somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ ফয়সল
“আমি ধর্মকে মেনে চলে অসাম্প্রদায়িক ধার্মিকতাকে বুকে লালন করি কিন্তু আমি ধর্মান্ধ মোটেও নই!” ❤

বইমেলা ২০১৯, বই ১২,১৩,১৪

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



#বইমেলা২০১৯
#বই১২

১২.

আজকের লেখককে নিয়ে বলার মতো, লেখার মতো যোগ্যতা অন্তত এখনো আমার হয়ে উঠে নি।

পাঠক হিসেবে আমি নগণ্য, মানুষ হিসেবে নালায়েক-মূর্খ!

যিনি লিখেন, তিনি লেখক।

কিন্তু,

যদি নিজেকে ভেঙে-গড়ে লিখেন, তিনি সাহিত্যিক।

আর, আজকের বই এই নান্দনিক সাহিত্যিককে নিয়ে।

যদিও,

দেশের আপামর সাধারণের কাছে ''সাহিত্যিক-লেখক'' প্রতিশব্দ, তাই লেখক লিখছি।

উনার এইবারের মেলায় আসছে #অধ্যায়।

আশ্চর্য এই লেখক, যিনি কি না নিজের কাল্পনিক চরিত্রগুলোকে ভেঙে গুঁড়িয়ে লিখছেন অনন্য এক বই, না, 'এপিলেপটিক হায়দার।'

ছিনিয়ে নিয়েছেন নব প্রজন্মের একগাদা বিশুদ্ধ ভালোবাসা!

বই #অধ্যায় এর পেছনে অনেক অজানা এক 'অধ্যায়', যা লেখক আমাকে বলবে একদিন!

বেশ সময় নিয়ে, ধৈর্য্য নিয়ে লিখে শেষ করেছেন এবারের এই বই। তাই, ''ধৈর্য্যের ফল মিষ্টি!"

বলছিলাম, এই সময়ের বেশ মিষ্টি আর পাঠকের পছন্দীয় লেখক তকিব তৌফিক ভাইকে নিয়ে।

বরাবরের মতো এবারেও লেখকের বই ইন শা আল্লাহ আকাশ ছুঁবে, নিজের ব্যক্তিগত জীবনের মতো সাহিত্যের আকাশটাও লেখকের একান্ত নিজের হবে।

ভালোবাসা ও দো'আ লেখকের জন্য, শুভকামনা অধ্যায়ের জন্য।

#বইয়েরদুনিয়ায়স্বাগতম






#বইমেলা২০১৯
#বই১৩

১৩.

লেখকের নামের মাঝে এক মোহ কাজ করে, যদিও লেখককে জিজ্ঞেস করা হয়নি নামের রহস্যটা কি!

আপনি লেখক বা পাঠক হলে কি রকম গল্প বা উপন্যাস পছন্দ করবেন?

জীবনের গল্প?

জীবন থেকে নেওয়া গল্প?

নাকি,

জীবনে ঘটে যাওয়া গল্প?

লেখক বইটি এই তিন তিনটি অধিশ্বর নিয়ে গড়ে উঠেছে।

আমি বেশ অবাক হয়ে লেখককে দেখে, অবাক হয়েছি উনার কথা পড়ে।

নিজের লেখা লিখতে গিয়েছে কেঁদেছেন, আবার কখনো হেসেছেন।

আশ্চর্য না?!

তবে, এখানে আরো সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে গল্পকথককে নিয়ে।

অর্থাৎ,যিনি আমাদের এই লেখককে গল্পটা শুনিয়েছিলেন।

যার এই গল্প নিজের শ্বশুর বাড়ির লোকজন ছাড়া অন্য কেউ ঘুণাক্ষরে যানে না, আর এই গল্প লেখক নিজের মহাত্ত নিয়ে তুলেছেন!

কি জাদুকরি লেখক, তাই না?

