
একজন কবির সাথে দ্যাখা হবার পূর্বে প্রেমে পড়ো না মেয়ে
সে জানে তোমাকে অভ্যর্থনা জানানোর শাব্দিক কৌশল
এবং তোমার হৃদয়;
যা তুমি গচ্ছিত রেখেছিলে কবিতায়।
তুমি অপেক্ষা করো সুন্দরতম ঐশ্বর্যের।
তাকে তুমি মানুষের মাঝে তুলনামূলক স্বর্গ ভাবতে পারো
যা তুমি কামনা করো
বহন করেছো শৈশবে, ফ্রক থেকে সালোয়ার কামিজের মধ্যবর্তী পার্থক্যে।
ক্যামেলিয়া হাতে দাঁড়ালেই ছেলেটি হয়ে ওঠে আশ্চর্য্য সমুদ্র
শেষকবে চুল খুলে কেটেছিলে ডুবসাতার?
দেবদারু চুলের প্রেমিকও জানে আলিঙ্গনের চৌষট্টি কলা
বস্তুত সকল প্রেমিকই কবি
কেবল একজন কবিই হন জন্মগত প্রেমিক!
সে তোমাকে অপেক্ষা করাবে
মনে হবে ধীর পায়ে হাটছে রেডিয়াম সংখ্যাগুলো
ঠিক দু' মিনিট সাইত্রিশ সেকেন্ড পর শেষ হবে অনন্তকাল
তোমার চোখে তখন শ্রাবনের মৌসুম
ধীর কন্ঠস্বর- 'সেই তো গেলেন'!
কপালের ঠিক কোনখানটাতে রক্তজবা হয় টিপ?
কতটুকু গাঢ় হলে কাজল হয়ে ওঠে একান্তই তার--
ভরা জোছনায় ঘর পালিয়েছো কখনও?
নীল শাড়ি, খোঁপায় দোলনচাঁপা?
সেক্সপিয়র পড়েছো? কিটস? জীবনানন্দ?
আমাকে?
নদীপ্রিয়তা ছিল না বলেই প্রেমিকার চোখে বারবার মরে যায় মানুষ
মানুষের আদিম প্রবৃত্তির মতোই তোমার চুলে জেঁকে বসে অন্ধকার
অতঃপর পৃথিবীর পথে আবারও দেখা হয় আমাদের!
তুমি অপেক্ষা করো হেমন্তের সন্ধ্যার
তুমি অপেক্ষা করো অলৌকিক আঁধার
তুমি অপেক্ষা করো--
একজন কবির সাথে দ্যাখা হবার পূর্বে প্রেমে পড়ো না মেয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





