার। অনেকটা সম্ভ্রান্ত পরিবারেরই সন্তান বলা যায়। অরিনের বাবা শহরের একজন খুব নামকরা ইঞ্জিনিয়ার, আর মা হলেন একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির টিচার। সেক্ষেত্রে অরিন তার বাবা মা কে খুব আপন করে কাছে পেয়েছে এমন ঘটনা খুব একটা ঘটেনি তার জীবনে। বাবা মা সব সময়ই ব্যস্ত থেকে গেছে। মাঝে মাঝে অরিনের সাথে কথা হত বাবার, আর মায়ের সান্নিধ্যে বেশি থাকা হলেও অরিন বড় হয়েছে একদম তার নিজের মত করে। সবাই যেখানে নিজেকে যার যার রাজত্যের রাজা ভাবে সেখানে অরিনের একটা রাজ্য আছে ঠিকই তবে সেখানে সে রাজা নয়। বরং একজন আগন্তুকের মতই মনেহয় নিজেকে। সব সময়ই কেমন রহস্যে ঘেরা থাকে অরিনের চারপাশটা। সে নিজে নিজেই একা একা সেসব রহস্যের সমাধান খুজে। একটা সমাধান হলেই আবার অন্যটায় চলে যায়। বাবা মায়ের মত অরিনও প্রচন্ড মেধাবিনী। দেশের একটি সনামধন্য পাবলিক ভার্সিটির ছাত্রি সে।
৩.
 অরিনের মন কিছুটা পানসে হয়ে আছে আসলে সেই গতকাল রাত থেকে। প্রায় দু সপ্তাহ পর অরিন আর তার বাবা মা সবাই একসাথে ডিনারে বসেছিল। স্বভাবতই অরিন কথা বলে খুব কম। জগতের সব কিছুই যেমন প্রকৃতি অসমান রাখেনা তেমনি ওদের এই নিরবতাও কাচের পেটের সাথে ছুরি আর চামচের টুংটাং শব্দে ব্যালান্স হয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎই অরিনের বাবা বলতে শুরু করলেন।
-অরিন তোমার ক্লাস কেমন চলছে?
-ভাল বাবা।
-ইয়ার ফাইনালটা যেন কবে?
-এইতো নেক্সট মান্থেই।
-হুম, গুড। আচ্ছা শোনো, তোমাকে কিছু কথা বলার আছে।
এটা শুনার পরই অরিনের বুকে ধুক করে উঠল। কেননা তার বাবা কাজের কথা ছাড়া কখনও তেমন কথা বলেনা অরিনের সাথে। যতবারই অরিনের বাবা অরিনকে এভাবে বলেছিল যে, 'আচ্ছা শোনো, তোমাকে কিছু কথা বলার আছে' ততবারই কিছু না কিছু সিরিয়াস টাইপ কথা বলেছেন তিনি। কখনও সেটা ছিল আদেশ, কখনও উপদেশ। আবার কখনও নিতান্তই কোন বিষয়ে কোন তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু কোনটাই অরিনের ভাল লাগতনা। কেননা এসব কিছু অরিনকে তার নিজস্ব রাজত্য থেকে কিছুটা হলেও বিচ্যুত করত। বাবা আজ আবার কি বলে তার অভ্যন্তরীণ জীবনের গোছানো ভাবটা এলোমেলো করতে চাইছেন অরিন তা অনুমান করতে পারছেনা। তবে মনেহচ্ছে এবার খুব ভয়ানক কিছু একটা হবে হয়ত!
৪.
মনের ধুকপুক আর ভয় কিছুটা আড়াল করে সে বাবাকে বলল,
-কি কথা বাবা, বল।
-আসলে কথাটা তোমার মা বললেই ভাল ছিল। কিন্তু তার সম্মুখে আমিই বলছি। তোমার জন্যে আমরা একটা ছেলে দেখেছি।
-মানে!
হঠাৎই মুখ ফসকে মানে কথাটা অরিনের মুখ থেকে বের হয়ে গেল। সে ভয়ানক কিছু একটা ভেবেছিল, কিন্তু ব্যাপারটা যে এতটাই সিরিয়াস কিছু একটা হবে সেটা অরিন আন্দাজও করতে পারেনি! ছেলে দেখা হয়েছে তার জন্যে!  মানে তার জীবনে নতুন কেও কর্তৃত্ব নেবে। এতদিন ছিল বাবা মায়ের অধিনস্ত আর এখন হতে চলছে অন্য কারোর। অরিনের নিজস্ব ভুবনের তাহলে তো কোন অস্তিত্বই থাকবেনা! এক মুহূর্তেই অরিনের মন হাজারো দুশ্চিন্তার মেঘে ঢাকা পরে গেল। অরিনের বাবার স্পষ্ট জোড়ালো গলার স্বর শুনে আবার তার ঘোর কাটল।
-মানে তোমার বিয়ের জন্যে একটা ছেলে দেখেছি আমরা। ছেলে খুব ছোটকাল থেকেই কানাডায় থাকে। পড়াশুনা শেষ করে ওখানেই জব আর বিজনেস করছে। ছেলে আর তার মা দেশে এসেছেন দুদিন আগে। এখন তুমি কাল ঐ ছেলের সাথে রেস্টুরেন্টে গিয়ে দেখা করবে। ওরা এমনটাই চায়।
-কি বলছ বাবা এসব! কথা নেই বার্তা নেই আর অমনি আমি একটা ছেলের সাথে দেখা করতে চলে যাব? আমিতো এই ছেলের নামটাও জানিনা। আর তোমরাই এমন অচেনা বিদেশ বিভূঁইয়ে একটা ছেলের সাথে আমাকে বিয়ে দিয়ে দেবে!
