আধুনিক পদার্থবিদ্যার জগতে এক নতুন যুগের দ্বার উন্মোচন হতে যাচ্ছে এক বাংলাদেশী মেধাবী ড.জাহিদ হাসানের হাত ধরে। তিনি বর্তমানে কর্মরত আছেন যুক্তরাষ্ট্রের Princeton University তে। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই বাংলা মায়ের কোলে,এই বাংলার কাদাজলে তার শৈশব। দীর্ঘ সাধনা ও মেধার মাধ্যমে তিনি সুদীর্ঘ ৮৫ বছর পর আবিষ্কার করেছেন সেই অতি পারমাণবিক কণা "ভেইল ফার্মিওন"। এই কণার ওপর ভিত্তি করে পদার্থবিদ্যায় নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। এই কণার উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠবে নতুন এক শাখা যার মাধ্যমে elections এর জগতে আসবে এক নতুন মাত্রা।সভ্যতা আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে। অসাধারণ মেধাবী ড. জাহিদ হাসানের ভিত্তি এই বাংলার মাটিতে গড়ে ওঠেছে। তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সারা বাংলাদেশে প্রথম স্হান অর্জন করার গৌরব লাভ করেন। ড. জাহিদ হাসানের এই অসামান্য আবিষ্কারের জন্য পদার্থবিদ্যায় নোবেলের জন্য মনোনীত হতে পারেন। আর যদি সেটা হয় তবে সেটি হবে পদার্থবিদ্যার জগতে প্রাপ্ত বাঙালির সর্বোচ্চ অর্জন এবং মর্যাদা।এটি বিশ্ববাসীর কাছে নতুন এক বার্তা পৌঁছে দেবে। পদার্থবিদ্যার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে হতে পারে বাঙালির এক দুর্দান্ত সূচনা। জয় হোক বাঙালির, জয় হোক পদার্থবিদ্যার। বিশ্ববাসীকে আরো একবার অবাক করে দিক বাঙালি।
ভেইল ফার্মিওন ও ড. জাহিদ হাসানের আবিষ্কার-
*** কোনো একটি পরিবাহকেরর ভেতর দিয়ে ১ টি ইলেকট্রন কে pass করানোর জন্য প্রচলিত ধারায় অনেক শক্তির প্রয়োজন।এখন আমি ওই পরিবাহকের ভেতর দিয়ে ১০ টি ইলেকট্রন pass করাতে চাই।তাহলে এর জন্য অনেক গুণ বেশি শক্তি আলাদা আলাদা ভাবে প্রয়োগ করার প্রয়োজন। এই শক্তিটাই হলো Electromotive force(emf)। ড.জাহিদ হাসান এমন একটি way তৈরী করেছেন যার মাধ্যমে একটি ইলেকট্রনকেই অনেক বেশি পরিমাণ force প্রয়োগ করা হয় যার ফলে বাকি ৯ টি ইলেকট্রন ওই ইলেকট্রনকে অনুসরণ করে পরিবাহকের ভেতর দিয়ে pass হবে। এতে শক্তির অপচয় রোধ হবে এবং electronics এর জগতে নতুন মাত্রার সৃষ্টি হবে। নিঃসন্দেহে এই আবিষ্কার electronics জগতে এক বিপ্লবের সূচনা করবে।বর্তমান সভ্যতা আধুনিক যুগ থেকে আরো প্রগতিশীল একটি যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।
আজকের দিনে সকল বাঙালির একটিই চাওয়া তিনি যেন মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পান এবং বাঙালি মাতা আরো একটি অসামান্য অর্জনে গর্বিত হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




