somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক
প্রভাবপ্রতিপত্তি আজীবন থাকে না। প্রতারকরাও প্রতিরিত হয়। ক্ষমতাচ্যুত হলে ক্ষমতাসীনের কী হবে? কবর অথবা শ্মশানে প্রতিদিন মৃতসৎকার হয়। ©_Mohammed Abdulhaque [www.mohammedabdulhaque.com]

সত্য প্রেম (উপন্যাস) পৃষ্টা ৬৭-৭০

২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আনীল… ‘আমি কাউকে বেজার করতে চাই না, সমস্যা হলো কেউ আমাকে বুঝতে চায় না। আমি নতুন কিছু করতে চাই। মন যা চায় তা লিখে গাই। আমি কারো গান শোনে গান লেখি না। গানের কথায় সুর থাকে। তা আমি খোঁজে বার করতে চাই।’
নীলা… ‘হ্যাঁ , তোমার কলিজা তাজা আর আমার কলিজা অলাত।’
আনীল… ‘আমি হলাম আলাই, যার সাথে গলাগলি করি তার কলা গাছে আগুন লাগে।’
নীলা… ‘কে গো তুমি, কালির লগে ভাব জমাও ভাবভোলা হয়ে?’
আনীল… ‘মনে রাখবে, কলম ধরলে ছাড়া যায় না। তরবারি ছুঁড়ে ফেলা যায়।’
নীলা… ‘অনেকদিন হয়, তোমার সাথে গপসপ হয় না। আকাশে কি এখন চাঁদ দেখা যাচ্ছে? মনে এখন ঝড়োহাওয়া বইছে।’
আনীল… ‘স্বপ্ন একটা কল্পনা, আমি স্বপ্ন দেখি। আমি দশজনের একজন, মানে তত মোটা নই অথবা বেশি বেটে নই, ওজন কমেছে।’
নীলা… ‘সমস্যা হলো, যখন আমরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করি তখন কি সীমার কথা ভাবি? ভুখ যখন লাগে তখন তিন ভাড়া ভাত পাতে চাই।’
আনীল… ‘চয় রিপুর এক রিপুর নাম লোভ। লোভ আমাদের স্বপ্নের দাম কষায়। খাঁটি সোনায় গহনা হয় না। ভেজাল মিশাতে হয়। স্বপনে ভেজাল মিশলে সর্বনাশী হয়। তখন স্বপ্নের দাম হয় মৃত্যু। স্বপ্ন সবাই দেখতে পারে না, স্বপ্ন দেখতে হলে আশা এবং পবিত্র মনের প্রয়োজন হয়।’
নীলা… ‘সবাই চিন্তক। তাই আমি অনেক সময় ইচ্ছা করে কঠিন কথা বলি, বলার কারণ আমরা কষ্ট করে চিন্তা করি, তাইলে কষ্ট কেন বিফল হবে?’
আনীল… ‘দেহ ছায়ার আয়ত্তে না ছায়া দেহের আয়ত্তে?’
নীলা… ‘জীবনে বড়ো চাওয়া হল, এইটুকু সুখ, তাইনা?’
আনীল… ‘এইটুকু সুখের কত দাম, তা শুধু তারা জানে যারা এইটুকু সুখ চায়।’
নীলা… ‘হ্যাঁ, বুকে শ্বাস আছে। বিশ্বাসে স্বপ্ন দেখি ক্ষমা পাব।’
আনীল… ‘আমি নির্দোষ। আমি কবিতা লেখি। শব্দের সাথে আমার সম্পর্ক ছিল এবং থাকবে।’
নীলা… ‘জীবনে মাত্র একবার মৃত্যু হয়। তাকে মনান্দে বরণ করতে চাই, মৃত্যুর দিন যেন আমার জন্য আনন্দের হয় এই দোয়া করবে।’
আনীল… ‘রাতেও ছায়া সাথে থাকে। অক্ষম হলে অন্য কথা। বিষয় নিশ্চয় বিশ্লেষিত হয়েছে?’
নীলা… ‘মনে রাখবে, ফাঁসির আসরেও একা দাঁড়াতে হয়। শুধু বাসরঘরে দোকলা মিলে। শেষ বাসরে একলা।’
আনীল… ‘সুখের স্পর্শে মন থেকে দুঃখ উবে যায়, উড়ে যায় দূর বহুদূর। তাই নয় কি?’
নীলা …‘পথের মোড় অথবা নদীর বাঁকে দেখা হবে, দয়া করে চিনবে। আমি অবলা। দোয়ারে দোয়ারে যাই ঠুকর খাওয়ার জন্য। প্রয়োজনে গায়ের চামড়া দিয়ে গাঁটরি বানিয়ে জাত ভরে রাখতে হবে।’
