কোরান ক্যাডা লিখছে (পর্ব -১)? একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষণ
২০০৭-০৫-২০ ১১:৪৫:৪৫
[Add to digg] [Add to FURL] [Add to blinklist] [Add to My-Tuts] [Add to reddit] [Add to Feed Me Links!] [Add to Technorati] [Add to Socializer] [Add to YahooMyWeb] [Add to Co.mments] [Add to NewsVine]
কোরান ক্যাডা লিখছে ? একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষণ
প্রথম পর্ব
কোরান ক্যাডা লিখছে কেমনে লিখছে আর কখন লিখছে এই লৈয়া একখান অ্যানালিটিকাল লেখা লিখতে চাইছিলাম। তয় সমস্যা হৈল, এইগুলান লৈয়া কিছু লিখতে গেলেই মোমিন ভক্তদের গায়ে ফোসকা পোইড়া যায়। কাট মোল্লারা কৈতছে তাও মানলাম, মাগার ইদনিং সুফি সাদিকের লাহান নিরপেক্ষ লুকজনও ইনায়-বিনায় আমগো মুখটা পারলে বন্ধ কৈরা দিবার চায় বইলাই মনে হৈতেছে। কি করুম, বকরি বা জারীর লাহান তাগুদি জাঝা কবিতা ত লিখবার পারি না। প্রেম-পিরতি ভালাবাসারও আকাল পড়ছে ইদানিং! তাই ভয়ে ভয়ে সাত-পাঁচ ভাইবাও যে লিখাটা কয়েকদিন ধইরাই মাথায় ঘুরতাছে তা আপনেগো লাইগ্যা বয়ান করতেছি। হয়ত আপনেগো ইন্টারেসটিং মনে হৈব।
তয় লিখনের আগে একখান সতর্কতামুলক প্রসতাবণা সাইরা রাখি। আমার এই লিখায় ধর্মগ্রন্থরে ক্রিটিকালি দেখোনের চেষ্টা করা হৈছে। এর ফলে বিশ্বাসী অনেকের নরম দিলে আঘাত লাগনের সম্ভাবনা আছে। আমি অবশ্য কাউরে আঘাত না কৈরা মোহমুক্তভাবে যৌক্তিক বিশ্লেষণ খাড়া করনের যথাসম্ভব চেষ্টা করছি। তারপরেও কারো মনে আঘাত লাগলে আগেই ক্ষমা চাইয়া লৈতেছি।
কোরান কি? বিশ্বাসীরা মনে করে, কোরান হৈতেছে আল্লাহর কিতাব। নবীজীর কাছে এই কিতাব নাজিল হৈছে 610 খ্রীষ্টাব্দ থিকা নবীজীর মরনের আগ পর্যন্ত 632 খ্রীষ্টাব্দ ধৈরা।
ত ঠিক আছে, এইডা মাইনাই না হয় আগাই। আল্লাহর কিতাব যখন, আল্লাহর বাণী, আদেশ নির্দেশই এতে থাকনের কথা। সব কিছুই তাইলে লিখা হওন উচিত্ উত্তম পুরুষে।কিন্তুক তাই কি হৈছে? ব্যাপারডা পরীক্ষা করতে কোরাণ খুইলা পয়লা আয়াতটাই পড়ন যাক। এইডা হৈল সুরা ফাতিহা (কোরান 1:1-7)। আহেন আমরা সুরাটা পড়ি:
"শুরু করছি আল্লাহ্র নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু| যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা| যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু|যিনি বিচার দিনের মালিক| ****** আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি|আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, *********সে সমস্ত লোকের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ| তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে|"
