
টপিকঃ
স্টার্ট করে চাঁদগাজী
এই দিনু নমুনা;
তোমরাই ভাবো বাপু
আমি কিছু কমুনা।
চাঁদগাজী কমেন্ট ১ঃ
কি কারণে উনি কিছু ব্লগারকে 'সেরা' মেরা নাম দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন।
এদের অনেকে অনেক ভুল ধারণার ুপর গরুর রচনা লিখে সেরা মেরা হয়ে যাচ্ছে? এসব বাদ দেন; সব ব্লগারকে উৎসাহিত করেন।
টোকাইঃ
নয়া যারা তারা জানে
আপুনির মহিমা;
তাইতো এ হৃদয়েতে
প্রিয় নাম শায়মা।
আপু তুমি চিরসখা
নবীনের তরে;
রাণী সেজে বসে আছো
হর অন্তরে।
প্যারা দুটো পড়ে ভায়া
বুঝে নাও সবটা;
আপু ছাড়া পুরো ফাঁকা
সামুর এই ব্লগটা।
উৎসাহ দিয়ে ভায়া
যদি ট্যাগে নেমপ্লেট;
কেনো ভায়া ভুল বুঝে
ভাবো গড়ে সিন্ডিকেট??
দিনদিন আপুনিটা
হচ্ছে যা পপুলার;
আমি ভাবি দুই রাণী
খাবে শিউর ভোটে মার।
চাঁদগাজী কমেন্ট ২ঃ
এই রকম অনেকে এসেছিল ব্লগে, পাম পট্টি দিয়ে সিন্ডিকেট করে বেড়াতো, এখন নেই!
ব্লগারেরা ভালো করলে ভালো লেখক তৈরি হবে; সিন্ডিকেট করলে অনেকেই হতাশ হয়।
টোকাইঃ
চুপি চুপি বলি ভায়া
যা বলেছো সত্য;
এফবিআইয়ের কাছে
আছে একি তথ্য।
কেজিবিরও সাসপেক্ট
মোসাডের এজেন্ট সে;
দল গড়ে ব্লগ ভাঙ্গে
গোপনে 'র' করে পে।
আইএসেরও সাথে নাকি
আছে তার দহরম;
তালিবানে মিটিংয়েতে
যায় প্রতি মহরম।
জঙ্গি কানেকশনও
তার বেশ শক্ত;
শিবসেনা উগ্ররা
তার মহা ভক্ত।
দলবাজি সিন্ডিকেট
সব করে তলে তলে;
হুজিদের সাথে তার
মহাভাব গলে গলে।
কি যে তার ইনটেন্স
আজো নয় পষ্ট;
মনিটর করি তারে
বুঝলে ভায়া কেষ্ট??
মঞ্চে শায়মার আগমনঃ
ধ্যাৎ ভাইয়া তোমার মত বোকার হদ্দ ভাই
এইটা নিয়ে কেমনে আমি লড়াই করতে যাই?
দেখলে যখন সর্ষে চোখেই পাটনা তুলে নিয়ে
বাটনাটুকু চাঁদভাইয়ার চোখেই মেখে দিয়ে/দিলে।
দেখতে তখন সর্ষে নাচন ঠিক কাহারে বলে
চাঁদভাইয়া ধিতাং ধিনা নাচত তালে তালে।
তারপরেতে টুকরা করে লবন মরিচ মেখে
স্বাদটা ঠিক হলোই কিনা দেখতে কাঁচা চেখে।
চুলোয় দিয়ে ঢিমে আঁচে একটু খানি রেখে
সর্ষে চাঁদের ঝোলটা কেমন আবার দেখতে চেখে।
সব ঠিকঠাক রান্না হলে দাওয়াৎ দিতে আমায়
চাঁদভাইয়া রান্না কেমন পদক দিতাম তোমায়।
এতদিন খেয়েছিলাম স্বাদের সর্ষে-ইলিশ
চাঁদসর্ষে খেলেই তবে সব ফুরাতো নালিশ!
নিশ্চয় তা তিতাই হতো ভাইয়া যেমন তিতা!
ওয়াক থু থু ভেবেই আমার ঘুরছে এখন মাথা!
টোকাইঃ
হেসে আমি কুটিকুটি
দেখে তোমার রেসিপি;
দক্ষ হাতে করলে যেন
চাঁদ ভায়ার বায়োপসি।
সর্ষে ভর্তা করে
পাঠালে যে মর্গে;
বিরাট এথেইস্ট সে
যাবে নাকো স্বর্গে।
বিভৎস প্রতিশোধ
তুমি বড় ডেয়ারিং;
লোমহর্ষক বর্ণনা
ব্লগে কর শেয়ারিং !!!
