আজকের এই রাতে প্রচন্ড কান্না করেছিলে আমাকে দেখার জন্য। পহেলাবৈশাখে সকাল থেকে সন্ধ্যা প্রজন্ত তোমার আলতো হাতে আমার হাতে হাত রেখ ঘুরবে বলে। কিন্তু তোমার সেই চাওয়ার মুল্যে আমি তখন দেইনি কিংবা বুঝতেও চেস্টা করিনি। অবশ্য পরের প্রতিটি বৈশাখে প্রথম দিনটি আমরা কত যায়গাতে ঘুরেছি। আচ্ছা তোমার কি মনে আছে__ সকাল বেলায় নিশেধ করেছিলে যেন আমি রুমের বাহিরে না বের হই, কেউ যদি আমার গায়ে রং লাগিয়ে দেয় এই ভয়ে তুমি কি ভয়টাই না করেছিলে। তোমাকে যখন চরকিতে আমার পাশে বসায় আকাশ ছুতে চেয়েছিলাম তখন তুমি কি ভয়টাই না করেছিলে। আমার খুবি ভালো লেগেছিল যখন চিতকার করে ভয়ে আমাকে জড়ায়ে ধরেছিলে।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে এখন যার কাছে আছো সেও কি তোমাকে দেখার জন্য আমার মতো ট্রেনে সিট না পেয়ে দাড়িয়ে ৫০০/৬০০ কিমি রাস্তা পারি দিয়ে তোমার সামনে সেই মুচকি হাসি দিয়ে তোমার চোখে চোখ রেখে বলে কেমন আছ!
খুব জানতে ইচ্ছে করছে তোমার নুতুন মানুষটির জন্য কি আমার পছন্দের সেই খিচুড়ি ভুনা করে রেখেছো। আচ্ছা সেও কি খিচুড়ি ভুনা পছন্দ করে।
তুমি সবসময় আমাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে আর আমি কেরিয়ার নিয়ে ভাবতাম, তোমার বিয়ের কথা শুনে কত বকেছি আর তুমি আমার বকুনি শুনে কি কান্নাকাটি না করতে।
আজ তুমি নেই তাই তোমার মুল্য আমি হারে হারে অনুভব করতেছি।
সময় থাকতে তোমাকে কাছে নিতে পারিনি তাইতো আজ একাকিত্বের যন্ত্রণা নিয়ে বেচেঁ আছি।
এই বৈশাখে তোমাকে একটা মাটির ব্যাংক দিয়েছিলাম সেটা কি এখনো আছে? আচ্ছা আমার দেয়া কি পাখির খাচাটা এখনো আছে?
তোমরা কি আজ সারা রাত ফোনে কথা বলবে?
তুমি কি এখনো সেই আগের মতোই আছো?
তুমি কি ফোনে এখনো ঝগড়া কর?
তুমি কি এখনো চান্দু বলে কাউকে ডাকো?
তোমার জন্য কেউ কি নুতুন চুড়ি নিয়ে আসবে?
ভালো থাকিস! অনেক ভালো!.…………

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

