আন্ডারওয়্যার পরা শুরু করার পর থেকে আর তা ছাড়ার সুযোগ হয়নি। লাভমেকিং সেশনে পদার্পনের পর থেকে এটার রূপায়নের দিকে নজর দিলাম। কেলভিন ক্লেইনের লোগো প্যান্টের উপর থেকে বের করে রাখি। নামী দামী সব আন্ডারওয়্যার। তবে কখনও নিজে ধুঁয়ে দেখিনি। প্রতিদিনই ওয়াড্রবে ফ্রেশ আন্ডারওয়্যার পেতাম, কে এবং কখন এই কাজগুলো করতো তা কখনই ভেবে দেখার প্রয়োজন বোধ করিনি। যখন একা একা থাকা শুরু করলাম, তখন নিজের আন্ডারওয়্যার নিজের ধুতে ভাললাগতো না। আবার কাজের বুয়াকে দিতেও সংকোচ লাগতো। যার জন্য আমার দীর্ঘসময় আন্ডারওয়্যার পরে থাকতে হতো। একটা দুই তিন ধরে পরতাম। দ্বিতীয় দিনেই মনে হতো আন্ডারওয়্যারের সংগীন পয়েন্টে চটচটে অবস্থা।
আমি চট করে অফিসের বাথরুমে ঢুকে আন্ডারওয়ার খুলে, প্যান্টের ইন ছেড়ে বের হতাম। কলিগরা বলতো, কি ভাই, ডাইরেক্ট লাইন হয়ে গেছে নাকি! মানে ডাইরিয়া কিনা! বাসায় ফিরে জিনসের সাথে লং টি শার্ট পরে আড্ডায় যেতাম। কখনও সোজা মার্কেট গিয়ে আন্ডারওয়ার কিনে ট্রায়াল রুমে গিয়ে পরে তারপর মুক্তি মিলতো। বাধ্য হয়ে একদিন সাহস করে প্যান্ট-শার্টের সাথে আন্ডারওয়্যারও রেখে দিলাম কাপড়ের বাস্কেটে। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে দেখি বারান্দায় শুকাচ্ছে আমার আন্ডারওয়্যার। মন খুশীতে নেচে উঠলো, আমি গেয়ে উঠলাম, আমারও পরানে যাহা চায়.........!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০০৭ সকাল ১১:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



