
যে মুহুর্তে তোমাকে চেয়েছি, তখন থেকে তুমি কেবলই নামসর্বস্ব একজন
যেমন শীতকাল এলে ঝরাপাতার মতো খসে পড়ে বিগত জন্মের সকল অধ্যায়।
আঠারো কিংবা কুড়িতম জন্মদিবসে তোমাকে বন বিহারে নিয়েছিল যে যুবক
তাকে তোমার নিতান্তই কল্পকাহিনী মনে হবে;
যেন তুমি এইমাত্র নেমে এলে পৃথিবীতে, মুখোমুখি শালুকের ঘ্রাণ!
আমি চাই তুমি অসুখী হয়ে ওঠো, রাতের দৈর্ঘ্য বেড়ে গেলে হয়ে ওঠো ভীষণ কাল্পনিক
মনে করো তোমার হাত ধরে ছুটে যাচ্ছে এক উদ্যমপরায়ন প্রেমিক
যার চোখে তাকিয়ে কেটে গ্যাছে শতবর্ষের অলৌকিক সমুদ্রভ্রমণ।
যাকে তুমি স্পর্শ করতে পারোনি বলে লিখে রেখেছো কবিতায় এবং শরীরে।
বস্তুত মানুষের হৃদয় চিরকাল একমুখী, ফিরে যাবার পৃথক কোন রাস্তা নেই।
আমি তোমাকে চাইলেই, তুমি পুরোটাই আমার
যেমন যুদ্ধ ও মৃত্যুতে কিচ্ছু এসে যায়নি পৃথিবীর
সাহসের গান চিরকাল প্রেমিকের।
আমি তোমাকে চাইলেই, থেমে যাবে পৃথিবীর তাবৎ হাতঘড়ি
তুমি হয়ে উঠবে বৃক্ষের চেয়েও বয়সী, অথচ বৃদ্ধা হবে না কোনদিন।
আমি তোমাকে চাইলেই, থেমে যাবে অস্ত্রবিজ্ঞানীর উদ্ভাবন
তুমি হয়ে উঠবে সকল প্রেমিকের, অথচ আমারই চিরদিন।
আমি তোমাকে চাইলেই, নেমে আসবে আরেক একাত্তর
দরজায় বুটের লাথি, অথচ বোকারা বুঝবে না গুলিটা করা উচিত বুক বরাবর!
যারা ঠোঁটে করে হিমঋতু এনেছিল, তাদের প্রস্থান স্বাভাবিক
কেবল আমিই বরফশীতল চিরকাল, উত্তাপ খুঁজে গেছি তোমার হৃদয়ের
যেহেতু আত্মহত্যার এর চেয়ে সহজ কোন পথ নেই।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




