somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক
প্রভাবপ্রতিপত্তি আজীবন থাকে না। প্রতারকরাও প্রতিরিত হয়। ক্ষমতাচ্যুত হলে ক্ষমতাসীনের কী হবে? কবর অথবা শ্মশানে প্রতিদিন মৃতসৎকার হয়। ©_Mohammed Abdulhaque [www.mohammedabdulhaque.com]

সত্য প্রেম (উপন্যাস) পৃষ্টা ৮৩-৮৬

২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আনীল… ‘হ্যাঁ, হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হলে ঘুমাতে হয়।’
নীলা… ‘সাবধান থাকবে। বিপদে কাউকে পাশে পাবে না। বিপদ এড়িয়ে চলার নাম বুদ্ধি। বাতাস হারিয়ে যায়। চাইলেও খুঁজে পাওয়া যায় না।’
আনীল… ‘দয়া দেখিয়ে দায়ে পড়ে কর্তব্যকর্মে নিষ্কর্মা হয়ে জেনেছি বানর কেন মনানন্দে নাচে।’
নীলা… ‘তোমার দায় দায়ি হলাম বন্ধু তুমি দায়িত্ব নিলে না, তোমাকে স্পর্শ করতে চেয়ে বিভ্রান্ত হলাম, বন্ধু তুমি সান্ত্বনা দিলে না।’
আনীল… ‘প্রেমে আবেগ আছে। আছে রাগ এবং বিরাগ। প্রেমে মজে বৈরাগী হতে হয়। প্রেম করে আমি বোকা হয়েছি। চাঁদিনি রাতে চাঁদের দিকে তাকালে মন খুশি হয়ে বলে সখীর হাসির ঝলকে আকাশ আলোকিত হয়।’
নীলা… ‘কামনা আসলে সব সময় ধোঁকা খায়। ওকে যখন প্রথম দেখেছিলাম কেমন বোকা বোকা মনে হয়েছিল। জীবন থেমে থাকে না। আগামীকালের নতুন নাম আজ। চাঁদিনির চাঁনমুখ না দেখলে নিশি ফুরায় না, মনের কামানল নিবে না। চাঁদিনি লো, তোর রূপেরাগুনে জ্বলে আমি অলাত।’
আনীল… ‘আশার ঘরে তালা লাগিয়ে নিরাশা হয়েছে বাসিন্দার। আমি পাগল হলাম কা’র লাগি গো? যার লাগি পাগল হলাম সে আমারে পাগল ডাকে, মনের দুঃখ মনে থাকে দুঃখ বলার দরদি পাই না গো।’
নীলা… ‘পরজায় সেই কবে বরণ করেছি আমি অসহায় নই। যারা মরার ওরা মরবে। যারা মারে তাদের কিচ্ছু হয় না।’
আনীল… ‘শিশুকালে অবোধ ছিলাম, কিশোরে প্রবোধ না মানলাম, যৌবনে অবাধ্য, বুড়াকালে অসহায়, পাপের বোঝা তনে না সয়।’
নীলা… ‘তুমি হলে ভানুর বান্ধব। কাম বাড়িয়ে বাতাসে ভাসো। আমার দুঃখ শুনার নাই দরদি। বেদরদি ওরে বেদরদি। তোর লাগি দুঃখি হলাম তুই হলে না আমারে দুঃখের দরদি।’
আনীল… ‘চানাচুরওয়ালা জানে কী এবং কতটুকু দিতে হয়। চানাচুর যে খায়, সে বেশি খেতে চায়। সবকিছু বেশি দিলে খেতে ভালো লাগে না, তা চানাচুরওয়ালা জানে।’
নীলা… ‘সত্যি অবাক হতে হয়। আর তার কারণ হলো, নিজের স্বার্থ। সত্বর সজাগ হয়ে চিত্তবৃত্তি অবলম্বন করতে হবে নইলে বিপদের আশঙ্কা আছে।’
আনীল… ‘ছোট কালে গল্প শুনেছিলাম, উর বললে দূর আর দূর বললে উর। আমার কান মলে দাদি বলতেন, দূরে থাক। সমস্যা হলো, আজকাল কল্পনারা বাস্তবিক হচ্ছে। ভাবছি নাতির নাম বাস্তব রাখব।’
নীলা… ‘আমাকে কাঁদিয়ে কী লাভ? প্রেম শব্দ থেকে শুরু করেছিলাম। এখন চিন্তার সাগরে থই হারিয়েছি। আখি এবং সাগর জলের নুনে সব নোনতা হয়েছে। লোভের কারণ নরক সৃষ্ট হয়েছে। কষ্ট হয়। কী করব, সুখের কারণ কুলহারা হয়েছি। হয়তো বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না। হয়তো অপেক্ষার অনন্ত হবে।’