এক ঝটকায় সব কথা বলে ফেলল অরিন। এতটা বিরক্তি ভরা আবেগ তার কখনও আসেনি। আজ তাই নিজেকে আর সামলাতে পারেনি সে।
৫.
 -নাম পরিচয় আরও যা যা জানার তোমার মা তোমাকে বলে দিবেন। আর সব জেনে ফেললে কাল ওখানে গিয়ে জানবেটা কি। ওখানে তো যাচ্ছই একে অপরের সাথে পরিচিত হতে। একে অপরকে জানতে, বুঝতে।
অরিন আর কোন কথা বলেনি। কেননা বাবার কথার বাইরে কিছু বলে কোনদিন কোন লাভ হয়নি, আজও হবেনা।  রাতে অবশ্য মা ওকে অনেক বুঝিয়েছেন। তার নাকি বিয়ের বয়স হয়েছে! আর ভাল ছেলেদের দেখা নাকি সব সময় পাওয়া যায়না! কিন্তু কোন কিছুতেই অরিনের মনের তিক্ততা কাটলনা। সে সারারাত এপাশ ওপাশ করে তেমন ঘুমাতে পারলনা। তারপরই সকাল বেলা এলার্মের সুন্দর শব্দটি আবিষ্কার করে ফেলল। আজ বিকেলেই তার সেই ছেলের সাথে রেস্টুরেন্টে দেখা করতে যাবার কথা। অরিন দেখা করে কি করবে কি বিলবে কিছুই বুঝতে পারছেনা। এমনকি কোন ড্রেস পড়ে সেখানে যাবে তাও বুঝতে পারছেনা সে। শেষে অরিনের মা এসেই মেয়েকে সাজিয়ে গুছিয়ে দিলেন। অরিনের হঠাৎ নিজেকে মোমের পুতুলের মত মনে হচ্ছিল। যে যেভাবে যা করতে তাইছে তার সাথে তাই করছে। সে শুধু নিরব ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। কেমন একটা বিরক্তি এসে যাচ্ছিল নিজের উপর। সব বিরক্তি সাথে নিয়েই অরিন অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিকেল বেলা সেই রেস্টুরেন্টে গেল সেই ছেলের সাথে দেখা করতে।
৬.
 এরকম সময়ে বিয়ের পাত্রের সামনে গেলে অন্যান্য মেয়েদের ক্ষেত্রে কি কোন ভয় বা লজ্জা কাজ করে কিনা অরিন জানেনা। তবে এ দুটোর কোনটাই তার মাঝে কাজ করছেনা এখন। রেস্টুরেন্টে ঢুকেই কোনার দিকের একটা টেবিলে বসে থাকা একজনকে দেখে কেন জানি অরিনের মনে হল ইনিই সেই ব্যক্তি। এই মনে হওয়ার পেছনের কারনও সে জানেনা। সামনে যেয়ে নম্রত স্বরে জিজ্ঞেস করল,
-এক্সকিউজ মি, আপনি কি মিস্টার সাজিদ?
- জি হ্যা। ইফ আই এম নট রং ইউ আর অরিন?
-ইয়েস আই এম।
-প্লিজ বসুন। আসলে আমি একটু আগেই এসে পিড়েছিলাম বোধয়। অনেক্ষন ধরে বসে আছি একা একা। আর তাড়াহুড়োর মধ্যে আজ ঘড়িটাও আনতে ভুলে গেছি।
-না, আপনি ঠিক টাইমেই এসেছেন। আমার আসার কথা ছিল চারটায়। কিন্তু এখন পাঁচটার কাছাকাছি বাজে। আমিই দেরি করে ফেলেছি আসতে। সেজন্য আমি দুঃখিত।
আশ্চর্যের মত হলেও অরিনের আসলেই মন থেকে খুব দুঃখ হচ্ছে দেরি করে আসার জন্যে। আর কেনই বা সে জানেনা এই ছেলেটিকেও তার প্রথম দেখাতেই ভাল লেগে গেছে। দেখে বুঝাই যাচ্ছেনা এই ছেলে কানাডার মত একটা দেশে বড় হয়েছে। কথা বার্তা কিংবা অঙ্গভঙ্গি সব কিছুই বাঙালি ছেলেদের মতই।
সাজিদই হঠাৎ বলে উঠল,
-আগে খাবার অর্ডারটা দিয়ে কথা বলি। কি খাবেন বলুন।
-আমি আসলে এই টাইমটায় কিছু খেতে পারিনা।
কথাটা বলেই নিজেকে পৃথিবীর সবথেকে গাধা মনে হতে লাগল নিজেকে অরিনের।
-ঠিক আছে। কফি খাই তাহলে। নাকি কফিতেও আপত্তি আছে আপনার?
-না না, কফি ঠিক আছে।
-হুম।
৭.
 এরপর কিছুক্ষন নিরবে কেটে গেল। প্রশ্নটা সাজিদই করল।
-আচ্ছা, আমার সম্পর্কে আপনার কিছু জানার নেই? জানার থাকলে প্রশ্ন করতে পারেন।
-ইয়ে আসলে...
-আপনি কি আনইজি ফিল করছেন?
-না না, ঠিক তা নয়। আসলে এভাবে কারও সাথে কখনও মিট করা হয়নি। কিভাবে কি বলব বুঝতে পারছিনা।
-ওহ। আমারও প্রথমবার। এত কিছু ভাবতে যাবেন না। যা মনে আসে বলে ফেলুন। ভেবে বলতে গেলেই আটকে যাবেন।
-হুম এটা ঠিক বলেছেন। আচ্ছা আমি একটা ব্যাপার জানতে পারি?
