somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিভাবে সত্যিকারের ইতিহাস হারিয়ে যায় !! বঙ্গবন্ধু কি বাম রাজনীতিকে চরম ভয় ও প্রতিদন্দী ভাবতেন?

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৪:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যারা বাম পন্থা রাজনীতি করছেন এবং করেছেন বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে অধিকতর সম্মান দিচ্ছেন, তাদের বলছি। সেদিন ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের আগে কোন এক সময় ‘লা মদকে দেয়া শেখ সাহেবের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ৩১ মার্চে। তাতে শেখ মুজিব বলেন :

“পশ্চিম পাকিস্তান সরকার কি এটা বোঝেন না যে, আমিই হলাম একমাত্র লোক যে পূর্ব পাকিস্তানকে কমিউনিজম থেকে রক্ষা করতে সক্ষম। যদি তারা লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত নেন তবে আমি ক্ষমতাচ্যুত হবো এবং আমার নামে ‘নকশালরা’ নেমে পড়বে। যদি বেশি ছাড় দেই, আমি কর্তৃত্ব হারাব। মুশকিলে আছি আমি”। (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এবং সিআইএ, মাসুদুল হক, পৃষ্ঠা-১১১)

এ তো গেল অন্য বিষয় এবার আসা যাক। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী নতুন বাংলাদেশের কে হবেন সর্বেসর্বা প্রসঙ্গে -

প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের আরেকটি স্বাক্ষাতকারের কিংদাংশ জেনে নেয়া যাক।

আব্দুর রাজ্জাককে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাজউদ্দীন আহমদ শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী হবার জন্যই এই ষড়যন্ত্রটি করেছিলেন?

আব্দুর রাজ্জাক : আমার ধারণা, তিনি মনে করেছিলেন বঙ্গবন্ধু আর ফিরে আসবেন না। সুতরাং তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধের নায়ক হিসেবে থাকবেন। এবং এই বুদ্ধিটি অন্য জায়গা থেকে দেয়া হয়েছিল।

প্রশ্ন : বুদ্ধিটা কে দিয়েছিলেন?

আব্দুর রাজ্জাক : আমার ধারণা, আওয়ামী লীগের আমিরুল ইসলাম অথবা আরও কেউ এর পেছনে ছিলেন।

প্রশ্ন : সেটা কি আঁচ করতে পেরেছিলেন?

আব্দুর রাজ্জাক : পরবর্তীকালে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে তারা আমেরিকান লবির লোক। আর এই আমেরিকান লবি কিভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধকে দেখেছে, সে তো বুঝতেই পারেন। এবং আজ আমার কাছে এটা পরিষ্কার যে, তারা প্রথম থেকেই চেষ্টা করেছে বঙ্গবন্ধু এবং তাজউদ্দীন আহমদের মধ্যে মতপার্থক্য সৃষ্টির মত পার্থক্যটা প্রথমে ওখান থেকেই শুরু হয়।

প্রশ্ন : এখানে প্রচার আছে যে তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে আমেরিকার কোন সম্পর্ক ছিল না। এটা কিভাবে সম্ভব?

আবদুর রাজ্জাক : এখানেই কথা। তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে তখন আমেরিকার কোন সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু এই ব্যক্তিকে- এই আমিরুল ইসলামকে তিনি চিনতে ভুল করেছিলেন। তারপরেই এখান থেকে তার সঙ্গে (তাজ উদ্দীন আহমদ) আমাদের চরম সতানৈক্য শুরু হয়ে যায়।

প্রশ্ন : মঈদুল হাসান তার মূলধারা ‘৭১’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, আপনারা অর্থাৎ মুজিব বাহিনী নেতারা নাকি এই রকম প্রচারণা চালিয়েছেন যে, তাজউদ্দীন আহমদ অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী থাকলে দেশ স্বাধীন হবে না। তাজউদ্দীন আহমদ শেখ মুজিবের গ্রেফতার হবার কারণ?

