তোমার বুকের খাঁচা আমার কামনার ওমে,
হার্মিং পাখির মত তিরতির করে কাঁপতো
কত দহন, কত কাঁপন কত আচড়!
ঝিম ধরা দুপুরের মাতাল আবেশে
তোমার এলোচুলে...দুপুরের ভাত ঘুমে,
তোমার অগোছালো পোষাক,
আর তোমার ভাজঁ খোলা দেহ...
আমার দুহাতের রেখার পরতে পরতে মাখানো...
তোমার লোমের গন্ধ!
বিকেলের সোনাঝরা রোদে
আকাশের নীচে হাত পেতে
সমুদ্রে পা ডুবিয়ে থাকা তুমি।
যেন.....
আমার আকাশের পুরোটা জোসনাই তোমার
শরীর থেকে ঠিকরে পরা আতশবাজী!
আর আমার সপ্নতীরের দীপাবলীরা,
তোমাতেই ঠাঁই পায়
তোমাতেই ঘুরে বেড়ায়।
ঘোলাটে সন্ধ্যার আলো-আঁধারীতে
একটুকরো চাদঁ যখন টুক করে গেথেঁ যায় দিগন্তের গায়েঁ,
তুমি এলো চুলে-এলো বেড শীটে।
পরিপাটি এই আমি অহর্নিশ তোমাকে এলেমেলো করে দিই।
তোমার রক্তপান্জেরীও আমায় পারে না ছুতেঁ!!!
মাখন তোষক আর মাখন তোমাতে
অসহায় চাঁদের মত
আমি গেঁথে যাই!
আজ রাতে আমি স্মৃতিকাতর হবো।
তোমার সোনালী চুলগুলো হবে আমার
ঝলমলে স্মৃতির ছেড়া-খোড়া অংশ।
আজ রাতে আমার স্মৃতিরা হবে ইতিহাস!
মাঝরাতের নির্বাক নগরীর মাঝে
তুমি এক উন্মাতাল আর জান্তব শিৎকার তুলে
ক্ষনে ক্ষনেই হারিয়ে যাও অন্ধকারে।
শীতল রাতের শীতল শিশিরেরা এসে
আমাকে আষ্টে পৃষ্টে জাপটে ধরে...।
তবু এতটুকও ভাগ পাবে না তুমি আজ।
সেই ব্লুবেরী রাতগুলো আজ আর তোমার নয়...
সেসব এখন শুধুই আমার।
আবারও নীলচে বেরীতে ছেয়ে যাচ্ছে শীতের রাত।
কাল ভোরে আবারও ম্যাপল ঝরবে।
তিতির পাখি আবারও কাঁপবে আমার বুকের উষ্নতায়।
তবে আমি আর কখনোও কোনদিন ভালবাসা পাবার নেশায়
উদ্বাস্তুর মত সেখানে গিয়ে হোচটঁ খাবো না।
আমার "অরন্য আগুন" নিকটি হ্যাক করার পর এই কবিতাটি মুছে ফেলা হয়। কবিতাটা ব্লগ ই-বুক "মুক্তলেখাতে" সিলেক্ট হয়েছিলো বলেই হয়ত এটার উপর হ্যাকারের ক্ষোভ ছিলো।
অনেকেই নতুন পোস্ট চাওয়াতে এটা একই ছবি সহ এই নিকে হুবহু রিপোস্ট করে দিলাম। খুব প্রিয় কবিতা আমার। কারন এটা পোস্ট করার পর যে পরিতৃপ্তি পেয়েছিলাম, অন্যগুলোতে তা পাইনি।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