এইডা যে আল্লাহর বানীনা হেইডা বুজতে কুন "জ্ঞানী জৈলশিং" হওন লাগে না। খালি চোখেই বুজন যায়। পুরা সুরাটাই আসলে আল্লাহর কাছে মুহম্মদের প্রার্থনা। সর্বশক্তিমান আল্লায় ত আর "আমাদেরকে সোজা সরল পথ দেখাও" (Guide us to the Straight Way) বৈলা কান্নাকাটি করব না , কৈব না যে, "আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি"| এইডা মুহম্মদের প্রার্থনা ছাড়া ত কিছু না। সেক্যুলার চিন্তাবিদ এবং ইসলামী গবেষক ড: ইবনে ওয়ারেক খুব পরিস্কার কৈরাই তার "হোয়াই আই অ্যাম নট আ মুসলিম" (1995) বইয়ে কৈছে : "এইগুলা আল্লাহর কাছে মুহম্মদের প্রার্থনা ছাড়া আর কিছু না"। এইখানে একখান কথা কৈ। কোন কোন মুসলিম ইন্টারপ্রেটার এই ধরণের ভ্যাজাইল্যা আয়াত কোরানে পাইলেই সরম পাইয়া "বলো" (say) শব্দটা আয়াতের আগে গুইজ্যা দিবার চায়। কোরান যখন সংকলিত হৈছহিল তখন কিন্ত এই বলো ফলো গুলা হান্দানো আছহিল না। বুঝন য়াইতাছে গ্যান্জাম সামলাইতে গিয়া পরে আল্লাহর আয়াতের উপরে ক্যাদ্দারি কৈরা "বলো" হান্দায়া গোঁজামিল দেওনের চেষ্টা হৈছে। তারপরেও পুরা গ্যানজাম সামলাইবার পারে নাই। "সত্য" কৈলাম ফাঁক ফোকর দিয়া চুগি মাইরা বাইর হৈয়া যাইবার চাইতাছে। পরিস্কারভাবে প্রমাণিত হৈতেছে কোরান শুরুই হৈছে আল্লাহর বাণী দিয়া না, মুহম্মদের বাণী দিয়া!
এইবার আরেকখান সুরার দিকে নজর দেই। সুরা আল ফালাক, এক নং আয়াত (113:1):
আমি আশ্রয় চাচ্ছি প্রভাতের পালনকর্তার কাছে।
(I seek refuge with the Lord of the daybreak)
এখানেও ব্যাপারটা পানির লাহান পরিস্কার যে,
মুহম্মদ এখানে "প্রভাতের পালনকর্তা" অর্থাত্ আল্লাহর কাছে আশ্রয় ভিক্ষা করতেছেন। আল্লাহর ত নিজের কাছে আশ্রয় চাওনের কোন কারণ নাই।
আবার সূরা আল্ আন-আম (6:104) দেখি:
"তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিদর্শনাবলী এসে গেছে| অতএব, যে প্রত্যক্ষ করবে, সে নিজেরই উপকার করবে এবং যে অন্ধ হবে, সে নিজেরই ক্ষতি করবে| আমি তোমাদের পর্যবেক্ষক নই|'
এই আয়াত্টা পড়লেও বুজন যায়, নবীজী তার দলবলের কাছে পরিস্কার কৈরা দিতাছেন যে, "তোমাদের কাছে আল্লাহর কাছ থিকা নিদর্শনাবলী আইস্যা গ্যাছে। মাগার আমি তোমাদের পর্যবেক্ষক নই|"
মহামতি দাউদ তার ইংরেজী অনুবাদে একটা ফুটনোট অ্যাড কৈরা দিছেন এই বৈলা যে এইখানে "আমি" বলতে মুহাম্মদরে বুঝানো হৈছে। গবেষক রিচার্ড বেল তার "আ কমেন্ট্রি অন দ্য কুরান" (1991)এ পরিস্কার কৈরাই বলছেন, "এই আয়াতের শেষে পরিস্কার বুঝা যাইতেছে যে, মুহম্মদ নিজেই নিজের কথা কৈতেছেন"।
এইবার সূরা নমল (27:91) পড়ন যাক :
"আমি তো কেবল এই নগরীর প্রভুর এবাদত করতে আদিষ্ট হয়েছি, যিনি একে সম্মানিত করেছেন| এবং সব কিছু তাঁরই| আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি যেন আমি আজ্ঞাবহদের একজন হই|"
ঐ আয়াতেও নবীজীর বক্তব্যই প্রকাশিত হোয়েছে -"আমি আদিষ্ট হয়েছি যেন আমি আজ্ঞাবহদের একজন হই|" দাউদ এবং পিকথাল তাদের আনুবাদে অনাবশ্যকভাবে "বলো" ব্যবহার করেছেন যা মুল আরবীতে আছিল অনুপস্থিত।
আরেকখান আয়াত দেখি। সূরা আল্ আন-আম (6:114):
"তবে কি আমি আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন বিচারক অনুসন্ধান করব, অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি বিস্তারিত গ্রন্থ অবতীর্ন করেছেন?"