আব্দুর রাজ্জাক : তিনি একজন বিভ্রান্ত মার্কসবাদী এটা প্রমাণিত এবং আজকেও হচ্ছে। এক সময় মার্কসবাদী ছিলেন। ছাত্র ইউনিয়ন করতেন এবং কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরবর্তীকালে যা দেখা যাচ্ছে তাতে তো তিনি বিভ্রান্তই বটে। তাজউদ্দীন আহমদের ওপর ভর করেছিলেন। তাকে দক্ষিণ দিকে নেয়ার চেষ্টা করেছেন। ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলামের মতই তিনি একজন মঈদুল হাসানের পরিচয় তো এখন পরিষ্কার আমাদের কাছে যে তিনি আমেরিকান লবির লোক। দক্ষিণপন্থী লবির লোক। যদিও ভাব-ভঙ্গিটা প্রগতিশীল। এ রকম অনেকেই কিন্তু ধরা পড়েননি। যেমন এনায়েতুল্লাহ খান বহুদিন ধরা পড়েননি। এখন তো পরিষ্কার এ ধরনের মার্কিনপন্থী কমিউনিস্ট বাংলাদেশ অনেকেই আছেন। তার মধ্যে মঈদুল হাসানও একজন। তিনি তাজউদ্দীন আহমদের ওপর ভর করেছিলেন। তাজউদ্দীন আহমদ ও বঙ্গবন্ধুর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টিকারীদের মধ্যে তিনিও একজন। মঈদুল হাসান ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম এরাই মূল ভূমিকা পালন করেছেন।


প্রশ্ন : স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন মুজিব বাহিনী সদস্যরা আওয়ামী লীগ বিরোধী এবং কমিউনিস্টদের হত্যা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আপনি কি বলেন?

আব্দুর রাজ্জাক : এ অভিযোগ সঠিক নয়। আমরা কমিউনিস্টদের হত্যা করার নির্দেশ দেইনি। আমাদের চারজনের বৈঠকে এ ধরনের কোন প্রশ্ন ওঠেনি। কোন সিদ্ধান্ত নেবার প্রশ্ন আসলে আমাদের চারজনের বৈঠক হতো। হ্যাঁ, আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল যদি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের বাহিনী আমাদের ওপর আক্রমণ করে তাহলে প্রথমে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করবো। এড়াতে না পারলে প্রতিরোধ করবো। কিন্তু কমিউনিস্ট বাহিনীর সঙ্গে কোন সংঘর্ষ হয়নি। আর কমিউনিস্ট বাহিনী তো ভেতরে ঢুকতেই পারেনি। আমাদের বাহিনী ট্রেনিং নিয়ে নিচ্ছে। কমিউনিস্ট বাহিনী আসলে যুদ্ধে যেতেই পারেনি। আমাদের বাহিনী ট্রেনিং নিয়ে ভেতরে ঢুকছে। কাজ কেবল শুরু করেছি। আমরা তা সর্বাত্মক যুদ্ধ করতে পারিনি। আমাদের পরিকল্পনা ছিল- মুজিব বাহিনী প্রথমে ভেতরে ঢুকবে। তারপর অন্ত্রশালা তৈরী করবে। এরপর আশ্রয় গড়ে তুলবে। তারপর সংগঠন গড়ে তুলবে,- মুজিব বাহিনীর সংগঠন। এরপর থানা কমান্ডার করবে। থানা কমান্ড করার পার প্রথম কার্যক্রমটা হবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সহযোগী অর্থাৎ রাজাকারদের ওপর হামলা চালাবে, তাদের সরবরাহ লাইনের ওপর হামলা চালাবে। গেরিলা কৌশল ওদের দূর্বল করে দেবে। সর্বশেষ হলো, ওরা যখন দূর্বল হয়ে পড়বে, তখন পাকবাহিনীর ওপর আঘাত হানো। আমরা তখন এ কাজই করছি। প্রাথমিক কাজ আমাদের মোটামুটি হয়ে গিয়েছিল। সংগঠন আমাদের গড়ে ওঠেছিল। আমাদের রিক্রুমেন্ট হয়ে গিয়েছিল। আমাদের ট্রেনিংপ্রাপ্ত সদস্যরা যেখানে যেতে পেরেছে, সেখানেই থানা কমান্ড হয়ে গেছে। আমরা জনগণের সাথে মিলে যুদ্ধ করছি। কিছু কিছু রাজাকারও খতম হচ্ছে। কিন্তু মুল জায়গাটা মানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সামনে না পড়লে, যুদ্ধ করিনি। দু’চার জায়গায় সামনে পড়েগেছি, লড়াই হয়েছে। আমরা তো যুদ্ধ শুরুই করিনি। আমাদের তো পাঁচ বছরের পরিকল্পনা। প্রথম বছরে কি করব, তৃতীয় এবং চতুর্থ বছরে কি করবো। তারপর সরকার গঠন করবো। এই ছিল আমাদের সামগ্রিক পরিকল্পনা। আমরা যদি সফল হতাম তাহলে কোন ঘাস থাকতো না, আগাছা ধাকতো না। সমাজদেহ থেকে আগাছা উপড়ে ফেলতাম। প্রতিবিপ্লবীর থাকতে হতো না। মটিভেট হয়ে এদিকে আসতে হতো। নচেৎ নিশ্চিহ্ন হতে হতো।