আনীল… ‘আকাশের মেঘ বর্ষে দুনিয়া ডুবলেও মেঘ কমে না। প্রমাণ আছে। এখনো দুনিয়াতে প্লাবন হয়। হায়, পবিত্র জলের কুয়া আজো পেলাম না আমি পাপে ডুবেছি।’
নীলা… ‘গলা ধাক্কা দিয়ে সুখের দিনকে আমি কালাপানিতে চালান করিনি তাইলে কে করে ছিল?’
আনীল… ‘পাপের সাগরে ডুবেছি। আমাকে স্পর্শ করলে পাপ লাগবে তোমার গায়ে। ভদ্রতা বজায় রাখলে দূরত্ব বজায় থাকবে।’
নীলা… ‘কে কাহাকে কী বলছে তা কাক ভালো জানে।’
আনীল… ‘হ্যাঁ, মাছি একটা জানুয়ার এবং মাটির ঘরে স্বর্গ।’
নীলা… ‘দোয়া আশীর্বাদ কাম্য।’
আনীল… ‘দোয়া করি দিবারাত্রী শুভ হোক।’
নীলা… ‘চিন্তার বিষয়, বিষম চিন্তার বিষয়।’
আনীল… ‘ঠেকলে কাঠের ঘর, দৌড়লে দেউড়ি। অবিশ্বাস্য জীবনদর্শন।’
নীলা… ‘কী আর করবে, পানি খেয়ে শোয়ে পড়ো। সাধনা সাধিত হয়, অসাধ্য নয়।’
আনীল… ‘অন্যায় বিবিকে বিয়ে করে ন্যায়মিঞা বউআ হয়েছে, তা কি জাননা?’
নীলা… ‘দোয়া করি, শান্তি-স্বস্তি তাদের সাথি হোক।’
আনীল… ‘কে বলে সুখ হারিয়েছে? আমি দেখি সবে মাত্র ফিরেছে।’
নীলা… ‘আহা, তাই তো রংকানা বলে নুন এত কালো কেন? কেন দাবানল জ্বলে সূর্যেরালোয়?’
আনীল… ‘আহা বিবেক, কলঙ্কিত হয়েও তুমি আজ নন্দিত বোধ করছ। অন্তরে আতঙ্ক, বুকে ধুকপুক, লোভ পট্টি বেঁধেছে কানার চোখে।’
নীলা… ‘স্বপ্ন মধুর হোক, রাত্রী হোক শুভ।’
আনীল… ‘জল মেঘ হয়ে সাগরে নেমে আবার আকাশে উঠে, কেমনে কী করবে?’
নীলা… ‘আমার হাতে কলম। চাঁদের বুকে সতি লুকিয়েছে। কঙ্কালের মনে কলঙ্ক। নিষ্কলঙ্ক হওয়ার লঙ্কা চিবাতে হবে।’
আনীল… ‘বোঝার উপর শাকের আঁটির ভার অতুল্য।’
নীলা… ‘বরষা মাসে ভরা গাঙে আশা নাও হয়ে ভাসবে, আমাকে কাঁদালে বন্ধু তোমার জান কাঁদবে।’
আনীল… ‘কানার ঢিলে কাউয়া মরে না এবং বোবার বকায় বোকার মাথায় বাজ পড়ে না।’
নীলা… ‘তা ঠিক। ভালোবাসার নাটকে অনেক মজা এবং লাভ হয়। সস্তা লাভ। লোভের কারণ ভালোবাসা পাপ হয়। যারা ভালোবাসতে জানে ওরা লাভ খাস্তা খুঁজে না, ভালোবাসে। ভালোবাসলে মন পবিত্র হয়। মনে শান্তি থাকে। অন্তত মনকে বলা যায়, আমি তাকে ভালোবেসেছিলাম, সে আমাকে কষ্ট দিয়েছে। অবুঝ মন তখন কেঁদে বলে, হ্যাঁ সে আমাকে কষ্ট দিয়েছে।’
আনীল… ‘অবলার কথা শুনে হাসি খলখল করে, অবলা লো মান রাখতে হলে বন্ধুকে বরণ করে বর ডাকতে হয়, নইলে চলে যায় দেশান্তরে। জীবন কাটে সুখে কিবা দুখে।’
নীলা… ‘অবহেলা করলে অবহেলিত হতে হয়।’
আনীল… ‘বুঝলে বোঝ না বুঝলে অবুঝ।’
নীলা… ‘ভ্যালা ভেলকি লাগছে।’
আনীল… ‘কন্যা গো, তোমার রূপেরাগুনে মন পুড়ে অলাত হচ্ছে দিগ্বিদিক। কামগন্ধে অন্ধ হতে চাই না।’
নীলা… ‘হায় হায়, এত কষ্টে এখনো বেঁচে আছ?’
আনীল… ‘রূপের ধুচুনি কটাচোখীকে দেখে হঠাৎ ঠুংগি ফেটে ঠুস শব্দ হলে আমার আক্কেলে ঠুকা লেগেছিল।’
নীলা… ‘আসলে কী হয়েছে, স্বাধীনতা এখন এত স্বাধিন, স্বাধীনতা ভোগ করার জন্য অধীনরা পরাধীন হয়েছে।’
আনীল… ‘তথ্য সত্য হলেও মামলা ছিল মিথ্যা এবং তাতে এক নির্দোষের ফাঁসি হয়েছিল।’
