এই ব্লগে লেখা শুরু করেছি বেশ কিছু দিন হল। ব্লগগুলো পড়তে ভালই লাগে, বেশ কয়েকবারই এক কথা বলেছি। এখানে আমার সবাই নিজেদের মনের কথা বলি, আদর্শের কথা বলি, পাওয়া- না পাওয়ার কথা, চাওয়া- হতাশার কথা বলি। আদর্শের কথা লিখতে ও পড়তে ভালই লাগে। স্বপ্নের বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা সবাই দেখছি, কিন্তু আমরা কি কোনভাবে চেষ্টা করছি একে স্বপ্নের মতো করে গড়ে তুলতে।
সারাদেশের সবাই যখন দেশের তুলোধুনো করে নিজের আখের গোছাতে ব্যস্ত তখন স্রোতের প্রতিকূলে এসে কিছু করাটাই মূখতর্া বলে মনে হয়। আমি যেবার প্রথম আয়করের জন্য কাগজপত্র ঠিক করছিলাম, সবাই বলল কম করে আয় দেখাতে, তা না হলে আয়করের লোকজন এসে যন্ত্রনা দেবে। শেষপযনর্্ত আয়করই দেইনি।
একসময় প্রত্যেক বছর টিভি লাইসেনস করতাম, বোধ করি 125 টাকা কিংবা 500 টাকা ছিল, মনে নেই। বিনোদনের তুলনায় টাকার অংকটা খুবই কম, তবুও কিছুদিন হয় ফি দেওয়াটা ঝামেলা মনে করে এটা দেওয়াও বন্ধ করে দিয়েছি।
আমরা নিজেরা নিজেদের কাছে স্বচ্ছ নই বলে আমরা অন্য কাউকে তার কৃতকর্মের জন্য দোষারোপ করতে পারি না। আবার আমরা আমাদের সমমনা লোকদেরকে জন প্রতিনিধির আসনে বসাই, যাতে পরবতর্ীতে আমাদের সুবিধা হয়। আর এরই সুবিধা নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিরা আমাদের বারোটা বাজায়, দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির উছিলা ধরে হরতাল করে, দুধ খাওয়া বাচ্চাও জানে এতে কখনই দ্রব্যের দাম কমবে না, অথচ এরা জানে না যে হরতাল কখনই রাজনৈতিক সমস্যা সমাধান হতে পারে না।
আমি অন্য কারোও সম্বন্ধে বলার চেয়ে আত্নসমালোচনা করার চেষ্টা করছি। আমরা সবাই যদি প্রতিদিন কয়েক মিনিটের জন্য আত্নসমালোচনা করি তাহলে এক মাসে প্রচলিত দূনর্ীর্তির স্রোতের বিপরীতে অন্তত একটা ভাল কাজ করতে পারবো । ফলে 14 কোটি মানুষ এক মাসে একটি করে ভাল কাজ করলে বছর শেষে 168 কোটি ভাল কাজ হবে।
এভাবেই হয়তো একদিন দূনর্ীতিবহুল দেশের তালিকায় সবশেষ দেশটি হবে "বাংলাদেশ" ।
ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




