আমার ভাবনা যেন আজ,
মানছে না কোন বাধা।
লাগামহীণ পাগলা ঘোড়ার মত,
ছুটে চলেছে, রক্তমাথায়,
ভেঙেচুরে চারপাশ, সে ছুটে চলেছে।
নেশার ঘোরের মাঝে আমি বারবার-
তোমার কথাই ভাবছি শুধু।
তোমার আর তোমাদের কথা।
প্রশ্ন করো না -
ভাবনা গুলো জেনো নিতান্তই প্রলাপ শুধু-
অথবা ভেবে নিও কষ্টগাঁথা
কিংবা ভেবে নিতে পারও-
ব্যার্থ প্রে্মিকের নিস্ফল কল্পকথা!
ভাবছি তোমার কালো দু চোখ নিয়ে।
আহ! কাজল রাঙা কালো দুচোখমনি,
ঠিক যেন জীবন্ত দুই কালো ভ্রমর।
বলতো সেকী কখনও তাতে স্বপ্ন দেখে?
যে স্বপ্নেরা ওদের ভর করে আছে -
তাদের কে দেখতে পায় কখনও?
নাকি মানিব্যাগটা খুজে দেবার,
অথবা অন্ধকারে তার -
খালি গ্লাসে পানি ঢেলে দিতে পারার,
একটা প্রয়োজনের অঙ্গ মনে করে শুধু?
তোমার বুকে জমে থাকা সারাদিনের
একশো হাজার অ্নুভুতিগুলোর ঊষ্ণতা -
তাকে কী স্পর্শ করে?
নাকি আঁচলে ডুবে থাকা তাদের,
তার মনোরন্জনে তোমার সৌন্দর্যের আর -
তার পাশবিক কামের উপাদান নামে
যথেচ্ছা ব্যাবহারীর পণ্য ভাবে শুধু?
তোমার বক্ষযুগলে বেলী ফুলের মাতাল সৌরভ,
তাকে মাতিয়েছে কখনও?
নাকি অতি স্বল্পসময়ের - তার অসার লিঙ্গোত্থলনে-
শুধু নিস্প্রাণ এক কারণ তারা?
তারপর যখন একটু একটু করে-
সে তোমার মাঝে প্রবেশ করে,
আর তারপর একসময় পাশবিক তাড়নায়,
বিছানা বালিশে উল্লাস তোলে-
তোমার শরীরটায় ঝড় তোলে,
নিঙরে নেয়, কুড়ে কুড়ে খায়,
তোমার মাঝে জমে থাকা
আমার লিখা কবিতাগুলোর ছন্দমালা-
সে কী তোমার তোমাকে খুজে পায় কখনও?
তোমার ঠোটে,মুখে, কপালে, বুকে
শরীরের সমস্ত প্রত্যঙ্গে খোজে তোমাকে ?
সে কী তোমার মনের ঝড়গুলোকে -
কখনও শান্ত নদী করে দিতে পারে?
তোমার ভালো লাগে খুব ?
যখন সে ঝড় বইতে থাকে ?
অথবা যখন সে ঝড় থেমে যায়?
সে কী শেষ পর্যন্ত বিপর্যস্ত তোমাকে -
আরেকটিবারের জন্যে
ভালোবেসে বুকে টেনে নেয়?
তোমার বুকের দুরু দুরু শব্দগুলো-
সে কী কান পেতে শোনে তখনও?
মানব মানবীর যে মিলনে তুমি আমি -
সে কী বোঝে এর স্বার্থকতা?
এর অর্থকথা?
সে কী তোমাকে বোঝে ?
তোমার শরীরটা বোঝে?
নাকী এ শুধুই তোমাদের শারীরিক প্রয়োজন?
লিঙ্গের দাঁড়ে লিঙ্গের অযথা আস্ফালন।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