নীলা… ‘ঢাকা থাকা ভালো, গতরের রং ফর্সা হয়।’
আনীল… ‘ছাওয়ালকালে স্বপ্ন দেখেছিলাম বুড়াকালে বাস্তবিক হয়েছি। বাঁচতে হলে স্বপ্ন দেখতে হয়। স্বপ্ন সত্য না হলে স্বপ্নদর্শীর অকালমৃত্যু হয়।’
নীলা… ‘যার মনে মৃত্যুভয় সে সত্য মানে এবং অন্যকে সম্মান করে।’
আনীল… ‘দিনদিন মানুষ হিংস্র হচ্ছে, নাজানি কখন টাটকা মানুষের মাংস সস্তায় বিক্রি হবে।’
নীলা… ‘কিছু মানুষ সত্যি হিংস্র। অন্যকে কষ্টে ক্লিষ্ট করে সুন্তুষ্ট হয়। কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির বৈশিষ্ট হলো অন্যকে অতিষ্ঠ করা। ওদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখলে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।’
আনীল… ‘এক প্রজাতির শামুক অত্যন্ত বিষাক্ত, সামান্য বিষে মানুষের মৃত্যু হয়।’
নীলা… ‘সত্যি ভয় হয়, অনেক সময় অন্য বিষয়ে ব্যস্ত থাকি, অনেক সময় ভালো লাগে না, অনেক সময় ভালো লাগলেও মনের কথা খুলে বলা হয় না। অনেক সময় অনেকে মনের সুখ নষ্ট করে।’
আনীল… ‘তবুও তাদের মঙ্গল কামনা করতে হয়।’
নীলা… ‘তুমি সত্যি দয়ার্দ্র।’
আনীল… ‘দয়ালের দয়ার জন্য আমি নির্দয়কেও দয়া করি। দয়াল তোমার দোয়ারে মাথা ঠেকেছি। তোমার দয়া না পেলে আমার নিদান কাটবে না। দয়াল দয়া করো বিপাকে পড়েছি।’
নীলা… ‘ভূতে ধরলে ছাড়ে, জোঁকে ধরলে ছাড়ে না। তুমি একটা ছিনাজোঁক।’
আনীল… ‘আমি বিশ্বাস করি, কারো মঙ্গল কামনা করলে সে কখনো আমার অমঙ্গল করবে না।’
নীলা… ‘সুস্থ এবং স্বাচ্ছন্দ্যে থাকলেও স্বস্তির সাথে শ্বাস টানতে পারবে না।’
আনীল… ‘চিন্তার বিষয়। চিন্তা আমাদের নিশ্বাসের সাথে মিশেছে। না চাইলেও চিন্তা করতে হয়। খাওয়ার সময় হয়েছে না হয়নি? কখন ঘুমিয়ে কখন উঠব? শৌচাগারে কে এত সময় ধরে বসে আছে? এই সব নিয়েও দুশ্চিন্তা করি। খালি চিন্তা। বেশি চিন্তা করলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে হয় জেনেও এত চিন্তা কেন?’
নীলা… ‘আমিও চিন্তার ফেরে পড়েছিলাম। এক হায়ন অপেক্ষা করে জবাব পেয়েছি। যা হওয়ার তা হয়। মেনে নিলে মন ভালো হয়।’
আনীল… ‘আহারে দুতারা, তোর ভাবে মজে লাউয়া হলাম দুতারা বাদক হতে পারলাম না।’
নীলা… ‘বাঁশের বাঁশি আর বাজিয়ো না, পাষাণ বন্ধুরে, সুরের জাদু বাতাসে ভেসে আমাকে করে উদাসিনী, ওরে বাঁশের বাঁশি তোর কারণ আমি হয়েছি কুলনাশিনী।’
আনীল… ‘বাঁশঝাড়ের ছায়ে বসলে মন ভাসতে চায় ভাদুই বাতাসে।’
নীলা… ‘আমি উদাসিনী হয়ে বসে থাকি বন্ধুকে দেখার আশে।’
আনীল… ‘কষ্টের গল্প লিখতে ভালা লাগে না। জীবনে যথেষ্ট কষ্ট আছে। সুখ এবং স্বস্তি সত্যি উপভোগ্য। সুখের সময় সট করে ফুরিয়ে যায় এবং তা একটা সমস্যা।’
নীলা… ‘কাতুকুতু দেওয়ার জন্য হন্যের মত আমার বগলে এসেছে। আমি এখন কী করব?’
আনীল… ‘চাঁদে আলো নেই জেনেও আমরা চাঁদিনি রাতে হাঁটতে ভালোবাসি, কিন্তু কেন?’

