somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খুনসুটি ও ভালোবাসা

১০ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সজীব এআইইউবিতে বি.এস.সি করছে ইলেক্ট্রিকালে । আজ সজীবের এইট সেমিষ্টার এর প্রথম দিন । মেজাজ খারাপ সজীবের । কারন আজ প্রথম দিনেই তার ল্যাব দিয়ে শুরু । ক্লাস থাকলে সে মিস দিত । প্রথম দিনে পরিচয় পর্ব শেষ হতে হতে ক্লাস এর টাইম ই শেষ হয়ে যায় । কিন্তু ল্যাব এ তো এক্সপেরিমেন্ট হবেই । তাই সজীব ইচ্ছা থাকা স্বত্ত্বেও মিস দিতে পারলোনা । ঘুম টা নষ্ট করে ঝিমাতে ঝিমাতে ক্যাম্পাস এ আসলো । ৮ টা থেকে ক্লাস । এখন ৮ .১৫ বাজে । ইচ্ছে করে সে দেরী করছে । তার একদম ই ইচ্ছা নাই ল্যাব করার । অনেক চিন্তা করে সে ৮.৩০ এ ল্যাব এ গেল । ম্যাম এখনো বোঝানো শুরু করেন নি । ল্যাব এ যেয়ে তার আর ও এক প্রকার মাথা খারাপ হলো । কাউকেই চেনে না সে । তার উপর ৫ জন করে গ্রুপ ফর্ম হয়ে গেছে । ম্যাম কে যেয়ে বলে কোন গ্রুপে যাবে জিজ্ঞেস করে । ম্যাম ৫ নাম্বার গ্রুপে যেতে বলেন । গ্রুপ মেট দের সাথে পরিচয় হতে লাগে । সজীব সাধারনত গ্রুপে কোন মেয়ে কে রাখেনা । কিন্তু সে দেখলো গ্রুপে দুইটা মেয়ে আছে । কারন সে দেখে এসেছে , মেয়েরা মুখস্ত বিদ্যা ভয়ংকর আকারে পারে কিন্তু ল্যাব এ কোন কাজ পারেনা । তার উপর পেপার সাবমিসনের আগের দিন রাতে মেয়েরা ব্যাপক প্যারা দেয় । সজীবের ইচ্ছা হয় সে ল্যাব টা শেষ করার পর , ড্রপ দিয়ে দিবে । সবার পরিচয় জানলো সে । গ্রুপে ছেলে ৩ জন , মেয়ে দুইজন । ছেলেদের মধ্যে একজন সিনিওর , মাহিন ভাই । সাজিদ তার ব্যাচ মেট কিন্তু চেনেনা কেউ কাউকে । মেয়েদের মধ্যে রোমানা তার ব্যাচ মেট । এজ ইউজাল চেনেনা কেউ কাউকে । সুমাইয়া ইমিডিয়েট জুনিওর । বুঝতে পারে সে , তার কপালে দুঃখ আছে এই ল্যাব এ ।
সজীব পড়াশুনা তে খুব ভালোনা । ক্লাশে নাম্বার ও পায় না ভালো কিন্তু সে ল্যাব খুব সিরিয়াস ভাবে করে ।
অ্যানালগ ল্যাব । ল্যাব করতে থাকে সবাই । সজীব যা ভেবেছিল ঠিক তাই হলো । রোমানা কাজ করা বাদ দিয়ে গল্প করছে । এটা দেখে তার মাথা খারাপ হয় না । এটা তো নরমাল ব্যাপার । কিন্তু তার মেজাজ খারাপ হয় সাজিদ পোলাটা গল্প করতেছে রোমানার সাথে । পরে সে জানতে পারে তারা বিএফ , জি এফ । ব্যাপক দীর্ঘ একটা শ্বাস ফেলল সে । কিছু করার নাই , কবি নিরব । ল্যাব করতে করতে সে একটা ব্যাপার লক্ষ্য করে সুমাইয়া খুব ভালো কাজ পারে । সার্কিট টা দুজনে মিলে ইমপ্লিমেন্ট করল । মাহিন ভাই ইন্সট্রাক্সান দিয়ে গেল ,তারা কাজ করল । পুরো ল্যাব এর কাজ বলা যায় তারা তিন জনে শেষ করল । ল্যাব শেষে বড় ভাই , রোমানা , সাজিদ তাদের নাম্বার , ফেবু আইডি দিল । কিন্তু সুমাইয়া কাউকে কিছু না বলেই চলে গেল । সাজিদ বলল “ ল্যাব এর একটু কাজ পারে তাতেই এতো ফাপড় ??” সজীবের মনে হলো সাজিদের কান বরাবর একটা দিয়ে দিতে । কিন্তু নিজেকে কন্ট্রোল করে শুধু বলল “ এটলিশট হেল্প করেছে , অনেকে তো তাও করেনা ” । সজীব দেখল সাজিদ মুখ টা কাল করে ফেলেছে । সাজিদ কিছু বলতে যাবে , এই সময় সজীব বলল বিদায় ! ক্লাশ আছে । সজীব মাহিন ভাইএর কাছে বিদায় নিয়ে বাইরে চলে আসলো । হাসেম মামার টং এর দোকানে দাড়ালো । ৩০ মিনিট পড় থিওরী ক্লাস অ্যানালগ এর ।
-মামা , চা দাও ।
হাসেম মামা চা এর সাথে গোল্ডলিফ ও দিল । হাসেম মামা খুব ভালো করে জানে , সজীবের চা চাওয়া মানে চা এবং গোল্ডলিফ চাওয়া । চায়ে চুমুক দিয়ে লিফ এ একটা বিশাল টান দিল সজীব ।
- সরি । আসলে আমি ফেবু আইডি , নাম্বার আননোন কাউকে দেই না । আমি আসলে একটু কনফিউজড হয়ে গিয়েছিলাম । তাই কিছু না ভেবে পেয়ে চলে এসেছি । কাজ টা আমার ঠিক হয়নাই ।
এক নিশ্বাসে সব বলে দিল সুমাইয়া । এদিকে সজীব হঠাত ডাক পেয়ে ঘুরে তাকায় এবং ধোয়া গুলো সব সুমাইয়ার মুখমন্ডল বরাবর ছেড়ে দেয় । সুমাইয়া কাশি দিতে দিতে হয়রান হয়ে যায় ।
- এক্সট্রেম্লি সরি । আমি লক্ষ্য করিনাই । বিলিভ মি । সরি :(
- ইটস ওকে ।
সজীবের খুব খারাপ লাগতে লাগে । বেচারী এখনো কাশি দিয়ে যাচ্ছে । সজীব সিগারেট টা ফেলে দেয় । কিছুক্ষন পর সুমাইয়া স্বাভাবিক হয় ।
- এখন ঠিক আছেন ?
- হ্যা । ভালো লাগছে এখন ।
- পানি খাবেন ?
-হ্যা ।
- মামা পানি দাও তাড়াতারি । নেন ।
(সজীব গ্লাস এগিয়ে দেয় সুমাইয়ার দিকে )
-থ্যাঙ্কস ।
- সরি । আমি আসলেই দেখিনাই ।
- না । ঠিক আছে । আমি বুঝতে পারছি ।
- আচ্ছা । কি যেন বলছিলেন ??
- ও হ্যা । না আসলে হঠাত করে চলে এলাম তো ......
- ব্যাপার না । সমস্যা নাই । কিন্তু ব্যাপার টা হচ্ছে যদি কানেকটেড না থাকেন তাহলে তো ল্যাব পেপারের কি অবস্থা ? না অবস্থা এগুলো আপনি জানতে পারবেন না । আমরা ও জানতে পারব না ।
-বুঝলাম । আসলে। আগে কখনো প্রয়োজন পড়েনি তো । তাই আসলে ।
- আচ্ছা এটা তেমন প্রব্লেম করবে না । বাই দ্যা অয়ে , চা চলবে ?
- বিল আপনি দিবেন ? ? :D
- যান দিলাম । :D
- আচ্ছা ।।
- মামা , চা দাও ।
মামা চা বানায়ে সাথে লিফ ও দেয় । সজীব বলে
- আর এ মামা করছো কি ? মাইর খাওয়াবা নাকি ??
হাসেম মামা - মামা দেখিনাই । ভাবছি আপনার জন্য ই । :D আর অভ্যাশ হয়ে গেছে বোঝেন না ?? :D
- হাহাহাহ । যা বললা ,মামা তুমি ।
- হেহহে ।
সজীব চায়ের কাপ এগিয়ে দেয় সুমাইয়ার দিকে ।
সুমাইয়া - থ্যাঙ্কস । একটা কথা বলবেন ?
- হ্যা । বলেন ?
- এতো বাজে একটা গন্ধ । কিভাবে নেন আপনারা ভিতরে ?
- হাহাহাহ
-হাসছেন ?
-অভ্যাশ হয়ে গেছে ।
- ভালোই ।
- হেহে । যাক বাদ দেন । থিউরী তে কে পড়েছেন ?
-বনিক স্যার ।
-আহা :D guess what ? আমার ও ।
-জোস তো । চলেন । সময় তো হয়ে গেছে ।
- হ্যা চলেন ।
চা শেষ করে ক্লাসে গেল তারা । তারা পাশাপাশি বসলো ।ক্লাশ শেষে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে গেল সজীব । সুমাইয়া ক্যাম্পাসে থেকে গেল । তার ক্লাস আছে আরো ।
রাত ১০টা
সজীব ফেবু তে অনলাইন । হঠাত একটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট আসলো ।সজীব চেক করে দেখলো সুমাইয়ার আইডি । এক্সেপ্ট করলো । একটা নক দিল ।
-কি অবস্থা ?
- এইতো ।আপনার ?
- চলছে ।
- আইডি তো রিভিল করে দিলেন । এখন তো জ্বালাবো । :p
- আপনাকে দেখে তো তা মনে হয়েছিলনা । :D
- হাহাহাহ
- দেখে কাউকে জাজ করবেন না । সব সময় এক হয় না ।
- আচ্ছা । জানলাম । খেয়েছেন ?
- না ।আপনি ?
-খাইনাই । যাবো এখন ।
-ওকে যান । পড়ে কথা হবে ।
- ওকে । বাই ।
-বাই ।
পরের দিন , সজীব ক্লাশে যায় । ক্লাশ শেষ করে আবার ও হাসেম মামার দোকানে । চায়ের কথা বলতে যাবে এমন সময় সুমাইয়া পাশে থেকে এসে বলে ,
-মামা , চা দেন দুই কাপ
সজীব - কি অবস্থা ?
- এইতো । আপনার ?
-চলে । আপনি তো দেখা যায় হাসেম মামার সিগারেট এর ব্যাবসা তে লস খাওয়াই দিবেন ।
- কেনো ? কেনো ? আপনি মনে হয় স্মোক না করলে হাসেম মামা না খেয়ে থাকবেন বাসায় ?
- হাহাহা । থাক । কিছু বলার নাই । কবি নিরব ।
- হাহাহহা ।
-ক্লাস শেষ আপনার ?
-হ্যা ।
- ওকে । চলেন তাহলে ।
-চলেন ।
বিল দিতে লাগে সজীব ।
সুমাইয়া - অয়েট । অয়েট । আজ আমি দেই । না করবেন না প্লিজ ।
সজীব - আচ্ছা । দেন ।
কাপ দিয়ে কাকলির মোড়ে যেতে লাগল ।
সজীব - আপনি কোথায় থাকেন ?
সুমাইয়া - উত্তরা , ১০ নাম্বার সেক্টর । আপনি ?
- আমি , মোহাম্মাদ পুর ।
- ও । ওই দিকে আমার খালামনির বাসা । সলিমুল্লাহ রোড।
- ও । ভালোই ।
-ওকে , রাস্তা পার হই ।
-ওকে । বাই ।
-বাই ।
বাসায় চলে আসে । সজীবের সাথে রাতে চ্যাট হয় সুমাইয়ার হালকা ।
পরের দিন, অ্যানালগ থিউরী ক্লাস এ যেতে একটু দেরী করে ফেলে সজীব । ক্লাসে যেয়ে দেখে সুমাইয়া তার পাশে সিট রেখে দিয়েছে ।
-থ্যাঙ্কস ।
- ব্যাপার না :D
- :D
- আজ আছেন কতক্ষন ? ক্যাম্পাসে ?
- এই ২ টা পর্যন্ত । কেনো বলেন তো ?
- আজ মোহাম্মাদ পুর যাবো । বিশাল রাস্তা তো । হেড ফোন নিয়ে আসিনি । ভাবলাম আপনার সাথে কথা বলতে বলতে না হয় বরিং টাইম টা পাস করবো :D :D :D
- আহা ? :/
- জোকিং :D :D
- আচ্ছা । আমি সিরিয়াস্লি নিয়েছিলাম :3
- হিহিহি । আপনার ফোন টা দেন ।
-কেনো ? :O
- গান নাই আমার ফোনে , পার করবো :/ গাধা
- লাগলো । :/
-কোথায় ?
-গায়ে ।
- হাহাহহা ।
-আপনি অনেক মজার মানুষ
-তাই ?
