আন্ডারওয়ার নামক বস্ত্রের সাথে আমার পরিচয় একদম প্রয়োজনের সময়ই। এর আগে এই ক্ষুদ্র বস্ত্রটির সাথে পরিচিত ছিলাম না, এমনকি ধারণাও ছিল না যে এমন ক্ষুদ্র বস্ত্র পরিধান করার কোন আবশ্যকতা তৈরী হতে পারে। হাফপ্যান্ট পরিচিত, টাইট শটস পরিধানের কিছু ক্ষেত্র ছিল যেমন হান্ড্রেড মিটার স্প্রিন্ট, লং জাংম্প। এদুটোতে স্কুল বয়সে আমি চ্যাম্পিয়ন ছিলাম জেলা পর্যায়ে , সেই সুবাদে অসংখ্য চমৎকার শটস ছিল কালেকশনে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য শটস পরে তার উপরে প্যান্ট চাপিয়ে যেতাম। হিটসের আগে প্যান্ট খুলে একদম পেয়ে যেতাম কার্যকর পোষাক।
কিন্তু তার অভ্যন্তরে আন্ডারওয়ার যে ভিন্নবস্তু তা স্পষ্ট হয়েছে ক্রোচের স্ফীতি দর্শনীয় হয়ে ওঠার পর। ফুলপ্যান্ট সাথে শার্ট ইন করে পরার পরে ক্রোচের দিকে বাল্জ কখনও দৃষ্টিকটু মনে হতো সংগীদের। এক বন্ধু একবার বললো, তুই আন্ডারওয়ার পরিস না কেন? আমি খুঁজে পাই না কেন পরবো। আমার তো কোন অসুবিধা হচ্ছে না! সে বলে, দেখতে খারাপ লাগে, দেখিস মেয়েরা দেখে কেমন হাসাহাসি করে! আমার নির্দোষ অভিব্যক্তি, কেন হাসাহাসি করবে? তখন পর্যন্ত আমার ক্রোচ জঘন্য রকমের স্ফীত হতে শেখেনি!
তবে আন্ডারওয়ার পরার আসল প্রয়োজনটা হয়েছিল পিকনিকে গিয়ে। আমি ভেতরে শর্টস পরে গিয়েছিলাম, কারণ ফুটবল খেলতে হবে। খেলতে গিয়ে শর্টস ভিজে যাওয়ায় শেষে সেটা বাদ দিয়ে প্যান্টের ভেতর টিশার্ট ইন করে পরেছি। ইতস্তত ঘুরতে ঘুরতে সেকেন্ড গার্লের সাথে দেখা যে পরবর্তীতে আমাকে টপকে প্রথম হয়েছিল। আমার সাথে তার সাপেনেউলে সম্পর্ক। তবে সেদিন একটা ফ্রক, উদোম হাটু পর্যন্ত পা দেখে আমি আড়চোখে বারবার দেখছিলাম। হঠাৎ সবাইকে অবাক করে দিয়ে ও আমার কাছে এসে হাত ধরে বলল, চল আমরা আজ থেকে বন্ধু, তোকে আর চেতাব না, নদীর পাশটায় ঘুরে আসি!
আমারতো হাত ধরাতেই ক্রোচ স্ফীত হয়ে গেছে। উৎকটভাবে হাঁটার সাথে তা দুলছে ডানে বামে। নিজে থেকেই বুঝতে পারলাম একটা আন্ডারওয়ারের প্রয়োজনীয়তা কত তীব্র!
* মাহবুব সুমনের উৎসুক্য নিবারণের জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