প্রথম প্রকাশ ২০/১২/২০১৭
Copyright © 2017 by Mohammed abdulhaque
ISBN-13: 978-1982087326
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:০১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ শুধু আমরাই নেই আর আগের মত

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:০০




স্যোশাল মিডিয়ায় তুমি এখন জনপ্রিয় ফুড ব্লগার
এই আমি ছোট্ট শহরের সামান্য কানাই মাস্টার।

তোমার আছে বাড়ি, আছে গাড়ি বেড়াচ্ছো খাচ্ছো দেদার
আর এদিকে টিকে থাকবার, নিরন্তর প্রচেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যে-সব সাবেক চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা একেবারেই নাই

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২

এ দলটি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৪ সালে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৮ ও ২০২২ সালে তারা মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা! ছবি।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৮ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০০


কত দিন হয়ে গেলো....................


এ মাসেতো একটাও পোস্ট দেওয়া হলো না........................


ইদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম।







আজকের ছবি ব্লগে থাকছে সেই ছবিগুলো।








---------------------------------------------------






























... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

মেট্রোরেল পুরো বাংলাদেশের জন্য শান্তির বিষয়।
শুধু মেট্রোরেল না পদ্মাসেতুও। দারুণ এক কাজ হয়েছে। আগে মতিঝিল থেকে মিরপুর বা উত্তরা যেতে খবর হয়ে যেতো। তিন ঘন্টার বেশি সময় লাগতো। এখন মুহুর্তেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারণে অকারণে ছবি

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আমি ছবি তুলি। পরে সেগুলো দেখি। বেশ ভালো লাগে। ফোনের স্টোরেজ এ আজ দেখলাম মোট ছবি ৬৮৯৩ টি। ব্লগে কখনোই ছবি দিয়ে লেখা হয়নি। আজ মাইদুল ভাইয়ের লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×