-অবশ্যই, একটা কেন, অনেক কিছুই জানতে পারেন। বলুন কি জানতে চান।
-আচ্ছা, আপনি চেনেন না জানেন না, জীবনে কখনও দেখেনও নি আর এতকিছুর পরেও সেই কানাডা থেকে এখানে একটা মেয়ে দেখতে ছুটে এসে পড়লেন?
-হুম, এই আপনার প্রশ্ন?
-জি, দয়া করে উত্তরটা দেবেন কি?
-আসলে আপনার প্রশ্নে বিদ্যমান সব কথা ঠিকনা। প্রথমত আমি আপনাকে চিনিনা ঠিক আছে তবে আমাদের বাবা রা একে অপরকে চেনেন অনেক আগে থেকেই। কদিন আগে আমার বাবাই আপনার সম্পর্কে সব বললেন। আর আপনার কিছু ছবিও দেখেছি আমি। আপনার বাবা মেইলে আমার বাবাকে দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই দেখা। সত্যি বলতে সব শুনে যতটা না ভাল লেগেছিল, আপনার ছবি দেখার পর সব ভালোলাগা সীমা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সীমা খুজতেই এখানে ছুটে আসা।
৮.
সব শুনে এবার সত্যিই অরিনের নিজেকে কেমন বোকা বোকা মনে হতে লাগল। এই ছেলে সব জেনে দেখেই এখানে এসেছে। অথচ সে কি বোকার মত কিছু না জেনে না দেখেই ধেইধেই করে চলে এসেছে এখানে! আবারও সাজিদের গলায় তার উটকো ধ্যান ভাংল।
-কি হল, চুপ করে আছেন যে। কিছু বলছেন না যে?
- না এমনি, তা সীমা কি খুজে পেলেন?
-কি যে বলেন না! এত সহজেই যদি খুজে পাওয়া যেত তবে কি আর পৃথিবীতে এত কাব্য সাহিত্য রচিত হতে পারত?
দুজনেই এবার হেসে দিল। আরও কিছুক্ষন সময়টা বেশ কেটে গেল দুজনের। একে অপরের সম্পর্কে গল্পে গল্পে বেশ ভালই জানা বুঝা হল।
তারপর সাজিদ অরিনকে বলল,
-আচ্ছা আপনাকে একটা কথা বলব?
-জি বলুন।
-আমি আমার জীবনের প্রতিটি সীদ্ধান্ত খুব ভেবে চিন্তে নিয়েছি। সে কারনেই আমার সফলতার ঝুড়িটাও বেশ ভারি। কিন্তু এই একটা ব্যাপারে আমি কোন কিছু ভাবতে চাইছিনা। কেননা আমার মনেহচ্ছে আমার অপশন একটাই। সেটা হচ্ছে আমাকে পেতেই হবে। না পেলে এই লস উসুলের উপায় আমার জানা নেই।
-সেকি, এত কথা কেন। কিসের লসের কথা বলছেন, আর আপনার প্রশ্নটা কি?
৯.
অরিন আমি আপনাকেই বিয়ে করতে চাই। কোন কিছু না ভেবেই না চিন্তা করেই সজ্ঞানে আপনাকেই চাইছি। আপিনি এ বিয়েতে রাজি?
হঠাৎ এমন ধারা কথার জন্যে অরিন মোটেএ প্রস্তুত ছিলনা। তার শুধু মনে হতে লাগল সে তার নিজস্ব ভুবনে বিচরনের একজন সাথী খুজে পেয়েছে। তাকেই যেন মন খুজে বেড়াচ্ছিল এতদিন। অরিনের সব ভাললাগা গুলো নিরবতায় প্রবেশ করল। যে অরিনের কিছুক্ষন আগেও লজ্জা কাজ করছিলনা সেই এখন প্রচন্ড লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে। নিজের ইচ্ছার কথা সে লজ্জায় যেন মুখে বলতেই পারছেনা। আর আচমকাই অরিনের মনে ভয়েরও সঞ্চার হয়েছে। এই ভয় আর কিছুনা, না পেয়েও হারানোর ভয়। অরিন কিছুক্ষন নিরব থেকে চোখে হাসি ফুটিয়ে একপলক সাজিদের দিকে তাকিয়েই আবার গ্লাসের ভেতর দিয়ে বাইরের দিকে তাকিয়ে আনমনে হাসতে থাকল। তারা তখন রেস্টুরেন্টে বসা থাকলেও অরিন তখন ততক্ষনে তার আপন রাজত্যে চলে গেছে। কত কিছু করার বাকি আছে এখনও!  সাজিদ এখানে এজদমই নতুন। ওকে সব চিনিয়ে দিতে হবে। পথ ঘাট চাল চলন সব বুঝিয়ে পড়িয়ে দিবে সে। অরিন তার চোখে একটা দৃশ্য দেখতে পেল। একটা সুন্দর খোলা প্রান্তর। চারদিক সবুজ ঘাসে ভরা। শুধু মেঠোপথটাতেই ঘাস নেই। অরিন আর সাজিদ পাশাপাশি হাত ধরে হাটছে তারা সেই পথে। সামনে অনেক দূর পর্যন্ত পথ দেখা যাচ্ছে। ওদের যেতে হবে, আরও অনেক দূর, আরও অনেকটা পথ।।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৯
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিযোগ, অভিযোগ, অভিযোগ

