somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কাল্পনিক আমি
আমি এখনও পড়াশুনা করছি। তার সাথে বেশ কিছু দিন ধরে লেখালেখির সাথে যুক্ত আছি। বাবা মায়ের ছোট ছেলে। ঘোরাঘুরি এবং খাওয়া দাওয়া করতে বেশ পছন্দ করি।

রাজকাহিনী : সমালোচনায় অভিনেত্রী জয়া আহসান!

১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:১৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত কিছু দিন ধরে দেশের সোশ্যাল মিডিয়া বেশ কয়েকদিন ধরে মারাত্মক ট্রল হচ্ছে, ‘বাংলাদেশি একট্রেস ১৮+ এতো নোংরা চরিত্র এর আগে বাংলাদেশে কেউ করেনি। বিতর্কটা শুরু হয়েছে গেল অক্টোবরে মুক্তি পাওয়া কলকাতার সৃজিত মুখার্জীর ‘রাজকাহিনী’ সিনেমার একটি দৃশ্য নিয়ে। রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে ছবির ঐ দৃশ্যে রুবিনার চরিত্রে রূপদানকারী জয়া আহসানকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শোরগোল চলছে এপার ও ওপার বাংলার চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যেছু যে দৃশ্যটিতে জয়া তাঁর সহঅভিনেতা প্রাপ্তমনস্ক রুদ্রনীলকে কোনো রাখঢাক বা ইশারা ইঙ্গিতের ধার না ধেরে সোজাসাপ্টা নিজের স্তন বা যোনির হদিস জানাচ্ছেন। দেশ ভাগের যাতনায় পড়ে বাধ্য হওয়া একজন যৌনকর্মী রোজ পাল্টানো পুরনো জামার মতো নানা রঙের নারী চামড়া ও চোখের জলের সম্মিলনে তাঁর যৌবনাশ্রিত ক্লিশে জীবনের উদ্বেল আবেগ দর্শকানুভূতিতে জাগাতে চেয়েছেন।

ছবিটা কলকাতার। এই ছবির বিষয়বস্তু সাতচল্লিশের দেশভাগ। এবং বিতর্কের পাত্রীটা হলেন আমাদের দেশের গন্ডি পেরিয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রে দাপট দেখিয়ে জাতে উঠবার প্রচেষ্টারত আমাদেরই সুঅভিনেত্রী জয়া আহসান। তাই সুযোগ বুঝে ভারতের বাংলাভাষার জনপ্রিয় পত্রিকা আনন্দবাজার ‘তিনি বাংলাদেশের সানি লিওন, দেশ ছাড়ার হুমকি জয়া এহসানকে’ শীর্ষক খবর ছাপিয়ে দিয়েছে। কলকাতার আরেকটি দৈনিক এই সময়ও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘স্তন-যোনি বলায়, পদ্মা পাড়ে সানি লিওন জয়া’।
এ কথা সত্য যে, ফেসবুক, টুইটার বা ইউটিউবে বাংলাদেশের কিছু মানুষ রাজকাহিনী সিনেমার জয়া ও রুদ্রনীলের বিতর্কিত ভিডিও ক্লিপটি অ্যাডাল্ট ট্যাগ দিয়ে ভাইরাল আকারে ছড়িয়ে দিয়েছে। সেসব ভিডিও লিংকে গিয়ে জয়াকে সানি লিওনের সাথে তুলনা করে কুরুচিপূর্ণ সমালোচনার পাশাপাশি হুমকি ধামকিও দিয়ে যাচ্ছে বিকৃত প্রোপাগান্ডিস্টরা। কিন্ত এসব গণসমালোচকরা যে প্রাপ্তমনস্ক নন এবং সিনেমার ভাষা বুঝবার ক্ষমতা যে তাদের থাকবার কথা নয়, এই বিষয়টি মাথায় না রেখেই বাজার চলতি আইটেম হিসেবে কলকাতার পত্রিকাওয়ালারা সংবাদ করে দিয়েছে। এটার উদ্দেশ্য হতে পারে দুইটি: প্রথমত পত্রিকার হিট বাড়ানো, দ্বিতীয়ত ওই সিনেমার জনপ্রিয়তা বাড়ানো।