যে কোন সুস্থ মস্তিস্কের মানুষ উপরের আয়াতটা পড়লেই বুজবার পারব যে, "তবে কি আমি আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কোন বিচারক অনুসন্ধান করব" -এইডা পিওরলি নবী মুহম্মদের কথা, আল্লাহর না। আল্লাহর ত আর ঘটা কৈরা জানা দিয়া নিজের বিচারক খুঁজনের দরকার নাই, কি কন্ ?
উপরের সুরাগুলান ছারাও সুরা বনী ইসরাঈল (১৭:১), সূরা মারইয়াম (১৯:৯, ১৯:৬৪), সূরা আস্-সাফ্ফাত (৩৭:১৬৪-১৬৬), সূরা আয-যারিয়াত (৫১:৫০), সূরা আন-নাজ্ম (৫৩:২), সূরা আল-মা’আরিজ (৭০:৪০-৪১), আত্ব-তারিক্ব (৮৬:১৭) -এর অনেক আয়াত পড়লেই ধারণা জন্মে যে, এগুলো মোটেই আল্লাহর বাণী নয়, অন্য কারো।
মুহম্মদের প্যাগান (পৌত্তলিক) হেরিটেজ: আরো কিছু কোরানিক প্রমাণ:
ইসলাম পৌত্তলিকতাকে অস্বীকার শুধু করে নাই, পৌত্তলিকতাকে "শিরক" হিসাবে গণ্য করছে- ট্রাডিশনাল বিশ্বাস হৈল এইটাই। কিন্তু পৌত্তলিকতার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা কৈরাও ইসলাম কি পুরাপুরি পৌত্তলিকতা থিকা মুক্ত হৈতে পারছে? আহেন এইটা জানোনের লাইগ্যা আমরা নীচের সুরাগুলান একটু খোলা দিলে আলোচনা করি।
সুরা আত্-তাকভীর (81:15)
"আমি নক্ষত্রের নামে শপথ করি যেসব নক্ষত্রগুলো পশ্চাতে সরে যায়|"
(I swear by the planets that recede)
এই আয়াতেও আল্লাহর বদলে নবীর নিজের বানীই উইঠ্যা আইছে, শুধু তাই না নবীজী আকাশের গ্রহ-নক্ষত্রের নামে শপথ করতাছেন। এইডা প্যাগান কালচার ছাড়া আর কি?
