
(গদ্য)
কুসংসর্গে থেকে কুসংস্কারে অভ্যস্ত হয়ে আমরা দিনানুদিন অসমাজিক হচ্ছি। মৃত্যু জন্মের মত চিরসত্য জেনেও আমরা বিভ্রান্ত হই, ধর্মকে ব্যবহার করার জন্য ফতোয়াকে হাতিয়ার বানিয়ে ফতো নবাব হই কিন্তু অন্যের নবাবি পছন্দ করি না। পরস্পরের সহযোগিতায় সমাজব্যবস্থার ভিত মজবুত হয়েছিল এবং সমাজবিজ্ঞানে পণ্ডিত ব্যক্তির সাথে ওঠবস করলে সহজে সমাজতত্ত্বে তাত্ত্বিক হওয়া যায়। পরস্পরের হিংসায় পরম্পরায় ধ্বস ধরলে সমাজব্যবস্থা ধ্বংস হবে। সমাজব্যবস্থায় পচন ধরলে পচননিবারক ওষুধে প্রতিকার হবে না। সামাজিক পরম্পরায় সামান্য হেরফের হলে পরবর্তী প্রজন্মের শান্তি-স্বস্তি নষ্ট হয়। সমাজব্যবস্থ সুরক্ষা করা হলো পরম পরম্পরীণ। ঘটনা পরম্পরা অথবা বংশপরম্পরায় এক দাপ বাদ পড়লে তেমন সমস্যা হয় না। সমাজচ্যুতরা সমাজতন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করার দরুন শান্তি স্বত্বিতে ছুঁৎ লেগেছে। চোখ টাটিয়ে হেঁটে বজ্জাতরা জাতে ওঠে। নাদাপেটা ভরপেট খাবার চায়, হট্টবিলাসিনীরা চায় রমরমা কারবার, কুন্দুলিরা পছন্দ করে গণ্ডগোল। সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলি করে, সেরকশের হাতে আড়াইসেরি বাটখারা আর গোঁয়ারের হাতে খাঁড়া। অশেষ সমস্যায় সর্বস্বান্তরা দিশেহারা। রেষারেষি এবং হিংসা সমাজতন্ত্র ধ্বংস করে। দুষ্কৃতকারী এবং আইনশৃঙ্খলাভঙ্গকারীরা সমাজজীবনের জন্য বিপজ্জনক। অসুস্থ প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে ভালোবাসা এবং সুখদুঃখ ভাগাভাগি হোক সমস্যার সমাধা। জনগণের কল্যাণসাধন হোক সকলের ব্রত। সাহিত্যে হোক সমাজসংস্কার, মানুষের মঙ্গলকামী এবং সমাজহিতৈষী সাহিত্যিকরা সমাজসংস্কারকারী হলে সাবশেষ সমস্যা আপোশে সমাধান হবে।
© Mohammed Abdulhaque
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৫:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


