
বৈশাখের বৈরিতায় নোনা জল কাব্য অধরে পিরানের আচল সুখ!
এলোকেশী কখনও ধ্রুপদী, হও যাতনা অর্কিড
ভাবনার ডুব সাঁতার পানকৌড়ি আচড় কাটা জল
কে ভাঁসে দেহহীন স্মৃতির শূন্যতা বীণায় অমলিন ।
বিষবৃক্ষের অমৃত সুধা অকথন অনুভূতি হারিয়ে জোনাকির নাকফুল
পালায়নি অক্ষমতা অদূরে সংস্কৃত শ্লোক যন্ত্রনার বেরিবাঁধে
শাণিত সুখ বৈঠা আকন্ঠ নিমজ্জিত, পাড়ি দেয় পাতিহাঁস
কানে বাঁজে নবজাতক পায়েলের নিক্কন ঘুঙুরের অভিলাষ
চিবুক ছুঁয়ে চুপিসারে বলে কাঁশফুলের আঘ্রানে বুঝে নিও তোমার ক্রীতদাশ।
সমীরণে উত্তরী গায় দূরন্ত বেদনা ঝরা শিউলী তল অনাহুত বৈরীতায়
জন্মকে ধিক্কার দাও সত্যের নোনা স্বাদে তবে কি পরাভূত ?
না সুখ আতিশয্যে লজ্জিত আমি যে পুরুষ বুঝনি তা আগে ।
দোদুল্যমান নিয়তির কাঠগড়ায় জাফরান রংয়ের অধরে জাগে কামুক বালুচর
ভালবাসা বিকিয়ে কতবার কর অশুভ নিমন্ত্রণ।
রুদ্ধশ্বাসে নেমে আসা বৃষ্টি ঘটায় নিবিড় মৈথুন
ভাষাহীন চিত্তে কল্পবিভোর আবির্ভাব উত্তরসূরীর ছায়াপটে দৃশ্যলোক।
উত্তরণে ক্লান্ত মন দেহাশ্রয়ী সুখানন্দে খুঁজে নগ্ন বাহন
অমার্জনীয় অপরাধ বুকে হাহাকার নৈঃশব্দে পাড়ি দেয় নিগূঢ় কালো মেঘ
আস্তিনে লোকানো নরম সিপাই যুদ্ধের দামামা মনে মনে চাই
তবে কি মৃণালীনি অগোচরে যাই তোমার ভেঁজা আঙিনায়।
তুমিই সত্যবীনা শাশ্বত ধ্রুব মোহমায়া, খেলেছ চুড়ইভাতি কার্নিশে দাঁড়িয়ে দুলিয়ে কর্নদুল
অক্লেশে বহুবার ফিরিয়েছি তোমায় নতজানু হলাম আবার ঢাঙ্গর হয়েছি এইকি আমার ভুল।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