আনীল… ‘সবুরে মেওয়া ফলে আর পাকলে আম বিচি মিলে বিষয় নিশ্চয় বুঝতে পেরেছ, তাই না ছিনাজোঁকের আইমা।’
নীলা… ‘বতাসে ভাষা থাকে, মনে থাকে ভাব, ছড়া পড়লে দূর হয় মনের অভাব। বৈশাখে যখন কালবৈশাখী আসে, তখন টোনাটুনির বুক কাঁপে। ধুমধাড়াক্কা ঝাঁকড়া-মাকড়ার অর্থ আমি জানি না। কবিতার সারমর্ম শুধু সে বুঝে, যার সাথি নেই। কোনো এক অসহায় রাতে চাঁদের ছায়ায় দাঁড়িয়ে কবিতা শোনব।’
আনীল… ‘হাসনুহানার সুভাসে বাতাস হয়েছে উদাস, আমি বেলুনে বসে ভাসতে চাই, প্রিয়ার সাথে।’
নীলা… ‘খেয়ানির সাথে উঠবসা অথচ নাও বাইতে পারো না, এর চাইতে লজ্জার আর কী হতে পারে? পুকুরে মাছ থাকে। বন্যার সময় পার ডুবলে মাছ বেরিয়ে যায়। ছাগলরা কাঁঠাল পাতা খায়। ঘাসে ফড়িং বসে, ফুলে বসে ভোমরা। সমস্যা হলো, বাগানে পুরুষ আসে না। বাগান এখন ভ্রমরীর দখলে, বিধায় কেউ খবর নেয় না।’
আনীল… ‘আমি গরিব মানুষ, টাকার চিন্তায় হয়রান। সবাই টানাটানিতে আছে। সুখ উপভোগ করতে হলে টাকার প্রয়োজন।’
নীলা… ‘মন কখনো ভাঙে না। সুখ কখনো উড়ে না। ভালোবাসা দূরে যায় না। মন কি কেউ কখনো দেখেছে? মনে সব থাকে। চাইলে সব মিলে। কানে কানে গূঢ়তত্ত্ব বললাম কাউকে বলো না, ওরা শিখে ফেলবে। অলীকের হাত ধরে আলেয়া পালিয়েছে। বনে আছে বাঘ, বুকে আছে ভয়, আয়নায় আছে দাগ, মনে আছে সংশয়। তুমি জানো আমি কী বলতে চাই?’
আনীল… ‘বয়সে প্রায় বুড়া, জ্ঞানে প্রায় গুণি। অভিশপ্ত সম্পদে শপ্ত হতে চাই না আমি সচ্চিন্তা‌য় চিন্তক হতে চাই মন্তা।’
নীলা… ‘সমস্যা কী হয়েছে আমি জানতে পেরেছি। আসলে সমস্যা তেমন কিছু নয়। সামন্য স্বার্থই হল সমস্যার আসল কারণ।’
আনীল… ‘এভাবে বললে নিস্তার না পাবে। খোলাসা করে বললে আমার মত বোকায় বুঝতে পারবে। উপকৃত এবং কৃতার্থ হব দয়া করে বিশ্লেষণ কি করবে?’
নীলা… ‘আজ আমারও মন ভালো নয়। মন ভালো নয়, আজ আমার মন ভালো নয় জেনে সে খুশি হল, কিন্তু কেন? মন জানতে চায়। তার কাছে মনের দুঃখ বললাম, যে আমার দরদি হওয়ার কথা ছিল, সে নির্দয় হল।’
আনীল… ‘ঘুড্ডির নেশা লেখা পড়ার বারোটা বাজিয়েছিল, সাথে আরো কিছু ছিল, যেমন বনবন করে বনে বনে ঘোরা। হায়রে আমার শৈশব। তবে লাভ হয়েছে অনেক। লিখতে বসলে স্মৃতি এখন চিন্তার খোরাক হয়। মন হারায় অতীতে।’
নীলা… ‘আকাশ খালি কান্দে। আকাশ যখন কান্দে তখন আমার মন খারাপ হয়। ঠাঠা পড়ে ঝিলিক দিলে, জান চমকে উঠে।’
আনীল… ‘ও মন তুই আর কাঁদিস না, মণের ভার তুই বহন করতে পারবে না। ষড়রিপুরা তোকে নিয়ন্ত্রণ করে।’
নীলা… ‘চাবিওয়ালার ঘরে তালা নেই। দরজা খোলা থাকে। যার মন চায় সে আসে। বসে, হাসে। চাবিওয়ালার মনের ভাব বাতাসে ভাসে। ফুলে সুবাস আছে। বাতাস সুবাসিত হয়। মৃতপ্রায় গাছে ছেদ মারা নিশ্চয় অন্যায়?’
আনীল… ‘আমি মারামারি করি না। যারা করে ওরা খালি মার খায়। নাড়ে টান পড়লে নরেশেও মাকে ডাকে।’
নীলা… ‘আমি চাইলে তোমাকে নাকাল করতে পারতাম জেনেও ক্ষমা করেছিলাম। মনকে বলেছিলাম, অবুঝ। অবুঝের হাবভাবে অবাক হলেও অহংকার করা অন্যায়।’