মেরেই ক্ষান্ত নও
নুন মেখে চাখা চাই;
ডরে কাঁপে বুক মোর
দোয়া ফুঁকে চাপরাই।
হাসতে হাসতে তুমি
করতে পারো খুন;
ভুল হলে ক্ষমা চাই
তুমি মোর বোন।
শায়মাঃ
সকালেতে উঠে আমি মনে মনে বলি
যাই ভাইয়ার পোস্টে দিতে কিছু গালি।
নানা ভাইয়ু ডোন্ট ওরি দ্যাটস নট ফর ইউ
ইউ নো, কতখানি আই লাভ ইউ ইউ!!!!!!!
গালাগালি মারামারি গাঁজীভাইয়ার সাথে
চলিবেক হরদম সকাল বা রাতে
তোমার এই গাডু মাথা শয়তানী দিয়ে
ভাইয়াটা ভরালো , দূর করি কি দিয়ে!
আমি এক মহারানী জানতো যে ভাই
সেই বলে আমি নাকি জঙ্গী এস নাই!
না না কিছুতেই এ মানা যায়না।
না দেখিয়ে মজা আমি খানা আর খাইনা!
টোকাইঃ
জেন্টেলম্যানের সাথে
কেনো এই আচরণ!
বুঝিনাকো তোমার ঐ
পৈশাচিক ব্যাকরণ!!
গাজী ভায়া টিপটপ
নিপাট ভদ্রলোক;
আর কত করবেগো
খিস্তি ঝামটা মুখ।
ভুল কিবা আছে তাতে
বলেছেন সত্যি;
সত্যটা শোনে বুঝি
জ্বলে যায় পিত্তি।
সুপারি দাও যে তার
ভাড়া কর গুন্ডা;
লাখ টাকা দিয়ে বলো
চাই তার মুন্ডা।
সারাদিন আড্ডাতে
বসে গেলো ছাইপাশ;
গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে
চাঁদাবাজি সন্ত্রাস।
আফসোস হয় ভেবে
গেছো পুরো বখে;
ভালো-মন্দের তফাৎ
দেখোনা যে চোখে।
শেষবার বলি শোনো
ভালো হয়ে যাও বাপু;
চাঁদ ভায়ার কাছে গিয়ে
ক্ষমা চাও কাঁপু কাঁপু।
শায়মাঃ
যে তোমার আপুটিকে
কিছু মিছু বলেছে
আমার এ ভালোবাসা
যার বুকে জ্বলেছে।
ছুড়ে মারো তার দিকে
ঠিক করে তাক।
যে যাই বলুক বা
বলে যদি থাক।
থামাথামি কিছুতেই
কখনও চলবেনা
ওরে বাবা আমি উইক
ইটা তুলতে পারবোনা।
এই সব ভুংভাং
সব তুমি ছাড়ো
ইটা খানা সোজা তুলে
তার দিকে মারো।
না যদি পারো তবে
খবর আছে তোমার
একটা ইট পারবেনা???????
রক্ষা নাই তোমার!!!!!!!!
টোকাইঃ
তোমার ঐ নির্দেশ
ফেলতে তো চাহিনি;
এইবার শোনো তবে
ঘটা মূল কাহিনী।
অসুস্থ শরীরেতে
অমানুষি কষ্টে;
ইটখানা ঘাড়ে তুলি
হাতে পায়ে ঘষটে।
সাত মাইল পায়ে হেঁটে
দেখা মেলে চাঁদগাজী;
জানতুম না যে কভু
সে যে তলে এত পাজী!!!
আমি মারা দুরে থাক
ধরে মোরে উল্টা;
ধুম ধুম দিলো লাথি
ধরে টেনে চুলটা।
মাথা দিলো চক্কর
পড়ি মুখ থুবরে;
সারা গায়ে দমাদম
মরি আহা উফরে!!
মার খেয়ে অজ্ঞান
তবু ইটা ছাড়িনি;
চেষ্টা অনেক করি
তবু ছুড়তে পারিনি।
জলপানি ছিটা মেরে
ফেরালো যে হুশ;
চাঁদু লাল জবা চোখে
করে ফোঁস ফোঁস।
এতো বড় কলজে
আমায় এসে মারবি!!
পুরো সাইজ করে দেব
শায়মাকে গিয়ে বলবি।
দাঁড়া যাচ্ছিস কোথা
আরো দুটো খেয়ে যা;
ঘুঁটের এই মালাখানা
শায়মার জন্য নিয়ে যা!!!
