সেই গণজাগরন মঞ্চ শাহবাগ চত্বর আর আগের মত নেই। এখন একটি সমাবেশের ডাক দিলে আগের মত লোক সমাগম হয় না। লাকিও কেন জানি আর আগের মত চিক্কর মারতে পারে না। অতীতে শেখ হাসিনার আশির্বাদে জাহানারা ইমামের গনআদালতের ব্যানারে যুদ্ধাপরাধীদের প্রতীকি বিচারে লোক সমাগম অনেক হয়েছিল। যখনই জননেত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক বিবেচনায় সরে এলেন তার দলবল নিয়ে, তখনই কেন জানি চুপশে যাওয়া বেলুনের মত গণআদালত পাড়ায় ভাটা পড়ে গেলো। ঠিক একই পূনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে আমাদের সবার আশা ভরসার অনেক বিতর্কিত মঞ্চ গণজাগরনের বেলাও।
শেখ হাসিনার আশির্বাদে আমরা অনেক মজা করেছি শাহবাগে। কন্ঠে এক সুর ফাসি ফাসি ফাসি চাই বলে কত হাকই না দিয়েছি। গলা শুকিয়ে আসতো তারপর এক কাপ চা খেয়ে আবার চিক্কর পাড়া শুরু করেছিলাম। রাতের পর রাত বিড়ি ফুকিয়েছি বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা গান গেয়েছি আরও কত কি করেছি। ফ্রি তে খাবারও পেয়েছি।
অভিযোগ রয়েছে, মঞ্চের নামে কোটি কোটি টাকার চাদাবাজি হয়েছে। যে ছাত্রলীগ এতদিন ইমরানদের সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে কথিত আন্দোলন চালিয়ে গেছে। এখন কোটি কোটি টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন তারা। প্রায় দেড় শতাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করা হয়েছে মঞ্চের নামে। মঞ্চের মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন ইতিমধ্যে। নিজেও দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করছেন। আর আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতরা তার কাছে হিসাব চাইছেন। শুধু ডা. ইমরান এইচ সরকারই নয় আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা জড়িত রয়েছেন চাঁদাবাজিতে। তারা এখন হিসাব দিচ্ছেন না। এর মধ্যে কয়েকজন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বও রয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