কিন্তু কলকাতার সিনেমার গল্প, নির্মাণ, ব্যাপ্তি ও বাজার আমাদের দেশের চেয়ে বিশাল বলেই সেখানে অভিনয় করতে আমাদের পাত্রপাত্রীরা মুখিয়ে থাকেন। জয়াও এর বাইরে নন। চলচ্চিত্র বোদ্ধা মাত্রই জানেন, সিনেমা মানেই ডিরেক্টর’স মিডিয়া। সুতরাং রাজকাহিনীর রুবিনারূপি আমাদের জয়া হয়ত নির্দেশক সৃজিত মুখার্জীর ইচ্ছার বাইরে পা ফেলতে পারেননি। তাছাড়া আমেরিকান, ব্রিটিশ, রাশান বা তামিল ছবিতে এরকম দৃশ্যায়ন অহরহই চোখে পড়ে। সেসব নিয়ে তেমন সমালোচনা হয় না। কারণ আমরা বাংলাদেশিরা চলচ্চিত্র উপভোগের ক্ষেত্রে প্রাপ্তমনস্ক হয়ে উঠতে পারিনি। হওয়ার সম্ভাবনাও দেখি না। যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় জয়াকে এডাল্ট ট্যাগ দিয়ে ভাইরাল বানাচ্ছেন। তারা নিজেরা বারবার এই ক্লিপ দেখছেন, যারা সমালোচনা করছেন তারাও দেখছেন এবং দেদারছে শেয়ার করে যাচ্ছেন। এটা দোষের কিছু হচ্ছে না! অথচ সিনেমা যদিও একটি গ্রুপ ওয়ার্কের ফসল, দোষ হচ্ছে কেবল জয়ার। অথচ এই সিনেমাটি দেখে মুম্বাইয়ের চলচ্চিত্র বোদ্ধারা ভূয়সী প্রশংসা করে হিন্দী ভাষায় সিক্যুয়েল নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন।

রাজকাহিনী ছবিতে ঋতুপর্ণা, প্রিয়াঙ্কা সরকার, সোহিনী সরকার, সায়নী ঘোষ, ঋধিমা ঘোষ, দিতিপ্রিয়া রায়, এনা সাহা, যিশু সেনগুপ্ত, আবীর চ্যাটার্জী, রজতাভ দত্ত, শাশ্বত, জয়া, রুদ্রনীলসহ অনেকেই অভিনয় করেছেন। কিন্তু চরিত্রের প্রয়োজনে ইতিহাসের চাহিদা মোতাবেক কেবলমাত্র জয়া ও রুদ্রনীলকেই যোনি বা স্তন নিয়ে গবেষণায় নামতে হলো। এখানে শিল্পের অনিবার্যতা আছে মানলাম, কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে জয়ার কোনো দায়বদ্ধতা থাকতে নেই কেন? এমনটা দাবি জয়ার সমালোচকদের। এমনকি বাংলাদেশের সুপারস্টার শাকিব খান পর্যন্ত জয়ার কড়া সমালোচনা করে বলেছেন, জয়া আহসান বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সামাজিকভাবেও তিনি সবার কাছে ইতিবাচক একটা ভাবমূর্তি ধরে রাখতে পেরেছেন। কিন্তু ‘রাজকাহিনী’ ছবির এই জয়া আহসান আমার কাছে একেবারেই অপরিচিত। ছবিতে এমন একটি দৃশ্যে অভিনয়ের তাঁর কী এমন দরকার ছিল, তা আমি আসলেই বুঝতে পারিনি।

অথচ এই জায়া আহসান কিনা সৈয়দ শামসুল হক রচিত ‘নিষিদ্ধ লোবান’ অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নাসির উদ্দীন ইউসুফ নির্মিত ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রে বিলকিস বানুর চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য ২০১১ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন। জাতিসংঘের নারী ও শিশু সহায়তা বিভাগের সাবেক শুভেচ্ছা দূত জয়ার ঝুলিতে রয়েছে চোরাবালি বা পূর্ণদৈর্ঘ প্রেমকাহিনীর মতো জাতীয় পুরষ্কার ও মেরিল প্রথম আলো পুরষ্কার পাওয়া বেশ কিছু ছবি। গুণী অভিনেত্রী হিসেবে তিনি আজকাল কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটেও হাঁটবার সুযোগ পান। সেই তাঁকে তবে ব্যক্তিগত, পারিবারিক জীবন বা দেশের সম্মান পেছনে ফেলে রুবিনা হয়ে উঠতে হয় কেন? কারণ তিনি ইতিহাসের অংশ হতে চান।

কিন্তু মুম্বাই সিনেমার লিজেন্ড অমিতাভ, কাজল শাহরুখ, সালমান বা আমীর খানদের লিজেন্ড হয়ে উঠার পথে রুবিনা-রুদ্রনীলের রাজকাহিনী ধারার অভিনয়ে নাম লেখাতে হয়েছে একথা কেউ বলতে পারবে না। সম্প্রতি বাজিমাত করা ‘বজরঙ্গী ভাইজান’ ছবির নায়ক সালমান খান পর্যন্ত সম্প্রতি মিডিয়ায় বলেছেন, অনস্ক্রিন চুমুর এখনও তেমন দরকার নেই। আমার এ বিষয়ে বেজায় অস্বস্তি আছে। আমি লাজুক নই, কিন্তু আমার ব্যাপারটা পছন্দ নয়। পর্দায় চুমু খাওয়ার খুব একটা দরকার আছে বলে মনে হয়নি কোনোদিন।
এই অর্থে রাজকাহিনীর রুবিনার কর্মকান্ড যদি চুমুকেও হার মানিয়ে থাকে তবে এমন দৃশ্যের খুব দরকার ছিল কি সৃজিত মুখার্জী, রুদ্রনীল বা জয়া আহসান?

