somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

খলিল মাহ্‌মুদ
শব্দকবিতা :: শব্দেই দৃশ্যানুভূতি

একটি ধাঁধা, যার উত্তর মিলাতে পারছি না বহুদিন ধরে

০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০০২ সনের দিকে শোনা একটা ধাঁধা। এক ধাঁধাপ্রিয় পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক এই ধাঁধাটি ছুঁড়ে দিয়েছিলেন আমার মতো কতিপয় অ-পদার্থ বিজ্ঞান পড়া ছেলেমেয়ের উদ্দেশ্যে।

খরগোশ ও কচ্ছপের গল্প এটা।

কচ্ছপ প্রতি মিনিটে ২০ ফুট গতিবেগে দৌড়ায়।
খরগোশ প্রতি সেকেন্ডে ২০ ফুট গতিবেগে দৌড়ায়।
কচ্ছপ আর খরগোশ উভয়েই বিরতিহীনভাবে গন্তব্যের দিকে দৌড়ায়।
টার্গেটের দূরত্ব ২০ হাজার মাইল।
কচ্ছপ সকাল ৮টায় টার্গেটের উদ্দেশ্যে দৌড় শুরু করলো।
খরগোশ রাত ৮টায় টার্গেটের উদ্দেশ্যে দৌড় শুরু করলো।

প্রশ্ন :

১। কে আগে টার্গেটে পৌঁছবে?

আমরা হিসাব নিকাশ করে বললাম, খরগোশই আগে পৌঁছবে।

'উত্তর সঠিক হয়েছে।' বলে প্রসন্নভাবে আমাদের জ্ঞানের তারিফ করলেন প্রফেসর। তাঁরপর তিনি বললেন :

২। বলো তো, এটা কি সম্ভব যে কোনো একটা নির্দিষ্ট সময়ে কচ্ছপ আর খরগোশের সম্মুখভাগ এক রেখা বরাবর (যা তাদের গতিরেখা বরাবর লম্বভাবে অবস্থিত) অবস্থান করবে?

আমরা প্রথমে হাসলাম, এটা কী ধরণের প্রশ্ন? খরগোশের গতিবেগ বেশি হওয়ায় একটা নির্দিষ্ট সময়ে তো খরগোশ, কচ্ছপকে অতিক্রম করে যাবে, ঐ সময়েই প্রাণী দুটোর সম্মুখভাগ এক রেখায় অবস্থান করবে।

কিন্তু প্রফেসর 'এই উত্তর হয় নি' বলে জানালেন। তাঁর সাথে আমাদের তুমুল বিতণ্ডা হলো, কিন্তু তিনি বললেন- তোমরা এ বিষয়ে কাঁচা। খরগোশ যদিও কচ্ছপকে অতিক্রম করে যাবে, কিন্তু কখনোও তাদের সম্মুখভাগ এক রেখা বরাবর অবস্থান করবে না।



আপনাদের জন্য


আপনারা কী বলেন এ ব্যাপারে?
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
৯টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×