আপনাদের কাছে না লাগলেও আমার কাছে বেশ আনন্দ লাগছে।

রহস্যময়, প্রেমময় জীবনের তিন তিনটি অধিশ্বরকে আমি পেতে চলছি এখানে।

লেখকের বই লেখককে নিয়ে যায় উচ্চে, ভালোবাসা রইলো লেখকের জন্য।

বলছিলাম, অদ্ভুত আর রহস্যময়ী নামের লেখক হাফিজ পাশা ভাই এর কথা!

#বইয়েরদুনিয়ায়স্বাগতম





#বইমেলা২০১৯
#বই১৪

১৪.

নিজের লেখা যদি কখনো ভালো না লাগে, তবে কি করেন?

ছিঁড়ে ফেলে দেয়, কুঁচি কুঁচি করে ফেলে দেয়?

আবেগ জড়িয়ে থাকা, আবেগ মেশানো মাখা সেগুলো রেখে দেন?

নাকি,

সেগুলোকে ছিঁড়ে ফেলার পর কোনো এক রাতে গভীর ভালোবাসা জাগলে, সেগুলো জোড়া লাগিয়ে অস্তিত্বে রূপ দেয়?

কোনটা করেন?

আজকের লেখক যা যা করেন, তা শুনেন আমি হতবাক, বিস্মিত!

এমন সত্যি হয়? হতে পারে?

লেখক গল্পকার, চরিত্রকার।

হাজারের ভিড়ে মিশে রাখতে পছন্দ করেন, নিজের মতো করে গল্প লিখতে পছন্দ করেন, ভালোবাসেন।

"মানুষ যা নিজে পারে না, তা যদি অন্য কেউ পারে....তবে তাকে নিজে নিন্দার ঝড় শুরু হয়।"

- লেখক বলেছেন, আর খুব খুব একটা দামি কথা বলেছেন।

সত্যি ই তো তাই, চারদিকে শুধু নিজের আর নিজের কথা।

এই কি সমাজ?

একজন মানুষের পুরো জীবনে শ্ত কোটি গল্প থাকে, বেঁচে থাকতে হলে তাকে সময়ের ফোঁড়ে পড়ে সবকিছুকে জালঞ্জলি দিতে হয়।

হারিয়ে ফেলতে হয় নিজেকে, বদলে ফেলতে হয় আমিত্বকে!

একটা মানুষকে নিয়ে গল্প লেখা একজন লেখকের কাজ৷ তার প্রেম, ভালোবাসা, কল্পনা.... দাঁড় করানো হয় উদ্ভট কিছু অাচরণে, কখনো তাকে ব্যর্থ প্রেমিক রূপে!

একজন লেখক কতশত রূপে তাকে পাঠকের সামনে আনে, আর একজন লেখক তখন গড়ে উঠেন একেক মিশ্রিত ব্যক্তি সত্তা হয়ে!

বলছিলাম, Muntaser Billah ভাইয়ের বইয়ের কথা।

নবীন লেখক, হরিৎ গল্পকথক।

বইয়ের প্রতি পাতায় পাতায় গল্প শোনাবো উনার।

আপনার প্রথম বই আপনাকে উচ্চে নিয়ে যাক, ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা থাকলো।

#বইয়েরদুনিয়ায়স্বাগতম


সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জিন্নাহ কি বাঙালি মুসলমানের শত্রু?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪


মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের স্বপ্নদ্রষ্টা বা পাকিস্তানের জাতির জনক। একজন বাংলাদেশী হয়ে পাকিস্তানের জাতির জনককে নিয়ে আলোচনা করলে কি গুনাহ হতে পারে কিংবা বড় ক্ষতি হতে পারে? বাংলাদেশে জিন্নাহর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্রেফ 'জিন্নাহকে স্মরণ আর বঙ্গবন্ধুকে গালি' রাজাকারি মানসিকতারই উদাহরণ

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



ভারতীয় উপমহাদেশের জাতিসত্তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন নেতা হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর প্রতি কেউ 'যৌক্তিক' বা তাঁর 'প্রাপ্য' সম্মানটুকু জানাতেই পারেন; তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু, যখন সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর ছবি প্রশ্ন জাগে, আমরা কোন দেশে বাস করি?
যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত, যে বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীন হয়েছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু... ...বাকিটুকু পড়ুন

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×