
মেন্ডেলের সূত্র সমূহ
মেন্ডেলের সাধারণ দুটি সূত্র আছে। একটি হল “একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন দুটি জীবের মধ্যে প্রজননে সৃষ্ট সঙ্কর জীবে বিপরীত বৈশিষ্ট্যের জীনগুলো পরস্পরের মিশ্রিত না হয়ে পরস্পর পাশাপাশি অবস্থান করে এবং পরবর্তী গ্যমিট উৎপাদনের সময় ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে প্রবেশ করে।”
মেন্ডেলের প্রথম সুত্রের জীন ত্বাত্ত্বিক ব্যাখ্যা
আমরা যদি মানুষ যদি বিবেচনা করি তাইলে গায়ের রঙ হিসেবে বিবেচনা করলে দুই ভাগে ভাগ করতে পারবো। মনে রাখতে হবে যে সাদা রঙ শক্তিশালী এবং কালো রঙ হালকা।
কিন্তু এ সাদা কালো কেন হয়? জ্বীনের ভেতরে তথ্য থাকে আপনি সাদা হবেন নাকি কালো হবেন।এখন আমরা সাদা জ্বিনকে W এবং কালো জিনকে wদ্বারা প্রকাশ করি। আপনারা হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন যে W টা বড় হাতের কিন্তু wটা ছোট হাতের কেন লিখলাম?? এর কারণটা হচ্ছে w জিনটা প্রচ্ছন্ন অর্থাৎ দুর্বল।কিন্তু জ্বীনের মধ্যে সাদা কালো আবার তিনপ্রকারঃ
1. খাঁটি সাদা(WW)
2. সঙ্কর সাদা(Ww)
3. কালো(ww)
তাহলে একজন মানুষের ভেতর কালো রঙের দায়ী জিন থাকলেই যে সে কালো হবে এমন কোন কথা নেই তার ভেতর একাধিক কালো জিন থাকলেই সে কালো হবে। কিন্তু সাদা রঙের জন্য দায়ী জিন মাত্র একটি থাকলেই সে সাদা হবে। অর্থাৎ আমরা বাইরে থেকে কালো সাদা যা দেখি তাকে ফেনোটাইপ ও ভিতরে যে কোড থাকে সেটা জ্বীনোটাইপ বলে।এখন আমরা যদি দুইজন সঙ্কর সাদা (Wb) ছেলে ও মেয়ের বিয়ে দিই তালে তাদের সন্তানগুলো কেমন হবে তা নিম্নের চেকারবোর্ড বা চার্ট থেকে দেখি।এখানে সংকর সাদা মানে Ww

এরপরের পর্বে আমরা f2 জনু এবং মেন্ডেলের দ্বিতীয় সুত্র নিয়ে আলোচনা করব। এই পোস্টটি যদি আপনাদের সামান্য জ্ঞান বৃদ্ধিতে সাহায্য করে তবে কমেন্ট করে আমাকে আরো লেখার জন্য উৎসাহিত করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০১৫ দুপুর ২:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