আবার আরেকখান সুরা দেহি :
সূরা আল-ইন্শিক্বাক্ব (84:16-19)
"আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভার, এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে, এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে।"
এই আয়াত থিকাও বুঝন যাইতাছে যে বক্তা এখানে মুহম্মদ, আল্লাহ না। মুহম্মদ এখানে সুর্যের (লাল আভা), চাঁদের আর রাইতের নামে শপথ করতাছেন। আকাশের গ্রহ তারার ণামে শপথ করনের কালচার ইসলাম আসনের আগে প্যাগানদের মৈধ্যে ভালামতই আছিল। দেখন যাইতাছে কোরানও এইগুলান হৈতে মুক্ত হৈতে পারে নাই। তাই কোরানের ছত্রে ছত্রে চন্দ্র, সুর্য, গ্রহ, তারার নামে শপথ করনের কথা ব্যক্ত হ্য় খোদ আল্লাহর মুখ দিয়া! শুধু তাই না, আল্লাহয় শপথ করছেন আঞ্জীর ও যয়তুনের (95:1), সিনাই পর্বতের(95:2), নিরাপদ নগরীর (95:3)| হের লাইগ্যাই বেন্জ্ঞামিন ওয়াকার লিখছে :
Some asked what need there was for God to take oaths like any mortal being, as when he swears by the fig and olive, and by Mount Sinai (95:1); by the declining day (103:1); and by the stars, the night and the dawn (81:15-18). Above all, they asked why the Almighty had to swear on himself.
এর মৈদ্যে চাঁন্দের নামে শপথ করনের ব্যাপারটা ইম্পরটেন্ট । ইউসুফ আলী তার তার ফুটনোটে কৈছেন, "ইসলাম পুর্ববর্তী সময়ে চন্দ্ররে দেবী হিসাবে পূজা করা হৈত"। কথা সৈত্য! অনেকেই হয়ত জানে না যে, "আল্লাহ" নামটাও আইছে প্যাগান গো চন্দ্রদেবী থিকাই। ইসলাম কায়েম হওনের অনেক আগে থিকাই কুরাইশদের মৈদ্যে দেব দেবীর প্রতি পুজা অর্চনার প্রচলন ছিল। হের মৈদ্যে সবচেয়ে বড় দেবী আছিল চন্দ্রদেবী বা "আল্লাহ" (al-ilah)। কুরাইশ গো বিশ্বাস অনু্যায়ি আল্লাহর আবার তিন কন্যা আছিল। লাত, উজজা আর মানত। হোগো কথা কুরানের সূরা আন-নাজ্ম-এর 19 এবং 20 নং আয়াতে আছে (53:19-20) :
"তোমরা কি ভেবে দেখেছ লাত ও ওযযা সম্পর্কে| এবং তৃতীয় আরেকটি মানাত সম্পর্কে?'
কোরানে এই প্যাগান নিদর্শন দেইখ্যা আশ্চর্য হওনের কিছু নাই। মুহম্মদ নিজেই বড় হৈছিলেন প্যাগান কালচারের মৈদ্যে। তার অচেতন মনেই প্যাগান গো দেব দেবীর ব্যাপার স্যাপারগুলা মাথায় আছিল। হের লাইগ্যা কোরানে খুঁজলেই পৌত্তলিকতার অনেক নিদর্শন এখনো পাওন যায়। মুহম্মদ নিজেও যে প্যাগান দেবদবীদের সনমান কৈরা ছাগল ভেড়া উত্সর্গ করতেন, এইটা পাওনন যায় হিশাম ইবনে আল কালবির "কিতাব আল আসনাম" গ্রন্থে (পৃ:১৭):
‘We have been told that the Apostle of God once mentioned al-Uzza saying, “I have offered a white sheep to al-‘Uzza, while I was a follower of the religion of my people.”