-হুম :)
সুমাইয়া , সজীবের নাম্বার থেকে তার নাম্বার এ কল দেয় । তারপর সেভ করে নেয় ।সজীব ও নাম্বার সেভ করে নেয় । ক্লাস শেষে , একসাথে মোহাম্মাদ পুর এ যায় । শ্যামলি নেমে রিক্সা নেয় সজীব । সুমাইয়া কে সলিমুল্লাহ রোডে নামাইয়ে দিয়ে বাসায় চলে আসে ।
রাত ১১ টা ,
সজীবের আজ মন ভালো নেই অজানা কারনে ।ভাল লাগছেনা তার কিছুই। সাড়ে ১১ টার দিকে সুমাইয়া কল দেয় সজীব কে ।
-হ্যালো ?
- ডিস্টার্ব করলাম ?
-কি যে বলেন ?
- কি করেন ?
-এইতো বসে আছি । সার্ফিং করছিলাম নেট । আপনি ?
- পড়লাম । ভাল লাগছেনা আর । তাই শেষ করে কল দিলাম আপনাকে ।
-আচ্ছা :D
দুজনের ভালো বন্ধুত্ত্ব হয় । আপনি থেকে তুমি চলে আসে । সব কিছু শেয়ার করা হয় । দুজন দুজনার অনেক কেয়ার করে । সজীব এখন সুমাইয়াকে হাত ধরে রাস্তা পার করে দিয়ে বাসে উঠায়ে দেয় । ক্যাম্পাসে একসাথে থাকে সব সময় ।ক্যাম্পাসে কিছু কথা রটে । সুমাইয়া , সজীব ভালই উপভোগ করে কথা গুলো।
৪ মাস চলে যায় । রেজাল্ট দেয় । সজীব ও সুমাইয়া ল্যাবে A পায় কিন্তু থিউরী তে সুমাইয়া A প্লাস পায় আর সজীব পায় B প্লাস । সজীব মন খারাপ করেনা কারন সে জানে , সে এরকম ই পাবে । কিন্তু সুমাইয়া এ প্লাস পেয়েও তার মন খারাপ হয় । সজীব জিজ্ঞেস করে মন খারাপ করার কারন । সুমাইয়া বলে এমনি । সজীব বুঝতে পারেনা ঘটনা । একসাথে সময় মিলিয়ে তারা সাব্জেক্ট নেয় রিজেস্ট্রেসান এ যেন এক সাথে ক্লাস করতে পারে ।
ক্যাম্পাসে ,
সুমাইয়া -কাল তো পহেলা বৈশাখ । প্লান কি ?
সজীব - নো প্লান । ঘুমাবো । তোমার ?
-নাই ।
-গ্রেট ।
- হুম ( রাগ করে)
রাতে কল দেয় সুমাইয়া , সজীব কে ।
- কাল, ভালো মানুষের মত ১১ টায় টিএসসি তে চলে আসবা ।
-মানে কি ? আমার ঘুমানোর কি হবে ? :’(
- ঘুমাতে হবেনা কাল ।
- আম্মু !!!
-আন্টি কে ডেকে লাভ নাই ।
-অকা :/
- হিহিহি
সকালে আবার সুমাইয়া কল দেয় । জানে ঘুম থেকে উঠতে পারবেনা সজীব ।
- হ্যালো ( ঘুম ভাব নিয়ে )
-ওঠোনাই এখনো ?
-উঠছি তো । :(
-হুম । আসো । আমি বের হচ্ছি ।
-ওকে ।
সজীবের ভালোই লাগে সুমাইয়ার কান্ড কারখানা । তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয় । রেডি হয়ে সুমাইয়ার আগেই পৌছে যায় । কালো একটা পাঞ্জাবি পরে সজীব । সুমাইয়া আসে । সাদা শাড়ির সাথে লাল শ্যাডো । সজীব তাকায়ে থাকে ।
- কি দেখো ?
- না । তোমার পেছনের মেয়েটাকে অপূর্ব লাগছে ।
-কি ?
- গাধী , অনেক সুন্দর লাগছে ।
- থ্যাঙ্কস । ওয়েট ! গাধী বললা আমাকে ?
- না । তোমার পেছনের মেয়ে টাকে বললাম :D
- এই মাইর খাবা । বুঝছো ?
-বুঝলাম ।
দুজনে টিএসসি হেটে ঘুরতে লাগে । দুপুরে পুরান ঢাকা যেয়ে লাঞ্চ করে ।
সজীব - চলো ।
সুমাইয়া-কোথায় ?
-দিয়া বাড়ী
- এখন ??