আনীল… ‘তোমার হাবভাবে বুঝলাম আমি ভুদ্রলোক। তোমাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’
নীলা… ‘আবার লীলাখেলা শুরু হয়েছে। এবার অনেকের আসল রূপ অনেকে দেখতে পাবে এবং জানতে পারবে। আহ, কেন যে এমন হয়? মানুষ কেন এত স্বার্থপর হয়? জানি নিঃস্বার্থের আরেক অর্থ অহেতুক এবং অহেতুকীকে কেউ বিয়ে করতে চায় না। সূর্য ডুবতে শুরু করেছে, পাখিরা ডালে বসে একে ওকে ডাকে, কোথায় যাব জানি না আমি দিগ্ভোলা হয়েছি। কেউ বলে আমি বিষাক্ত, কেউ বলে বিরক্তিকর।’
আনীল… ‘সফলতার সাথে সবাই সামনে চলে যায়। শুধু আমি পিছনে পড়ে থাকি, সময় আমার সামনে বদলে, আমি বদলাতে পারি না। এর নাম হয়তো বিফলতা?’
নীলা… ‘আমি চাঁদিনির মত। আমার কোনো ক্ষমতা নেই। সূর্য লুকালে আমি নিজেকে দেখতে পাই না। চোখে আলো নেই। আমার জন্য দোয়া করবে, সবসময় যেন তোমার মনে থাকতে পারি এবং কারো মনঃকষ্টের কারণ যেন না হই। আল্লাহ যেন আমাদেরকে দয়া এবং ক্ষমার বেষ্টনে রাখেন, এই দোয়া করি।’
আনীল… ‘শব্দে সব বদলে, শব্দে নীরবতা নাশ হয়, সশব্দে নীরবরা সরব হয়। দোয়া আমাদেরকে দরদি বানায়। ইহ এবং পরকালে কর্মফল ভোগ করতে হয়। দোয়া কাম্য। দোয়ার বদলে দোয়া। দোয়াই আমাদের সম্বল। দোয়ায় মোক্ষলাভ হয়। আল্লাহর দয়ায় আমরা ভাগ্যবান হই। দয়ার জন্য দোয়া করতে হয়। দোয়ায় অসম্ভব সম্ভব হয়। ইয়া আল্লাহ, আমাদেরকে ক্ষমা করো, আমাদেরকে শান্তি স্বস্তি দিয়ে আশীর্বাদ করো, আমিন।’
নীলা… ‘কিছু শব্দ অন্ত হয় না। অভিশপ্তরা শাপমোনচেন জন্য তপস্যা করে। তাপসি হওয়ার পর আশীর্বাদে শাপ কাটে।’
আনীল… ‘শুভলগ্নে কণ্ঠলগ্ন হওয়ার জন্য তোমার প্রিয় ফুলের তোড়া হাতে, তোমার অপেক্ষায় অপেক্ষমাণ ছিলাম, তুমি আসনি হে মোর প্রিয়তমা পাষাণী, তুমি আসনি। তোমার বিরহ বেদনায় পরিবেশ বেদনাচ্ছণ্ণ হয়েছিল, আমার মর্মব্যথায় ব্যথিত হয়ে কালো মেঘের আড়ালে সূর্য লুকিয়েছিল, আমাকে সঙ দেওয়ার জন্য দিনের আকাশে ভেসেছিল চাঁদিনি, প্রিয়তমা পাষাণী তুমি আসনি।’
নীলা… ‘তোমার চোখে ছানি পড়েছে। তাকিয়ে দেখো আমি তোমার সামনে। আজ তোমাকে মনের কথা খুলে বলেছি। তুমি আমার দরদি হয়েছ। আমার কানড়ে কি ফুলের কলি গুঁজে দেবে?’
আনীল… ‘নীলা, আমার সামনে আসো। আমি তোমাকে দেখতে চাই। অধিকার দিলে স্পর্শ করব।’
আলেয়ার আলো থেকে নীলা আবির্ভূত হলে সবিস্ময়ে আনীল বলল, ‘এতকাল কোথায় ছিলে?’
হাসার চেষ্টা করে নীলা বলল, ‘তোমার আশেপাশে ছিলাম। এখন হাত ধরে সেখানে নিয়ে যাও যেখানে সুখের গন্তব্য। নুরি এবং দাদির সাথে জলকেলি করতে চাই।’
‘চলো।’ বলে আনীল ডান বাজু উঁচায়। দুহাতে জড়িয়ে ধরে বুক ভরে শ্বাস টেনে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে নীল বলল, ‘প্রায় হতাশ্বাস হয়েছিলাম।’
‘আজ আমি আশ্বস্ত হয়েছি। স্বাচ্ছন্দ্যে মৃত্যুকে স্পর্শ করতে পারব।’ বলে অনীল হাঁটতে শুরু করলে তার বাজুতে মাথা রেখে নীলা বলল, ‘আমি বুড়ি হয়েছি। তুমি এখনো জোয়ান।’
‘আমার প্রেমের গন্তব্য হলে তুমি। আমাদের গন্তব্য হলেন আল্লাহ। স্বর্গে পৌঁছে তুমি চিরযৌবনা হবে।’


