নোবেলবঞ্চিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ।
০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
জাহাঙ্গীর সুর :
১৯১৮ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পান ম্যাক্স-প্ল্যাঙ্ক। তার বিখ্যাত বিকিরণ সূত্রের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যাসহ এক প্রবন্ধ লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরপদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু। ওই প্রবন্ধটি তিনি আইনস্টাইনেরকাছে পাঠালেন ১৯২৪ সালে। আইনস্টাইন নিজেও সেই গবেষণায় সম্পৃক্ত হন। শেষে দু’জন মিলে যে নতুন তত্ত্ব দাঁড় করালেন তার নাম বোস-আইনস্টাইন ঘনীভবন। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (শূন্য ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের ২৭৩ ডিগ্রি নিচে) কোনো গ্যাস যে আচরণ করে তাকে বলা হয় বোস-আইনস্টাইন ঘনীভবন। এটা হল পদার্থের পঞ্চম অবস্থা (পদার্থের প্রথম চার অবস্থা হচ্ছে কঠিন, তরল, বায়বীয় ও প্লাজমা)। ১৯৯৫ সালের ৫ জুন। রুবিডিয়াম পরমাণু নিয়ে গবেষণায় সত্যেন্দ্রনাথ বসুরতত্ত্ব হাতেকলমে প্রমাণ করেন বিজ্ঞানী এরিক কর্নেল ওকার্ল ভিমেন। পরের বছর সোডিয়াম পরমাণু নিয়ে ওই তত্ত্ব প্রমাণ করেন বিজ্ঞানী উলফগ্যাঙ্গ কেটারলি। স্বীকৃতিস্বরূপ এইতিন বিজ্ঞানীকে দেওয়া হয় ২০০১ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল। কী বিস্ময়কর, নোবেলবঞ্চিত হয়েছেন ওই তত্ত্বের স্রষ্টা-সত্যেন্দ্রনাথ বসু!
("নানা মত"- "সকালের খবর" থেকে সংগৃহীত)
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier...
...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ...
...বাকিটুকু পড়ুন
ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।...
...বাকিটুকু পড়ুন
স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের...
...বাকিটুকু পড়ুন
কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।
কোন কোন সন্ধ্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন