somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক
প্রভাবপ্রতিপত্তি আজীবন থাকে না। প্রতারকরাও প্রতিরিত হয়। ক্ষমতাচ্যুত হলে ক্ষমতাসীনের কী হবে? কবর অথবা শ্মশানে প্রতিদিন মৃতসৎকার হয়। ©_Mohammed Abdulhaque [www.mohammedabdulhaque.com]

সত্য প্রেম (উপন্যাস) পৃষ্টা ৫৯-৬২

২৭ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



নীলা… ‘চাষার মনে লোভ থাকে না। দিনমান কাজ আর কাজ, বৈশাখে ঝড় আসে। কাঁচা আম ঝরে পড়ে। তবুও চাষা মনানন্দে হালচাষ করে। ভাত তো খেতে হবে।’
আনীল… ‘ও মন তুই হালচাষ শিখ, সোজা পথে হেঁটে স্বর্গে যেতে পারবে।’
নীলা… ‘বিশ্বাসের নায়ে বিশ মণ ভার দিলেও ভরাডুবি হয় না।’
আনীল… ‘ভাগ্য যখন আছে তখন নিশ্চয় সু হবে। সচ্চিন্তায় ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়। বিশেষে বিশেষ্য আমি বিশিষ্ট ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য আছে।’
নীলা… ‘তুমি নিশ্চয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানুষ?’
আনীল… ‘হে গরবিনি, তুমি আমাকে গরিষ্ঠ করেছ গরীয়ান। গরিমার হিসাবে গরমিল করে তুমি গরিবিয়ানকে করেছ গাড়োয়ান।’
নীলা… ‘ভালোবেসে বিশ্বস্ত হতে হলে সহজ মনে ভালোবাসতে হয়। ভালোসাবার পথ খুব সরল, তাই না?’
আনীল… ‘হ্যাঁ, লাভে লোভ থাকে। আমি বিশ্বাস করি কামগন্ধে কামুকরা কামান্ধ হয়।’
নীলা… ‘চোট্টা বন্ধে কুলটা করেই ছাড়বে। অবলা কুলটা হয় কামজলে, আমি কুলটা হব চোখের জলে, হায়রে বন্ধু উরে টেনে কুলটা করলে আমারে অধরমধু গিলিয়ে।’
আনীল… ‘সর্বনাশ হয়েছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে অনিল আমার গলায় দা লাগাবে।’
নীলা… ‘কী হলো?’
আনীল… ‘আমার হীরামন পাখিরে, ফাঁকি দিয়ে তুই উড়ে গেলে পিঁজরা ভেঙে।’
নীলা… ‘চিন্তার কারণ নেই। কাউকে কিছু বললে মনে মনে বলবে, আমার কথা তুমি শুনবে না। কিছু করলে মনকে বলবে, তুই ভালো কিছু করতে পারিস না। ব্যাস পলকে মন ভালো হবে।’
আনীল… ‘বুঝেছি, ছিপায় পড়ে চ্যাপ্টা হয়েছি। মনের কথা খুলে বলছি, কাজের কাজ হচ্ছে।’
নীলা… ‘উর্বর জমিতে জৈবসার দিলে ফলন ভালো হয়।’
আনীল… ‘অন্যের আনন্দে যারা আনন্দিত হয় ওরা সত্য সাধক।’
নীলা… ‘স্বপ্নের বাস্তবতা দেখতে চাই, আসো বাস্তবিক হই। শমদমে নাম জপে মন্তা মন জাপক হবে।’
আনীল… ‘মনে স্বস্তি থাকার কারণ বিশ্বাসে কোনো ভেজাল নেই। রাতে চাঁদ দেখে হালিরা ভোরে হাল জোড়ে।’
নীলা… ‘পরের উপকার করলে অপকার প্রাপ্য হয় নাকি?’
আনীল… ‘কেউ কথা শুনে না, কিছু বললে বা করলে মনোমতো হয় না।’
নীলা… ‘সবাই টাকা চায়। কেউ কয় টাকা গাছে গজায়, কেউ কয় টাকা বাজারে কিনতে মিলে। কেউ কয় আরে দূর, টাকা তো হাতের ময়লা। টাকার মালিককে কাবু করে কেউ হয় কুবের।’
আনীল… ‘টাকা কিনার জন্য অনেক চেষ্টা করেছি, কিনতে পারিনি।’
নীলা… ‘এক কেজি টাকার অনেক দাম, আজুরার জন্য কয়েক হায়ন কাজ করতে হবে।’
আনীল… ‘প্রতিপত্তিশালী হতে চেয়ে জেনেছি, টাকার প্রভাবে রক্ত নীল হয়, তা কি তুমি জানো?’
নীলা… ‘বাস্তবিক হয়েছি আমি স্বপ্নদর্শী ছিলাম। প্রভাবপ্রতিপত্তির অর্থ জানতে চাই না। বুড়ি হলেও লোকে মোরে অলোকসুন্দরী ডাকে। রক্ষিতা হতে চাইলে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিপত্তিশালীরা তালুক বিক্রি করবে।’
আনীল… ‘আঙরায় কামড় মেরেছি নাকি?’
নীলা… ‘আমি শুধু বলতে চেয়েছিলাম, কামুকরা কামগন্ধে কামান্ধ হয়। এক নারী নষ্ট হলে একটা জাতি ভ্রষ্ট হয়।’
আনীল… ‘আমি বিশ্বাস করি তুমি আমাকে পথভ্রষ্ট করবে না।’
নীলা… ‘তোমার প্রেমে পড়ে পাপিষ্ঠা হয়েছি।’
আনীল… ‘চাইলে আমার পিঠের চামড়া দিয়ে চাদর বানাতে পারবে।’
নীলা… ‘যারা আত্মপ্রকাশ করতে চায় ওরা কৌশলী।’
আনীল… ‘অনেকে আমাকে পাষাণ ডাকে, ডাকে পাথরের পাহাড়, আমি পিছন ফিরে তাকাই না, আমার চোখের পানি হিংসার আগুনে ভাষ্প হয়, আমি শুধু সেজদায় কাঁদি, আমি আবেগপ্রবণ হই না, আবেগের পাতে ভাত পড়ে না, মানসীকে ফাঁসির দড়ি উপহার দিয়েছি, ও জানে অভিমান করে লাভ হবে না।’
নীলা… ‘বিশেষ করে মাঘের বিকালে বৃষ্টির স্ফুলিঙ্গ হাতে মুখে পড়লে কলিজায় ছ্যাঁৎ করে উঠে দেহে থরহরি শুরু হয়। মাই গো মাই, মাঘমাসে যা ঠাণ্ডা পড়ে।’
আনীল… ‘চাঁদে নাকি পরী বিরাজ করে? কে যেন আমাকে কানে কানে বলেছিল, বাল্যকালে গল্প শুনেছিলাম, জোয়ান হওয়ার পর পরীর দেশে যেতে চাইলে অনেক কাঠখড় পুড়াতে হয়েছিল, ব্যর্থতা হয়েছিল পাওনা তবুও নিরাশ হতে পারিনি, দিবাস্বপ্নে পরীর মুখোমুখি হলে পরী মুখ ফিরিয়ে বলেছিল তুই তো রাতে চাঁদ দেখিস না, আমি তখন সুপ্রিয়ার দিকে অনিমিখে তাকিয়ে বলেছিলাম, তোমার রূপ দেখে পরীর হিংসা হচ্ছে।’
নীলা… ‘সহিংস এবং হিংস্র আচরণে সমাজ অসহায়। কামের কারণ বুড়ারাও কামার্ত হয়। আমি কি মিথ্যা বললাম?’
আনীল… ‘বুড়া হলে মন মরতে চায়, মৃত্যুর ভয়ে দিন দিন জোয়ান হচ্ছি।’
নীলা… ‘ভালোর কাছে মন্দও ভালো লাগে। তুমি একজন ভালো মানুষ। আমি এখন বয়সের ভারে বুড়ি হচ্ছি এবং আমার বয়স বাড়তে শুরু করেছে।’
আনীল… ‘সুপ্রিয়া, তোমার হাতে শিমফুলের মালা দিয়ে বলেছিলাম, জানি না আমি তোমাকে ভালোবাসি কি না তবে আমি বিশ্বাস করি, সংসারী হলে আমি তোমার সাথে বিবাহবদ্ধ হব। তুমি হেসেছিলে। আমি তখন বলেছিলাম, অন্যরা আশে এবং পাশে থাকে, আমি না হয় তোমার মনেই থাকলাম। মনের মানুষ মনেই থাকে। তুমি বলেছিলে, দোয়া করি সকলের অন্তর নিয়ন্ত্রিত হোক, আত্মা হোক প্রশান্ত। তা শুনে আমি বলেছিলাম, মতামতে উপকৃত হয়েছি কৃতজ্ঞ। তুমি তখন গম্ভীরকণ্ঠে বলেছিলে, আমি বিশ্বাস করি, আত্মা প্রশান্ত না হলে আমাদের মৃত্যু হবে না। আমাদের আত্মা শুধু তখন প্রশান্ত হবে যখন আমরা আল্লাহকে খুশি করতে পারব। আমরা নিজের অমঙ্গল করি। আল্লাহ আমাদের মঙ্গল করেন। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের পাপের কারণ আল্লাহ আমাদেরকে ধ্বংস করবেন না। পাপ করেও আমরা আল্লাহকে সেজদা করি। এমন সময় বাতাসে গানের সুর ভেসেছিল, সই লো, সোনা বন্ধে কলিজায় দাগা দিছে লো। জলের ছলে নদে গেলে চোখে জল ছলছল করে, সই লো। তখন তোমাকে মনের কথা বলার জন্য আমি কবিতাবৃত্তি করেছিলাম, কবিতার সাথে অনেকাগে দেখা হয়েছিল, ভাব জমাতে চেয়ে আমি চিন্তিত হয়েছিলাম। ভাবিনী বলেছিল ভাবুক হলে খালি ভুখ লাগে, আসলে কী হয়েছে আমি হাভাতে হতে চাই না।’
নীলা… ‘কিছু মানুষের হিতাহিতজ্ঞান এত কম যে তাদের কথাবার্তায় সাধারণ মানুষ বিত্রস্ত হয়। যাদের বুদ্ধিতে ঘুণে ধরে ওরা নিজের আত্মাকে অপমান করে। মানুষের বিবেক যখন বোকা হয় তখন সে বেপরোয়ার মত চলাফেরা করে আর বলে, আমি বুদ্ধিমান। আমি সব বুঝি এবং সব জানি।’
আনীল… ‘আমি যে সাপ নই তা সবাই জানে। আমি গর্তে ঢুকি না। আমি কবরে ঘুমাব, ব্যাস। আমি জানি আমি ঘৃণ্য এবং নগন্য এবং আমার মাবুদ হলেন অনন্য। আমি সাপ নই। আমি আদম সন্তান।’
নীলা… ‘বাঁশঝাড়ে ভুত থাকলে লাভ হয়। বাঁশের ফুল চুরি হয় না। চোররা ভূত ডরায় এবং বাঁশঝাড়ের মালিক হুশিয়ার থাকে।’
আনীল… ‘আমাকে বিরক্ত করার জন্য তিতরের ভূত এসেছে।’
নীলা… ‘নিশ্চয় বিরক্ত করছি?’
আনীল… ‘দাগ শুধু দগদগ হয়। জ্বলে কলিজা অলাত। এই দাগের দাগিকে দেখলে চিনতে সমস্যা হয় না। চিন্তার কারণ নেই, নির্জন নিরালায় বসে কাঁদলে নয়নজলে দগদগানি কমবে।’
নীলা… ‘ইষ্টিকুটুমরা নিয়ে যাবে বাসরে, আল্লাহ আমার অন্তরে, জানি ভয় হবে না আঁধারে।’
আনীল… ‘তান্ত্রিক হতে চাই না আমি ভাষাতাত্ত্বিক তথ্যে তাথ্যিক হতে চাই তাদাত্ম্য। তাদর্থ্যে আমি তাদৃশ বিদ্যায় বিদ্বান হওয়ার ব্রত করেছি।’
নীলা… ‘তুমি এমন কিছু এখনো করতে পারনি যা বলে অন্যকে খুশি করতে পারবে। তুমি নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। অন্যকে নিয়ে চিন্তা করতে শিখো। স্বকৃতে স্বীকৃত এবং সচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হলে স্বেচ্ছায় পরিচয় বলতে হবে না। অপরিচিতরাই তোমার সাথে পরিচিত হবে।’
আনীল… ‘আমি কলা খাই। পান্তা ভাতে নেশা থাকে। নিশাবেলা ঘর থেকে বেরোলে ভূতে জাঁতে। সখী তুমি একেলা নদীর ঘাটে এসো, নিরালায় বসে নিরিবিলি মনের কথা বলব।’
নীলা… ‘তত্ত্বাবধায়কের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ভুক্তভোগীরা বারংবার শাস্তি পেয়েছে। প্রেমের ঘাটে এক হায়ন ঘাটোয়ালি করেছি।’
আনীল… ‘বারমুখির মুখের কথায় সিদ্ধান্ত বদলাই না। আল্লাহ হলেন অন্তর্যামী, সবার অন্তরের খবর জানেন। তীক্ষ্ণ বা অন্তর্ভেদী কথায় কারো অন্তরে কষ্ট দেওয়া পাপ। যার অন্তরে ধর্মে আস্থা নেই, সে অন্তঃসারশূন্য। আস্তিকের আস্তাবলেও তার স্থান নেই।’
নীলা… ‘শুনেছি, আত্মশুদ্ধি হলে মন মন্তা হয় বিনয়ী?’
আনীল… ‘ব্যাপারীরা লাভ চায়, প্রলোভিত করতে পারলে লাভবান হবে।’
নীলা… ‘আমি বিপাকে আছি। অনেক সময় অনেক শব্দ চাইলেও উচ্চারণ করতে পারি না। সব বিষয় সহজবোধ্য হলে শ্রোতারা হাসে। কিছু বিষয় আছে দুর্বোধ্য রাখতে হয়। দুর্বোধ্য শব্দ জানার আগ্রহ বাড়ায়।’


প্রথম প্রকাশ ২০/১২/২০১৭
Copyright © 2017 by Mohammed abdulhaque
ISBN-13: 978-1982087326
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩২
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ শুধু আমরাই নেই আর আগের মত

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:০০




স্যোশাল মিডিয়ায় তুমি এখন জনপ্রিয় ফুড ব্লগার
এই আমি ছোট্ট শহরের সামান্য কানাই মাস্টার।

তোমার আছে বাড়ি, আছে গাড়ি বেড়াচ্ছো খাচ্ছো দেদার
আর এদিকে টিকে থাকবার, নিরন্তর প্রচেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যে-সব সাবেক চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা একেবারেই নাই

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২

এ দলটি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৪ সালে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৮ ও ২০২২ সালে তারা মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা! ছবি।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৮ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০০


কত দিন হয়ে গেলো....................


এ মাসেতো একটাও পোস্ট দেওয়া হলো না........................


ইদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম।







আজকের ছবি ব্লগে থাকছে সেই ছবিগুলো।








---------------------------------------------------






























... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

মেট্রোরেল পুরো বাংলাদেশের জন্য শান্তির বিষয়।
শুধু মেট্রোরেল না পদ্মাসেতুও। দারুণ এক কাজ হয়েছে। আগে মতিঝিল থেকে মিরপুর বা উত্তরা যেতে খবর হয়ে যেতো। তিন ঘন্টার বেশি সময় লাগতো। এখন মুহুর্তেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারণে অকারণে ছবি

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আমি ছবি তুলি। পরে সেগুলো দেখি। বেশ ভালো লাগে। ফোনের স্টোরেজ এ আজ দেখলাম মোট ছবি ৬৮৯৩ টি। ব্লগে কখনোই ছবি দিয়ে লেখা হয়নি। আজ মাইদুল ভাইয়ের লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×