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে জুলাই, ২০১৯ ভোর ৫:৫৫



সবার মতোই, আমার প্রাইমারী স্কুলের জীবনটা বেশ আনন্দের ছিলো: টিফিনের সময় ও স্কুল ছুটির পর ফুটবল খেলাই আমাকে স্কুলে ধরে রেখেছিলো। আমাদের টিফিনের ছুটি হতো, আমরা কোনদিন টিফিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে ১৩ বছর!!!

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২০ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

দেখতে দেখতে সামুতে ১৩ টা বছর পেরিয়ে গেল!!! অথচ এখনো মনে হচ্ছে এইতো সেদিনের কথা। কিভাবে যে এতটা দিন হয়ে গেলো এখনো ভাবতে অবাক লাগে। সামুর বর্তমান অবস্থা অনেকটা জরুরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ও প্রিয়া তুমি কার?

লিখেছেন এম. বোরহান উদ্দিন রতন, ২০ শে জুলাই, ২০১৯ দুপুর ২:৫৩





রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য প্রিয়া সাহা এমন কান্ড করেছে, এমন মনে করার কোন কারণ নেই। এটা বললে তার অপরাধের গুরুত্ব বরং হালকা হয়ে যাবে। সে যা করেছে তা অতি সুক্ষ্মভাবে বিশেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয়া সাহাকে নিয়ে সাধারন মানুষ যা ভাবছেন

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩



১। সরল বিশ্বাসে এসব কথা বলা ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। দেশের মানুষ জানতে চায় প্রিয়া সাহা কেন এমন উস্কানিমূলক বক্তব্য পেশ করল। এর সঠিক উদ্দেশ্য কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয়া সাহা কি আর দেশে ফিরতে পারবে?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২০ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩১



*** কোন এক ডোডো পোষ্টটাকে রিফ্রেশ করছে ***

উনার দেশে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে: প্রিয়া সাহার ঘটনা নিয়ে, উনার বিপক্ষে ব্যবস্হা নেয়ার কথা বলেছেন আওয়ামী লীগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×