প্রশ্ন : তার উদ্দেশ্যটা কি ছিল বলে মনে করেন?

আবদুর রাজ্জাক : ইতোমধ্যে আমি খবর পেয়ে গেছি যে তিনি ট্রটস্কি লাইন অনুসরণ করছেন এবং ভারতে যতদিন ছিলেন, যুদ্ধে তিনি যাননি। কলকাতাতেই অধিকাংশ সময় ছিলেন। ওখানে তার যে ক্যাম্প ছিল- শিলিগুড়ির পাংগা ক্যাম্প, সে ক্যাম্পেই ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম ওরফে মার্শাল মণি আর মান্নানকে দায়িত্ব দিয়ে তিনি এসে কলকাতাতেই থাকতেন। কলকাতায় কোথায় কি করতেন, কাউকে জানতে দিতেন না। পরবর্তীকালে খবর পাওয়া গেল তিনি নকশালদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এসইউসি’র (সোসালিস্ট ইউনিটি সেন্টার) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। জয়প্রকাশ নারাণয়, (সোসালিস্ট নেতা) যিনি মুখে বলতেন সমাজতন্ত্রের কথা, আসলে দক্ষিণপন্থী লোক ; তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। এসব খবর পরবর্তীকালে পেয়েছি।

অথচ এই সিরাজুল খান আর আমাকে ডেকেই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “অস্ত্র জমা দিও না সব। যেগুলোর রাখার দরকার সেগুলো রেখে দাও। কারণ, সমাজ বিপ্লব করতে হবে। প্রতিবিপ্লবীদের উৎখাত করতে হবে। সমাজতন্ত্রের দিকে যেতে হবে।” এটা আমাদেরকে পরিষ্কারভাবে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন। (১৯৮৯ সালের ২ জুন প্রদত্ত আব্দুর রাজ্জাকের সাক্ষাৎকার, পৃষ্ঠা-৮৯, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের’ এবং সিআইএ, মাসুদুল হক)

আমাদের বিরুদ্ধে তো অনেকেই অনেক কথা লিখেছেন। যেমন অধ্যাপক আবু সাঈদ লিখেছেন, ‘ফ্যাক্টস এ্যান্ড ডকুমেন্টস’- নামে একটি বই। আমাদের বিরুদ্ধে যিনি যেখানে যা বলেছেন, সেটাই তার ‘ফ্যাক্টস এ্যান্ড ডকুমেন্টস’- এ স্থান পেয়েছে ; বইটা তার নিজস্ব মতামত নয় এবং তা সত্য কি মিথ্যা সেটা যাচাই করেননি। কেউ যাচাই করছেনও না। যেমন ধরুন, আমি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী। ভিন্ন রাজনৈতিক দলের যারা, আমাদের রাজনীতি তাদের অপছন্দ। তাদের একজন আমাদের সম্পর্কে কিছু লিখলেন এবং সেটাই ফ্যাক্ট হয়ে গেল, এটা তো ঠিক নয়। যেমন আপনি আজকে আমাকে কিছু প্রশ্ন করেছেন যাচাই করার জন্য, এই যাচাই তো কেউ করেন না। আমাদের দুর্ভোগ্য, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে লেখালেখি হচ্ছে এটা কি ঠিক? আজকে যাদের বয়স উনিশ, তারা তো বাংলাদেশের সত্যিকারের ইতিহাস জানলো না। কারণ, যে যা লেখেন সেখানে নিজেকে মুখ্য করেই লেখেন। এতে সত্যিকারের ইতিহাস হারিয়ে যায়।

(তথ্য সুত্র- শেখ মুজিবের রাজনৈতিক অস্থিরতা ‘র’- সিআইএ মুখোমুখি)
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৫:২৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×