-হুম ।
-আচ্ছা । চলো ।
একসাথে দিয়া বাড়ি তে যেয়ে কাশবনের সাথে সন্ধ্যার অপরূপ দৃশ্য অবলোকন করতে থাকে তারা।
দেখতে দেখতে সজীব লাষ্ট সেমিষ্টারে চলে আসে । সুমাইয়া কে সময় একটু কম দেয়া হয় । থিসিস করতে করতে তার অবস্থা যায় যায় অবস্থা । রাতে দেরী করে ফিরে সজীব । এসেই ঘুমায়ে যায়। ক্যাম্পাসে দেখা হয় না । রাতে আর কথাও হয় না সুমাইয়ার সাথে প্রত্যেকদিন । সুমাইয়া চাপা একটা আর্ত্নাদ বুঝতে পারে । কয়েকদিন সজীবের অনুপস্থিতি তাকে ভাবায় । সে জানে সজীব তার থিসিস নিয়ে ব্যস্ত । কিন্তু মন কে সে বুঝাতে পারেনা । সে বুঝতে পারে , সজীব কে ভালবেসে ফেলেছে সে । সজীব কে কিছু বলেনা । ভাবে , এটা বলে শেষ পর্যন্ত না সজীব বন্ধুত্ত্ব টাকেই নষ্ট করে দেয় ।
সজীব নিজে কিছু চেঞ্জ অনুভব করছে । তার কেমন যেন ভালোলাগছেনা । সুমাইয়ার কথা মনে পড়ে তার । তার মনে পড়ে , সে লাষ্ট ৩ দিন সুমাইয়ার সাথে কথা বলেনি । দেখাও করেনি । কল দেয় ।সুমাইয়া ধরেনা । আরো দুইবার দেয় । তারপর ও ধরেনা । সজীবের মাথা খারাপ এর মত হয়ে যায় । কিন্তু কেনো হচ্ছে বুঝতেছেনা সে ।
দুইদিন পার হয়ে যায় । সুমাইয়া কল ব্যাক করেনি । সজীব ও দেয় নি। কাল সুমাইয়ার জন্ম দিন । সজীব ইচ্ছা করে উইস করেনা । কাল সার্প্রাইজ দিবে । সকাল এ ঊঠে উত্তরা যায় । বাসার সামনে দাড়ায়ে কল দেয় সুমাইয়া কে । সুমাইয়া কল ধরে
-হ্যালো ?
- এতো রাগ নিয়ে ঘুমাও কিভাবে ?
-মজা রাখ । কি বলবা । বলো ?
-নিচে নাম।
- কই নামবো ?
- বাসার সামনে আছি ।
- আচ্ছা । আসতেছি ।
১০ মিনিট পর সুমাইয়া আসে ।
- বলো । কি বলবা ?
- i love you .
- কি ?
- oh ! sorry . happy birth day and i love you .
- it’s not funny সজীব ( চোখ লাল হয়ে গেছে )
- i’m not joking . am serious .
- ( কেদে দেয় সুমাইয়া )
- কান্নার কি আছে ?
- এতো দিনে বুঝলে গাধা ?
- বুঝলাম তো নাকি ?? :D তুমিও তো বলতে পারতে :/
-মেয়েরা কখনো বলেনা ।
-হাহ !!
-আমার গিফট কই ?
- আজব তো । এতো বড় একটা সার্প্রাইজ দিলাম । তার পর ও গিফট চায় ।
- নাহ ! গাধাই থেকে গেলা ।
- এই জন্যই তো তুমি আমার গাধী
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৭ ভোর ৫:০৭
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার প্রিয় ২৬টি পোস্ট; যেগুলো আপনারও ভালো লাগতে পারে

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:১৭

গ্যাস নিয়ে গ্যাসলাইটিং: কোনটা আসল সংকট, কোনটা কৃত্রিম?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২১


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা কী, এই প্রশ্ন করলে সবাই একবাক্যে বলবেন গ্যাস সংকটের কথা। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে, ফলে লোডশেডিং বেড়েছে বহুগুণ। কলকারখানা হোক বা বাসাবাড়ি, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth- তবে কি আমরা মহাবিশ্বের ভৃত্য?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

Humans are not from Earth: A Scientific Evaluation of the Evidence বইটির লেখক ডক্টর এলিস সিলভার (Dr. Ellis Silver)-এর ব্যক্তিগত ও একাডেমিক জীবন নিয়ে মূলধারার তথ্যমাধ্যমে এক ধরনের রহস্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×