somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজকের হিরোই আগামীদিনের ভিলেন

১০ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক কাল হয়েছে। দেখা সাক্ষাত নেই।
মানুষ নাকে তেল দিয়ে ঘুমানোর সুযোগ পাচ্ছে। সন্ধ্যে হলে শপিংএ যায় না। নির্জন রাসত্দা দিয়ে হাঁটে না। মুঠোফোনের অভ্যাস এখন দেশীয় নাপিতদের দুপুর বেলা সোয়াসত্দি দিয়েছে। ফোনের রেট কমেছে আর সেজন্য চুল কাটা হয় না ইচ্ছেমত। তাদের প্রেয়সীর সাথে কথা বেড়েছে যেমন, তেমন পেছনে বাড়ছে আমার চুলের দৈঘর্্য, সামনে বিরলকেশ বলে বেঁচে গেছি।

কয়েকদিন পরে পক্ষ নেয়ার পালা আসবে। আদি বাহন নৌকাতে চড়ে দেশ দেখবো, নাকি কৃষির দিকে মনযোগ দেব, বিশেষত, ধানের নাকি মাপতে শুরু করবো দাড়িপাল্লায়, তেমন সময় ঘনিতেছে। কেউ বলে দুয়েক ছত্র লিখে বালখিল্যতা দেখানো দেশপ্রেম অনেক চাউর হয়েছে। এখন দরকার দারিদ্রতাকে যাদুঘরে পাঠানোর।

অনেকে বলে হঠাৎ করে সব ভাল লোকজন ক্ষমতা পেয়ে গেছে বিষয়টা আলাদাীনের চেরাগ উদ্ভুত নাকি! কেউ যখন বলে তলে তলে আসলে কু্য হয়েছে তখন তাতেও চর্মচোখে কোন ব্যতয় দেখি না। ভালর হাত ধরে ভাল এসেছে বলে টালমাটাল স্বপ্নে হারাই।

আমাদের সাথে কোন নিমন্ত্রণ নাই রহস্য দেখার, কোন সূত্র নাই অনুধাবনের, আমরা গল্প বানাই। গল্পের নাম দেই ইস্টিশনের রেলগাড়ী অথবা টইটুম্বুর প্রেম, তারপরে দুঃখ দেখে চোখ গড়িয়ে জল পড়ে ভিজে যায় গাল, নোনা স্বাদ চেটে খায় প্রেয়সীরা।

উইন্ডো শপিং এর সুযোগ নেই, আনন্দ তাই বিজলীর ছোয়ায়। যতক্ষণ আলো থাকে, বোকাবাঙ্ েদিনগুজরান করি। ইন্টারনেট সার্ফিং করে দেখি, কে কি ভাবছে বাংলাদেশ নিয়ে। আর্জেন্টিনার সরকারী ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইটটি ভুল দেয়া আছে। এটা এমন কোন সমস্যা না। আমাদের ওয়েবসাইটতো আছে, সেখানে কতিপয় উপদেষ্টারা ঘরোয়া রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছেন, তবে তাদের রাজনীতি চালু রেখেছেন, রাজনীতিকে দুষ্টগ্রহণ থেকে উদ্ধারের জন্য।

পায়ে দিয়ে হাঁটা ছাড়া ফেলে দেয়া জুতো পায়ে ফিট হতে আবার ততদিনই তো লাগবে। সেই কষ্ট। আমরা রাজনীতিতে নেই। কেবল দেখতে পাচ্ছি, ক্রমশ বাঙালীর মনসত্দত্ব সন্বন্ধে ভুল ধারণা গাঢ় হচ্ছে বাঙালীদের মধ্যেই। আজকের হিরো, কালকের ভিলেন এবং আজকের ভিলেন কালকের হিরো হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে একাধিকবার, তদুপরি এখন হিরো থাকার বাসনায় আগামী দিনের ভিলেন হবার শংকাকেও অবজ্ঞা করছে। ধন্যবাদ একারণেই - সময়ের যোগ্যতমকে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×