শার্টটাও খুলে নিলো
বাকী ছিলো প্যান্টটা;
হাঁচড়ে পাঁচড়ে ছুটে
বাঁচে এই জানটা।
ডাকতার বলে দিলো
দুইমাস বেডরেস্ট;
মালাটা করেছি পোষ্ট
পেলে দিও ফোনে টেক্স্ট।
শায়মাঃ
এহ-হে রে শখ কত
নিজে ভীতু হাদা রাম
ভয়ে কাঁপে হাত পা
নাম্বার ওয়ান গাধারাম!!!!!!
এত জানে ধুকপুক
ভাগ তাইলে গাধা
হারমোনিয়াম নিয়ে গলা
সাধ
সা রে গামা পা ধা।
গান শুনে চাঁদভাইয়ার
চমকে যাবে পিলে
ভাইয়া তখন এক মিনিটে
কাঁচাই খাবে গিলে।(তোমাকে
যেমন তোমার হেড়ে গলা
শিয়াল যেন হাঁকে
কাঁক চিলেরাও পালিয়ে যাবে
সেই সুমধুর ডাকে।
কানে কানে বলি ভাইয়া
সেটাই হবে শিক্ষা।
চাঁদভাইয়ার আমার নামে
বদনামীর দীক্ষা।
প্লিজ ভাইয়া আমার জন্য
একটু নাহয় মরো
চাঁদভাইয়ার মোটকু পেটে
ঢুকেই এবার পড়ো।
টোকাইঃ
বাদ আর রাখলে কি
কর তুই তোকারি;
ছড়া ছলে জাত নিয়ে
কর কত জোকারি।
এতদিন যা দেখেছি
চাঁদ ভায়া ভালো লোক;
সত্য বলেছি বলে
হিংসেতে পুড়ে খেলে শক।
ছিমছাম জীবনেতে
ঝামেলা চলি এড়িয়ে;
হলিডেতে তার সনে
ফ্রী তে আসি বেড়িয়ে।
হাসি খুশী কত মজা
ফাও দেখি সিনেমা;
তাই দেখে জ্বলে মরে
হিংসুটে শায়মা।
যত পারো ফুসলাও
এসবেতে নেই আমি;
চাঁদ ভায়ার সাথে কভু
করবনা বেইমানী।
শায়মাঃ
আসছেন আমাদের চাঁদগাজী সরকার
রাজনীতি কারবার তাকে দেখানো যে দরকার।
এত বকা খেয়েও তার শিক্ষা না হলো!!!!
মাই গড এখন তারে কি করি বলো?
@ চাঁদগাজী ভাইয়া
তোমার কাজ কি নেই খাইয়া?
সারাদিন এর ওর ব্লগে ব্লগে গিয়ে
যাকে তাকে যা ইচ্ছা বলছো যে গিয়ে
নো ভাইয়া মোটেও এ স্বভাবটি ভালো না
পজিটিভ কথা বলা শিখে তুমি ফেলো না।
নইলে যে খেপেছেন পুরা ব্লগ জাতি
ভয়ে মরি এখন কি হবে তোমার গতী!
টোকাইঃ
বীর মরে একবার
কাপুরুষ বারবার;
নামেইতো তিনি গাজী
ব্লগেও মোটে নয় লেজি;
কে কি বলে তাতে তার
কিছু যায় আসেনা;
জেনেই লড়েন তিনি
অনেকে ভালবাসেনা।
চাঁদ ভায়া বীর তুমি
যাও দৃঢ়ে এগিয়ে;
আমি আছি ভেবোনা
দিমু সব ভাগিয়ে।
(এহেম এহেম ভায়া
ছাড়োনা কিছু ট্যাকশ;
ঘাম ছুটে আধা মরা
মোটে দিলে একশ !!!)
এরপরি শায়মাপু
লড়াইয়ে দিলো ক্ষান্ত;
দু'জনের কোল্ডওয়ার
তারপরে শান্ত।
উৎসর্গঃ
এ কদিনে কতজনে
কত কিছু লিখেছে;
কারোবা কমেন্ট ডিলিট
কেউ ব্লক খেয়েছে।
কেউ করে গালাগালি
কেউ করে আক্ষেপ;
যেভাবেতে টানাটানি
মনে হলো গ্যাং রেপ।
কত ঝড় গেলো তার
মাথা দিয়ে আহারে;
চাঁদগাজী ভালো লোক
ডেডিকেট তাহারে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




