একটি দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বের, মর্যাদার আর আবেগের বিষয়টি কি?
আমরা সবাই একবাক্যে স্বীকার করে নেব, অবশ্যই স্বাধীনতা। আর তা যদি হয় রক্ত দিয়ে কেনা, তাহলে?
সেই সংগ্রাম আর সংগ্রামী মানুষেরা চিরভাস্বর হয়ে বেঁচে থাকে সেই দেশের ইতিহাসে, মানুষের হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে , প্রতিটি রক্তের ফোটায়। যেমন,
সে স্বপ্নের বাস্তব রূপ ন’মাস পরে প্রতিভাত হয়েছিল সূর্যের আলোর চেয়েও উজ্জ্বলভাবে, এই বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটির জন্ম হবার মধ্য দিয়ে।
আচ্ছা যে মানুষগুলো তাদের প্রতিটি রক্তের ফোঁটার বিনিময়ে আমাদের দিয়ে গেল একটি স্বাধীন দেশ, আমরা কি তাদের ভালবাসি ? ভালবাসা দূরের কথা আমরা কি তাদের শ্রদ্ধা করি ??
উত্তর হবে, অবশই করি কিন্তু সেটা শুধু কিছু নির্দিষ্ট দিনে, যেমন : ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬ মার্চ, ১৪ ডিসেম্বর, ১৬ ডিসেম্বর। এইসব দিনে। কিভাবে করি ? এইত শহিদ মিনারে যাই, একটা ফুল দিয়ে আসি, তারপর পারায় গিয়ে জোরে গান বাজাই, তারপর প্রেমিক প্রেমিকা নিয়ে ঘুরতে যাই।
কিন্তু এতটুকুতে কি যথেষ্ট ?
আমি যে এলাকায় থাকি সেখানে দুইজন মুক্তিযোদ্ধার কবর আছে, সেখানে একটা ক্লাব আছে, ক্লাবের কমিটিরা কবর দেখ ভাল করে। অবশ্য এটা আমাদের জন্য ভাল বিষয় যে, আমরা সবসময় তাদের পাশে থাকতে পারি। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের কবরে সব সময় থাকে ময়লা দিয়ে ঢাকা। সিগারেটের, গাজার আসর বসে ২৪ ঘণ্টা। কখনো এলাকার ছোট ভাই আবার কখনো বড় ভাই। ক্লাবের কমিটির লোকেরাও কিছু বলে না কারন তারাও যে এই মহৎ কাজের সাথে জড়িত। কিন্তু হ্যাঁ আমরাও তাদের শ্রদ্ধা করি ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬ মার্চ, ১৪ ডিসেম্বর, ১৬ ডিসেম্বর এইসব দিনে।
অবশ্য সুদু আমাদের এলাকা না ঠিক প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধার কবরের একই অবস্থা। এমনকি শহিদ মিনারেও।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




