বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের উপ-সর্বাধিনায়ক আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী এ.কে. খন্দকারের লেখা বই "১৯৭১ এর ভিতর বাহির" নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী-এম.পিরা জাতীয় সংসদসহ সব জায়গায় সমালোচনার ঝড় তুলেছেন।
কেউ বলছেন লেখকের মাথা খারাপ হয়েছে, কেউ বলছেন বয়স বেশি হয়েছে তাই কিছু মনে নেই, অন্যের প্ররোচনায় লিখেছেন, তিনি কিছু জানেন না আবার অনেকে বলছেন লেখক নাকি ইতিহাস বিকৃত করছেন।
এসব সমালোচনার একমাত্র কারন তিনি বলেছেন মুজিব ৭ মার্চ "জয় পাকিস্থান" বলেছেন এবং স্বাধিনতার ঘোষক বলেছেন শহীদ জিয়াকে।
এর পুর্বে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কিছু একটা বলাতে প্রয়াত সাংবাদিক এ.বি.এম মূসাকেও এমন অনেক কথা বলা হয়েছিল।
এ থেকে কি একথা স্পস্ট নয় যে, বর্তমান সরকার সমগ্র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে আওয়ামী ও শেখমুজিব কেন্দ্রিক করে ফেলছে??
তারা আওয়ামী লীগ ও তাদের পিতা শেখ মুজিবকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সত্যতা যাচাইয়ের কষ্টিপাথর মনে করছেন।
অর্থাৎ যারা ইতিহাস বিকৃত করে আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবের প্রশংসা করে ইতিহাস রচনা করবেন তাদের ইতিহাস সঠিক এবং তারা ভালো জানেন হোক সে পাকিস্থানী সৈন্যদের মুরগী সরবরাহকারী অথবা যুদ্ধের সময় পাকিস্থান সরকারের বেতনভুক্ত কর্মচারী (যেমন শাহরিয়ার কবির, মখা আলমগীর, জাহনারা ইমাম) আর সঠিক ইতিহাস রচনা করতে গিয়ে যদি আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবের সামান্য বিরোধী কিছু লেখা হয় তাহলে সে হয়ে যায় বিকৃত কারী পাগল হোক সে বীর মুক্তিযোদ্ধা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।