somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তার্কিদের শীতলযুদ্ধ ও বর্তমান

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ। রাশিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন নিয়ে বেশ শক্ত অবস্থানে।ঠিক এই সময়টাতেই তুরস্কের বসফোরাসের দিকে রাশিয়ার আগ্রহ তৈরি হয়।
রাশিয়ানরা তুর্কি প্রণালীগুলোতে ঘাটি বসাতে শুরু করে।

কিন্তু চানাক্কালি যুদ্ধে জয়ী তার্কিদের হঠাৎ গেম চেঞ্জ হয়ে যায় আমেরিকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুনির এরতেগুনের হৃদরোগে মৃত্যুতে।

আমেরিকা তুরস্কের জন্মবন্ধুর পরিচয়টা অনেক ভালোভাবেই দিয়েছিল সে সময়।মৃতদেহকে সম্মান দিয়ে পাঠাতে গিয়ে সাথে এল তিনটি রণ তরী। এই রণতরীগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছিল সেই সময়ের সবচেয়ে বড় রণতরী মিসৌরি।



এদিকে আমেরিকানদের আগমনে ইস্তাম্বুলে চলছিল বিশাল প্রস্তুতি। প্রত্যেকটি জাতীয় দৈনিকে লিড হচ্ছিল তাদের আগমনী ধ্বনি। ডাক টিকেট বানানো হলো সেই রণতরী স্মরণে।
আর এই আগমনী হাওয়ায় ইস্তাম্বুলের ত্রিশ বছরের পুরনো রাশিয়ান ছালাদ মিনিটেই আমেরিকান সালাদে রুপ নিল।

যুদ্ধ ছাড়াই শেষ হয়েছিল সময়টি।রাশিয়া তাদের ঘাটি উঠিয়ে নিয়েছে, আর আমেরিকান মিসৌরিও বন্ধুত্বের দাবী পালন করে ফিরে গিয়েছে।


এর পরে সময় অনেকটা পথ হেটেছে।তুরস্ক এখন উন্নত দেশগুলোর কাতারে। বিভিন্ন ইসলামি দেশ,আর অনেক প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক দল এই দেশকে নিয়ে বেশ আশাবাদী।

কিন্তু তুরস্কের বন্ধুত্ব যখন মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া হিসেবে খ্যাত ইজরায়েল এর সাথে হয়,ঠিক তখনি কাঠাল মাথায় ভাঙা অবস্থায় পড়ে দলগুলো।

আসলে উন্নয়নের মশাল নিয়ে আতাতুর্কের তুর্কি জাতীকে যেমন চীন ভয় পেয়ে মহাপ্রাচীর বানিয়েছিল এখনো ঠিক সেভাবেই যে কারো মাঝেই প্রাচীর তৈরি করতেও তাদের খুব বেশি সময় নিতে হবে না।

লাবিব ফয়সাল
কনিয়া,তুরস্ক।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৩৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?
============================================
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশকে যুক্ত করার আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পক্ষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃশ্যমানতা এখন একধরনের পুঁজি

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০০

মানুষ শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য কনটেন্ট নির্মাতা হতে চাইছে না। দৃশ্যমানতা নিজেই এখন একটি মূল্যবান সামাজিক সম্পদে পরিণত হয়েছে।

অনুসারীর সংখ্যা একজন মানুষকে পরিচিতি, আমন্ত্রণ, প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে প্রবেশাধিকার, বাণিজ্যিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×