প্রথম প্রকাশ ২০/১২/২০১৭
Copyright © 2017 by Mohammed abdulhaque
ISBN-13: 978-1982087326
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৪৭
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ শুধু আমরাই নেই আর আগের মত

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:০০




স্যোশাল মিডিয়ায় তুমি এখন জনপ্রিয় ফুড ব্লগার
এই আমি ছোট্ট শহরের সামান্য কানাই মাস্টার।

তোমার আছে বাড়ি, আছে গাড়ি বেড়াচ্ছো খাচ্ছো দেদার
আর এদিকে টিকে থাকবার, নিরন্তর প্রচেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যে-সব সাবেক চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা একেবারেই নাই

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২

এ দলটি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৪ সালে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৮ ও ২০২২ সালে তারা মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা! ছবি।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৮ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০০


কত দিন হয়ে গেলো....................


এ মাসেতো একটাও পোস্ট দেওয়া হলো না........................


ইদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম।







আজকের ছবি ব্লগে থাকছে সেই ছবিগুলো।








---------------------------------------------------






























... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৩

মেট্রোরেল পুরো বাংলাদেশের জন্য শান্তির বিষয়।
শুধু মেট্রোরেল না পদ্মাসেতুও। দারুণ এক কাজ হয়েছে। আগে মতিঝিল থেকে মিরপুর বা উত্তরা যেতে খবর হয়ে যেতো। তিন ঘন্টার বেশি সময় লাগতো। এখন মুহুর্তেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারণে অকারণে ছবি

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আমি ছবি তুলি। পরে সেগুলো দেখি। বেশ ভালো লাগে। ফোনের স্টোরেজ এ আজ দেখলাম মোট ছবি ৬৮৯৩ টি। ব্লগে কখনোই ছবি দিয়ে লেখা হয়নি। আজ মাইদুল ভাইয়ের লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×