somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"লাদেন নিহত হন নি, ২০০১ সালে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়" -সাবেক অধ্যাপক জেমস হেনরি ফিটজার।

১৪ ই মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমরা সবাই জানি আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালে আমেরিকার নৌবাহিনীর কমান্ডো বাহিনীর হাতে নিহত হন। আসলে কি ঘটনা ঘটেছে, আমরা কিছুই জানি না। তাই আমি একটি জার্নালে এই তথ্যগুলো পেলাম এবং আপনাদের কাছে পৌছাতে সাহায্য করলাম মাত্র। তবে এটা কতটা সত্য আমি নিজেই জানি না। হয়তো কেউ না কেউ সত্য ঘটনা লিখে যাবেন, হাজার বছর পরে হলেও সত্য প্রকাশিত হবে, সেই আশায় এই তথ্য নির্ভর লেখা টুকু কেবল মাত্র আশার হিসাবে কাজ করবে।

আল-কায়েদার সাবেক নেতা ওসামা বিন-লাদেন ২০১১ সালে পাকিস্তানে নিহত হন নি বরং ২০০১ সালে তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তাকে একটি অজ্ঞাত কবরে ইসলামি অনুশাসন অনুযায়ী দাফন করা হয়েছে। প্রেস টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ দাবি করেছেন লেখক, সাংবাদিক এবং উইনকনসিনের মেডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক জেমস হেনরি ফিটজার। রোববার লন্ডন রিভিউ অব বুকসে প্রকাশিত আমেরিকার খ্যাতনামা অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও লেখক সেইমোর হার্শ’এর নিবন্ধ প্রসঙ্গে এ কথা বলেন তিনি। তিনি অনেকটা নিজের মন্তব্য প্রকাশ করেছেন জোরদিয়ে।

ভেটার্নস ট্রুথ নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেমস ফিটজার আরো দাবি করেন, বিন-লাদেনের মৃত্যু সম্পর্কে 'অর্ধ সত্য' বলেছেন হার্শ। এর কারণ তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, সত্যিকার পরিস্থিতি গভীরভাবে গোলমেলে হওয়ায় এটা বিস্ময়কর যে, পুরো ঘটনাবলী বুঝতে পারা হার্শের পক্ষেও সম্ভব হয়ে ওঠে নি।

২০০১ সালে ১৫ ডিসেম্বর বিন-লাদেন আফগানিস্তানে মারা গেছেন এবং তাকে সেখানে একটি অজ্ঞাত কবরে দাফন করা হয়েছে বলে দাবি করেন জেমস হেনরি ফিটজার। ২০০১ সালের ২৬ ডিসেম্বর ফক্স নিউজ ওসামা বিন-লাদেনের মৃত্যু বিষয়ক একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, অন লাইনে এটি এখনো পাওয়া যায়।

হার্শ তার নিবন্ধে বলেছেন, সাবেক আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন-লাদেনকে হত্যার অভিযানের বিষয়ে ডাহা মিথ্যা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। নিজের ভূমিকাকে বড় করে দেখানো এবং বিন লাদেন বিরোধী অভিযানের কৃতিত্ব নেয়ার জন্য এক্ষেত্রে পাকিস্তানের বিশেষ বাহিনীর ভূমিকার কথা ধামাচাপা দিয়েছেন তিনি।

প্রায় একই রকম মন্তব্য করেছেন ফিটজার। তিনি বলেন, ২০১১ সালে বিন-লাদেনের দ্বিতীয় দফা মৃত্যুর খবর প্রচার করেছে সংবাদ মাধ্যম। মার্কিন সরকার দেশটির জনগণের কাছে মিথ্যা ও বানোয়াট কাহিনী তুলে ধরেছে।

এদিকে, সেইমোর হার্শ লিখেছেন, অ্যাবোটাবাদের বাড়িতে বহু বছর ধরেই বিন লাদেনকে আটকে রেখেছিল পাকিস্তানের সেনা গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। ২০১০ সালে পাকিস্তানের একজন পদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রথম বিন লাদেনের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ওয়াশিংটন ওসামা বিন-লাদেনের মস্তকের মূল্য ঘোষণা করেছিল দুই কোটি ৫০ লাখ ডলার। এ অর্থের লোভেই ওসামার অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য ফাঁস করে দেন ওই পাকিস্তানি কর্মকর্তা।

হার্শ আরো লিখেছেন, মার্কিন সেনা অভিযানের বহু আগে থেকে বিন লাদেনের সঙ্গে আল-কায়েদা চক্রের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে এ যোগাযোগ বিছিন্ন করে দেয়া হয়েছিল বলেও জানান হার্শ।

এ ছাড়া, বিন-লাদেন বিরোধী অভিযান চালানোর সময় মার্কিন নৌ কমান্ডো সিল’এর সদস্যদের সঙ্গে কোনো গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেনি বলেও হার্শ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কেবলমাত্র 'অসহায়, দুর্বল এবং নিরস্ত্র' বিন-লাদেনকে হত্যার জন্যেই একতরফা গুলি চালানো হয়েছে। এ ছাড়া, বিন-লাদেনের লাশ সাগরে ফেলে দেয়া হয় নি বরং তাকে আফগানিস্তান কবর দেয়া হয়েছে। হার্শ বলেন, আমেরিকার কথিত সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে মিথ্যা তথ্য দেয়া একটা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

আসলে, আমরা কার কথা বিশ্বাস করবো, হার্শ এর কথা না অধ্যাপক সাহেবের কথা, তবে সঠিক সত্যটা কিন্তু আল্লাহু রাব্বুল আলামিনই ভাল জানেন। যদি তিনি ২০০১ সালে মৃত বরণ করে থাকেন তাও আল্লাহুর হুকুমে হয়েছে এবং ২০১১ সালেও হয়ে থাকে তাও আল্লাহুর হুকুমে হয়েছে। সব কিছু আল্লাহু তায়ালাই ভাল জানেন।

সূত্র-http://bangla.irib.ir/2010-04-21-08-29-09/2010-04-21-08-29-54/item/73367-‘লাদেন-নিহত-হন-নি,-২০০১-সালে-তার-স্বাভাবিক-মৃত্যু-হয়’
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

"রিকন্সিলিয়েশান"....ইহা কি খায় নাকি মাথায় দেয়?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:০০



সত্যি সত্যিই তাদের সুযোগ ছিলো ২৫ শে মার্চ এর পর যাবতীয় অপকর্ম জনগণের কাছে স্বীকার পূর্বক,
/মুক্তিযুদ্ধে তাদের দ্বারা নৃশংসতার শিকার জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা,
/তাদের ক্ষতিপূরণ দিয়ে এবং,
/সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিদায় নানা পাটেকার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৫৭



৯০ দশকের শুরুর দিকের কথা, সারা দিনের ক্লান্তি নিয়ে যখন বাসভবনে ফিরেছি, রুটিন মাফিক গোসল খাওয়া দাওয়া করে ঘুমোবো কিন্তু টিভি অন করে দেখি একটি সিনেমা শুরু হচ্ছে -... ...বাকিটুকু পড়ুন

×