তাছারা মুহমমদের বাবার নামই আছিল আব্দুল্লাহ বা "আল্লাহর বান্দা"। এ থেইক্যা বুঝন যাইতাছে মুহম্মদের নবুয়ত প্রাপ্তির অনেক আগে থিকাই "আল্লাহ" নামটা প্যাগান গো মৈদ্যে প্রচলিত আছিল। কাজেই পরবর্তীতে মুহম্মদ নতুন কিছু করেন নাই, বরং প্যাগান গো ধর্মটারে মনোথিস্টিক বানাইতে গিয়া অন্য দেব দেবী গুলারে সরায় দিলেও তাগো প্রধান দেবী অর্থাত্ চন্দ্রদেবীরে সৃষ্টিকর্তা হিসাবে মাইন্যা নিছেন। তিনিই আল্লাহ,রহমানুর রহিম। এইজন্য মসজিদের মিনারে "ক্রিসেন্ট মুন"-এর সিম্বল দ্যাখন যায়। প্যাগান গো থিকা পাওয়া হেরিটেজ রৈয়া গেছে বৈলাই হজে গিয়া বিশ্বাসীরা মুসলিমেরা পাথর চুমা দিয়া সোয়াব কামায়, যা এক অর্থে প্যাগান গো পাথর পুজারই একটু ডাইভারসিফিকেশন। এ ছাড়া কিবলামুখি হৈয়া নামাজ পড়া, পশ্চিম দিকে ফিরা কবর দেওনের মৈদ্যেও পৌত্তলিকতার ছোঁয়া আছে। এলঐয়া পরে আরো আলোচনা করন যাইব, আইজক্যা থাউক।
আমার এই প্রবন্ধটা কয়েকটা পর্বে শেষ হৈব বৈলা আশা করি। আইজক্যা এই পর্বে কোরান থিকা অনেকগুলান উদাহরণ হাজোর কৈরা দেখাইলাম যে, কোরানে বহু আয়াত আছে যেগুলা উত্তম পরুষে রচিত হয় নাই, যেগুলান পড়লেই বুঝনন যায় যে ঐগুলান আল্লাহর কথা না; বরং নবী মুহম্মদের প্রার্থনা, আশা-আকাংখা, চাওয়া-পাওয়ার লগেই মিলে ভালা।
তয় কোরান রচনার পিছে মুহম্মদের একার অবদানই খালি আছে তা কিন্তু না, এর পিছে অবদান আছে প্রাচীন আরবীয় কবি ইমরুল কায়েস, জায়েদ বিন আমার (হানাফি, পরবর্তীতে মুরতাদ), কবি লাবিদ, হাসান বিন থাবিট, সালমান, বাহিরা, জবর, ইবনে কুমতা, বিবি খাদিজা, বিবি আয়শা, সাবিয়ান, আব্দুল্লাহ বিন সালাম সহ অনেকের। আমরা আস্তে ধীরে এদের সক্কলের কথাই আলোচনায় আনুম।
এই সিরিজে আমরা মোহমুক্তভাবে অথেন্টিক ডকুমেন্টের সাহায্য লৈয়া কুরানের উত্স সন্ধান কৈরা যামু।
প্রিয় পাঠক, আপনেগো সহায়তা কাম্য।
চলবে
==========
রেফারেন্স :
1। Richard Bell. A Commentary on the Qur’án. 2 vols. eds. C. Edmund Bosworth and M.E.J. Richardson. Manchester: The Victoria University of Manchester, 1991.
2। Ibn Warraq, Leaving Islam: Apostates Speak Out, Prometheus Books, 2003
3। Ibn Warraq , Why I Am Not a Muslim, Prometheus, 1995
4। The Holy Qur’an, Translated by A. Yousuf Ali, Published by Amana Corporation, Brentwood, Maryland, 1983
5। Syed Kamran Mirza, Was Allah The Moon God of Ancient Arab Pagan?
6। Abul Kasem, Who Authored the Qur’an?—an Enquiry, mukto-mona.com
7। Ibn Warraq, The Origins of the Koran, Prometheus Books, Amherst, New York, 1998.
8। Ibn al-Kalbi, Hisham, “The Book of Idols (Kitab Al-Asnam),” translated in English by Nabih Amin Faris, Princeton University Press, 1952
9। Ibn Ishaq, Muhammad b. Yasr, “Sirat Rasul Allah,” translated in English by A. Guillaume; first by published by Oxford University Press, London in 1955; fifteenth reprint by Oxford University Press, Karachi, Pakistan, 2001.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




