জগৎবিখ্যাত ব্লগেশ্বর সিংহাসনে সমাসীন। তার সম্মুখে এক আজব চিড়িয়া। তাই নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে প্রধান পরিকল্পনাবিদ, উজির, মন্ত্রী, ষন্ত্রী আর পেয়াদা। প্রজাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ হওয়াতে রাজদরবারে কেবল কিছু বিড়ালের ছানা দৌড়ুদুড়ি করছে।
ব্লগেশ্বর কিছুক্ষণ পর পর মাথার উপরে বহমান বিশাল টানাপাখার দিকে চোখ মুদে, কিম্ভিতুততততত... একটা শব্দ করেন। প্রধান পরিকল্পনাবিদ সে আওয়াজে কেঁপে ওঠে। ব্লগেশ্বরের সম্মুখের এ চিড়িয়াখানি অন্য রাজ্য থেকে এসেছে। উহাতে সে রাজ্য দখলের অনেক গোপন নকশা রয়েছে। এখন দরকার এর পেট থেকে সেগুলো বের করা। মহামতি ব্লগেশ্বর প্রধান পরিকল্পনাবিদের উপরে কিঞ্চিত বিরক্ত। তিনি শুনেছিলেন, তার প্রজাদের মধ্যে অনেকেই এই চিড়িয়াখানির সাথে পরিচিত। কিন্তু প্রধান পরিকল্পনাবিদের আশ্বাসের কারণে তিনি এতক্ষন চুপ করে ছিলেন। এবার তার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেল। হুয়ামমমমপর, গড়গড় একটা শব্দের পরে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, পেয়াদা! পাকাড়াও হারকুল সিয়ান্দাম নবরুক কে! এটা হচ্ছে প্রধান পরিকল্পনাবিদের নাম।
হারকুল সিয়ান্দাম নবরুক এবার চোখে শর্ষেফুল দেখতে থাকে। এই ব্লগেশ্বরের রাজ্যে তার সৃষ্ট রক্ষাব্যুহ নিয়ে তিনি এতদিন পাশের রাজ্যের উপরে বড়াই করেছেন। সে কিনা এখন তার এই আজিব চিড়িয়ার রহস্যভেদে অসমর্থ হওয়াতে মূল্যহীন হয়ে গেল! ব্লগেশ্বরেরর এখন যেকোন মূল্যে চান এর সমাধান। প্রয়োজন অচ্ছ্যুত প্রজাদের তিনি রাজ দরবারে নিয়ে বসাবেন। হারকুলের সে দৃশ্য দেখার চেয়ে কয়েদখানা অনেক শান্তির মনে হয়।
ঢোল পড়ে দিকে দিকে। চিড়িয়ার রহস্যভেদ করা সম্ভব এমন একজন খোঁজ পড়ে। তার গলায় তুঘলকী শিরোস্ত্রাণের প্রান্ত বেঁধে নিয়ে আসা হয় রাজদরবারে। রাজা তখন মুরগীর মাথার ঝোল খাচ্ছিলেন লম্বা পাইপের অগ্রে রেখে। তামুক ও মুরগীর ঝোলে অমৃত স্বোয়াদে রাজার অক্ষিগোলক যখন নিভূ নিভূ তখন উজিরে আলা ইন্ডুলা য়াজা মিকুল নবরোজ রাজার পদপ্রান্তে এসে কুইকককুকুক বলে একটা শব্দ করেন। রাজা তার খানদানী নয়নের এক ভ্রু উর্ধ্বে তুলে দেখেন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




