আওয়ামী-ঘাদানিক ট্রাইব্যুনাল আজ সর্বজন শ্রদ্ধেয় ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ সাহেবকে সাতটি অভিযোগে অভিযুক্ত করে ফাঁসির রায় দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে আটটি অভিযোগ উপস্থাপন করা হলেও একটি অভিযোগ প্রমান করা যায়নি বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। যেই ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, প্রসিকিউটরসহ সকল হোমরা-চোমরা নিয়োগ দেয়া হয়েছে দলীয় বিবেচনায়, যেখানে আসামী পক্ষের নাই কোন সম্পৃক্ততা সেখানেও সব অভিযোগ প্রমান করা সম্ভব হয়নি মাওনালার বিপক্ষে। হয়তো বলা হবে নিরপক্ষ বিচার হয়েছে বলেই এমনটা হয়েছে! হায়রে আম্লীগ! স্কাইপ কেলেংকারীর মাধ্যমেই প্রমানিত হয়ে গেছে যে এই ট্রাইব্যুনাল কতটা নিরপেক্ষ কিন্তু সেটা ওদের বুঝা সম্ভব নয় কারন ওরা তো মানুষ না আবার অমানুষ ও না ওরা যে আম্লীগ!
তোমরা যতই নাটক সাজাও আর ফাঁসি দাও, সত্য পিয়াসী প্রতিটি মানুষ জানে তার বিরুদ্ধে আনীত প্রতিটি অভিযোগই মিথ্যা। জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক কারনে পাকিস্থান বিভক্তির বিপক্ষে অবস্থান নিলেও এ দলের কোন নেতা-কর্মী হত্যা, ধর্ষন, লুটতরাজের মত কোন মানবতাবিরোধী অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলনা তা প্রমানিত সত্য। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারনে ও ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার লক্ষেই একটি মিমাংসীত বিষয় নিয়ে আজকের এই প্রহসনের নাটক চলছে।
আর একটা কথা, এই রায় নিয়ে নাকি আওয়ামী-ঘাদানিক ভূমন্ডলে খুশির বন্যা বইছে। বাম পন্থিদের তো আজকাল মরা বাঘের লেঞ্জু কাইটা বিজয় মিছিল করা ছাড়া জীবিত বিলাইর লেঞ্জু স্পর্শ করারও ক্ষমতা নাই কিন্তু আম্লীগের তো আগামী দিনে দেশে রাজনীতি করতে হবে নাকি তারাও বামদের পথ ধরেছে?
বাকশালীরা নিপাত যাক,
মানবতা মুক্তি পাক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


