somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সেনাবাহিনী প্রসঙ্গ (অন্তরালে???)

২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের সেনাবহিনী তাদের মানবতাবোধ ও কর্তব্যনিষ্ঠার জন্য পৃথিবী বিখ্যাত। জাতিসংঘ মিশনে অংশ নিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করছে। মানবাধিকার রক্ষার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আমাদের প্রশিক্ষিত সৈনিকরা অবতার রূপে আভির্ভূত হচ্ছে।যে সকল দেশ জ্বরা দুর্ভিক্ষে জর্জরিত তাদের পাশে আজ আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানরা। যুদ্ধ বিধ্বস্ত অঞ্চলে জীবনের ঝুকি নিয়ে উদ্ধার করছে অসহায় বিপন্নদের। এজন্য বিশ্ববাসী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে শ্রদ্ধাবনত চিত্তে স্বরণ করে। মুক্তিযুদ্ধে তাদের অবদান অসামান্য। দেশ বিদেশে এমন অসামান্য অবদানের জন্য বাঙালি জাতি এ বাহিনীর জন্য গর্ববোধ করে।সাধারণ মানুষের মধ্যেও শ্রদ্ধাবোধ সবসময় কাজ করে। কিন্তু ব্যতিক্রম হল পার্বত্য চট্টগ্রামে। এ দুর্গম অঞ্চলে কঠোর পরিশ্রমকরেও তারা নির্যাতন কারী হিসেবে ধিক্কার পেয়েছে। তারা নির্যাতনকারী কারন - তারা এ অঞ্চলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের অবাধে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করতে বাধা দেয়। কারন তারা চাদাবাজীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায়।কারন তারা জুলুম সহ্য করে না। কারন তারা মানবাধিকার রক্ষায় তৎপর। কারন তারা নির্বিচারে হত্যা, গুম, অপহরণে বাধা হয়ে দাড়িয়েছিল। কারন তারা মাদক চোরাচালান বন্ধকরে দিয়েছিল। কারন এ অঞ্চলকে নাগরিক সুবিধা দিতে শুরু করেছিল। সর্বোপরি তারা পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভালবেসে উন্নত করতে চেয়েছিল।এতসব কারনে এখানকার সন্ত্রাসীরা তাদের অপকর্ম চালাতেগিয়ে প্রতিনিয়ত বাধাগ্রস্ত হতে থাকে। আর তার জন্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে অন্ধকারের সম্রাটরা। শুরু হয় তাদের বিরুদ্ধে কালিমা লেপন। বানানো কিছু অভিযোগের মাধ্যমে আন্দোলন শুরু হয়। বাংলাদেশ সরকার এখান থেকে সকলঅস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহার করে নেয়। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি মিথ্যা কালিমাকে যেন মেনে নেয়া হল। জাতির কাছে প্রশ্ন হল সেনাবাহিনী সড়িয়ে নেয়ার মাধ্যমেকারা সুবিধা পেল? র‌্যাব মোতায়েনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের অর্থ কি? কি উদ্দেশ্যেঅভয়ারণ্য নিশ্চিত করা হল? নিরাপত্তা বাহিনী সড়িয়ে দিয়ে সায়ত্ব শাসিত নতুন কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রহচ্ছে এখানে? নাকি একক আধিপত্য কায়েমের অপচেষ্টা এক ধাপ এগিয়ে গেল? যথাযথ কর্তৃপক্ষ এখুনি পদক্ষেপনা নিলে সাম্প্রদায়িক দাঙাগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামকে কোথায় নিয়ে যাবে তা সময়ই বলে দেবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতিঘর (Lighthouse)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৬



বাতিঘর (Lighthouse)

বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন

×