অভিনন্দনটা কাকে দেব। শেখ হাসিনাকে না বেগম খালেদা জিয়াকে। বসন্তকাল সবার মনে রং লেগেছে। বিএনপি অভিশপ্তু হরতাল নামক অর্থব মানুষের জন্য অকল্যাণকর কর্মসূচীটা স্থগিত করেছে। ছাত্রঝাত্রীরা একটি ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে অবার স্কুলে যাবার মতো একটি সুন্দর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে সুসমায়ের দিকে এগিয়ে যাবার ছক কসচ্ছে। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর বেগম জিয়ার প্রতিহিংশার নেটওর্য়াকটা ছোট হতে হতে আজ বিন্দুতে এসে ঠেকেছে। তবুও বিএনপিকে অভিনন্দন। শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড এটা তারা বুঝতে পেরেছে।
ডা: বদরুদ্দোজা বাংলাদেশের ভুতপূর্ব রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সম্ভবত এর চাইতে সম্মান জনক পদবা পাদবি আর নেই। সেই তিনি ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না। এর প্রতিশোধ না নিয়ে তিনি নাকি হাল ছাড়বেন না। বয়স্ক মানুষ মুখ ফসকে কখন কি বলে ফেলেন তা বোঝবার মতো স্থিতি অবস্থায় তিনি ঠিক নেই। তিনিই পৃথিবীর একমাত্র উদাহরন যিনি রাষ্ট্রপতি পদ থেকে অপসারিত হয়ে নিজের দলের লোকদের হাতে অপমানিত হয়ে প্রানভয়ে রেল লাইন ধরে দৌড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন। সেগুলি তিনি বয়সের ভারে ভুলে গেছেন কিন্তু ভুলতে পারছেন না শেখ হাসিনার রাজনীতির কাছে হেরে যাওয়ার যন্ত্রনাটা। মানুষ সৃষ্ট্রিকর্তার একটি অদ্ভুত সৃষ্টি। ডা: বদরুদ্দোজা তার জীবনে কি পাননি মান, সম্মান, অপমান, অপদস্ত সব তিনি পেয়ছেন আর কিইবা তার পাওয়ার বাকি আছে। এখন তার উচিত নিজ ধর্মমতে মৃত্যুর প্রস্তুতি নেয়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






