কিছু অপমৃত্যু তথা অপকর্মের পরে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। আলোচ্য বিষয় হল এই ঝড় ওঠার পরে সময়ের পরিবর্তনে আবার সবাই নিস্তব্ধ হয়ে যাই,ঝড়টা থেমে যায়।সাময়িক এই প্রতিবাদের ঝড় বেশীদিন থাকেনা আমরা আবার ব্যাক্তিগত জীবনে ব্যস্ত হয়ে হারিয়ে যাই হাজারো ব্যস্ততার মাঝে। যদি ঝড়ে তালগাছ নাই ভাঙ্গে তবে শয়তানের দল তো জীবিতই রয়ে গেল,ওরা তো আবার অপকর্ম করবে আবার অপমৃত্যু হবে। সেই হিংস্র মৃত্যুর দৃশ্য কেউ ভিডিও করবে আমরা ইন্টারনেটে দেখবো!কোন অসহনীয় মৃত্যুর দৃশ্য লাইভ টেলিকাস্ট হবে, আবার কোন পৈচাশিক হত্যা কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবে।শুধু হত্যা না এই শয়তানের দল মাতৃত্বের অপমান করবে যা বর্ননা করতে গেলে নিজেকে প্রতিবন্ধী মনে হয়।সবাই প্রস্তুত থাকেন সামনে আরও বড় জঘন্য ঘটনার প্রতিবাদ কিভাবে করবেন? প্রতিবাদ করবেন ঠিকই এরকমই কিছুদিন পর ভুলেও যাবেন,আবার অপকর্ম হবে আবার প্রতিবাদ হবে।ঝড় উঠবে আবার ঝড় থেমে যাবে কাজের কাজ কিছুই হবেনা, তালগাছ দাঁড়িয়ে আছে শয়তানের বাসাও ভাঙ্গেনি আর অরাজকতাও বন্ধ হয়নি। এমন একটা ঝড়ের দরকার যাতে সব অপকর্মের শিকড় উপড়ে ফেলে একটা সুখের বাংলাদেশ গড়া যায়।এ বাংলা একাত্তরের তাজা রক্তে সিক্ত আমাদের মাতৃভূমি।পৃথিবীর এমন কোন দেশ আছে এমন কোন জাতি আছে যারা আমাদের চেয়ে আত্নত্যাগী?স্বাধীনতার অগ্রে বুক পেতে দিয়ে জীবনের বলি দিয়ে অর্জিত আমাদের বাংলাদেশ।আর আজ সেখানে অহরহ নোংরা কর্মকান্ড ঘটছে, স্বাক্ষী তার রানা প্লাজা,স্বাক্ষী টি.এস.সি চত্বর, স্বাক্ষী দেয় জিহাদ স্বাক্ষী দেয় রাজন আরো অনেক স্বাক্ষী লাইনে দাঁড়িয়ে আছে।একটা ঝড় দরকার,যে ঝড় থামার পরে আর কোন অপ্রত্যাশিত চোখের জলের স্বাক্ষী দেবেনা এই বাংলা "আমার সোনার বাংলা"।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১৫ রাত ২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