সংবাদ মাধ্যম বিবিসিতে লুসি রজার্স ‘হাউ টু উইন এন অস্কার’ শিরোনামে একটি আর্টিকেলে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত থেকে প্রমাণ করেন পতিতা চরিত্রে অভিনয় করে সেরা হওয়ার হার শতকরা ১২ ভাগ। সেই ১৯২৭ সাল থেকে একাডেমি এওয়ার্ড তথা অস্কার চালু হওয়ার পর ১৯২৮ সালে ‘স্ট্রিট এঞ্জেল’ ছবিতে পতিতা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রথম অস্কার জিতেন জেনেট গে’নর। ‘বাটারফিল্ড ৮’ ছবিতে অভিনয় করে সেরা হন ক’দিন আগে পরলোকে যাওয়া এলিজাবেথ টেইলর। ঐ আর্টকেল অনুযায়ী যেখানে বাস্তব চরিত্রে রূপদানীকারদের মধ্যে অস্কার জয়ের হার ১৯ ভাগ।
আমাদের জয়া আহসান যদি রাজকাহিনী ছবির শ্রেষ্ঠ সংলাপ ‘এ লড়াইয়ের শেষ না দেখে আমি কোথাও যাব না’র মতো করে নিজের দেশের ভক্তদের আবেগ অনুভূতি বা দেশজ মূল্যবোধ পায়ে দলে ভারতীয় ফিল্মফেয়ার কিংবা জাতীয় পুরষ্কার নিজের ঝুলিতে পুরবার প্রয়াসী হন সেক্ষেত্রে সালমান খানের মতো আর্টিস্ট বা লুসি রজার্সের গবেষণাপত্রটি আশা করছি মনে রাখবেন।

আমাদের অঞ্চলের চলচ্চিত্রের প্রবাদ পুরুষ সত্যজিৎ রায় তাঁর লেখা ‘চলচ্চিত্র রচনা : আঙ্গিক, ভাষা ও ভঙ্গি’ প্রবন্ধে বলেছেন, লেখকের হাতে যেমন কথা, চলচ্চিত্র রচয়িতার হাতে তেমনি ছবি (image) ও শব্দ (sound)। এই দুইয়ে মিলে যে ভাষা, তার প্রয়োগে যদি মুনশিয়ানার অভাব হয়, তার ব্যাকরণ যদি রচয়িতার আয়ত্ত্ব না থাকে এবং সব মিলিয়ে ছবির বক্তব্যে যদি জোর না থাকে, তাহলে ভালো ছবি হবে কি করে? এত যে লেখা হয়, তার কতটুকুই বা সাহিত্য হয়ে ওঠে। শিল্পী আগে, তার পড়ে তো শিল্প। যেখানে শিল্পী নেই সেখানে শিল্পের উপকরণ থাকলেও শিল্পের উদ্ভব সম্ভব নয়।

কানাডিয়ান পর্ণ স্টার সানি লিওন তাঁর অতীত জীবন পেছনে ফেলে মুম্বাই সিনেমায় নাম লেখানোর মাধ্যমে শিল্পের স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর এই নবযাত্রায় সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছেন নিজের স্বামী ড্যানিয়েল ওয়েবার ও হাজারো ভক্তকে।

পক্ষান্তরে প্রিয় জয়া আহসান অর্বাচীন সমালোচকের ভাষায়, আপনি রুবিনা সেজে সানি লিওন হয়ে উঠছেন! এমন যাত্রায় আপনার পরিবার কিংবা লাখো ভক্তের হার্দিক ভালোবাসা হারাতে যাবেন কেন? বারবণিতার চরিত্র রূপায়ন অবশ্যই কষ্টসাধ্য কাজ; আর গুণী অভিনেত্রীরাই সেটা পারেন। কিন্তু আপনার এমনধারার অভিনয়ে আপনাকে বাঙালি সানি লিওন ঠাওরে কুরুচিপূর্ণ ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াবে কেন? চলচ্চিত্র অসমঝদারের অশালীন বাক্যবাণে কেন আপনি জর্জরিত হতে যাবেন? আমরা চলচ্চিত্রের বোদ্ধা সমঝদাররা আপনার মতো শক্তিমান অভিনেত্রীর জন্য দু:খিত হবো কেন? তাহলে আপনাকে দিয়ে আমাদের শিল্পের সত্য ও সুন্দর উর্বর ভূমিতে আসলে ব্যতিক্রম আর কি চাষ হবে?

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ২:১৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×